৭ দল নিয়ে যাত্রা শুরু জাতীয় মুসলিম জোটের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪: ৪৮
জুলাই চেতনায় আধিপত্যবাদবিরোধী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জাতীয় মুসলিম জোটের আত্মপ্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই চেতনায় আধিপত্যবাদবিরোধী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে জাতীয় মুসলিম জোট নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

জোটভুক্ত দলগুলো হলো— বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণমুক্তি জোট, নাগরিক অধিকার পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজ, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ ও বিএনডিপি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জোটের প্রধান সমন্বয়কারী কাজী আবুল খায়ের, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, নাগরিক অধিকার পার্টির আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, বিএনডিপির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম লাবুসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা।

বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পালাবদলের আন্দোলন ছিল না; বরং রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, দায়বদ্ধতা ও গুণগত পরিবর্তনের দাবি এবং জনগণের চিন্তায় মৌলিক পরিবর্তনের বহিঃপ্রকাশ ছিল। এই আন্দোলন গণতন্ত্রের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পরিবারতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই চিন্তার পরিবর্তন বাস্তবায়িত না হলে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় মুসলিম জোট বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় বাঙালি, মুসলিম ও অন্যান্য জাতিসত্তার সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ঐতিহাসিক সমন্বয়কে স্বীকার করে এবং এই সমন্বয়ের ভিত্তিতে জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায়বিচার, নৈতিকতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ভারসাম্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জোট কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এ ছাড়া জাতীয় মুসলিম জোট কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংগঠন নয় বলে স্পষ্ট করেন তারা। বলেন, এটি জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায়, দায়িত্ববোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও নাগরিক মর্যাদাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করে সকল নাগরিকের সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্বে বিশ্বাসী একটি সংগঠন।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

এনসিপির সমাবেশে হামলার নিন্দা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির, দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ: জামায়াতের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

৩ দিন আগে

সাভারে এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, প্রশাসনের সহায়তায় বোমা হামলার অভিযোগ নাহিদের

নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?

৪ দিন আগে