
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই চেতনায় আধিপত্যবাদবিরোধী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে জাতীয় মুসলিম জোট নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
জোটভুক্ত দলগুলো হলো— বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণমুক্তি জোট, নাগরিক অধিকার পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজ, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ ও বিএনডিপি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জোটের প্রধান সমন্বয়কারী কাজী আবুল খায়ের, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, নাগরিক অধিকার পার্টির আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, বিএনডিপির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম লাবুসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা।
বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পালাবদলের আন্দোলন ছিল না; বরং রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, দায়বদ্ধতা ও গুণগত পরিবর্তনের দাবি এবং জনগণের চিন্তায় মৌলিক পরিবর্তনের বহিঃপ্রকাশ ছিল। এই আন্দোলন গণতন্ত্রের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পরিবারতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই চিন্তার পরিবর্তন বাস্তবায়িত না হলে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় মুসলিম জোট বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় বাঙালি, মুসলিম ও অন্যান্য জাতিসত্তার সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ঐতিহাসিক সমন্বয়কে স্বীকার করে এবং এই সমন্বয়ের ভিত্তিতে জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায়বিচার, নৈতিকতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ভারসাম্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জোট কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
এ ছাড়া জাতীয় মুসলিম জোট কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংগঠন নয় বলে স্পষ্ট করেন তারা। বলেন, এটি জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায়, দায়িত্ববোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও নাগরিক মর্যাদাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করে সকল নাগরিকের সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্বে বিশ্বাসী একটি সংগঠন।

জুলাই চেতনায় আধিপত্যবাদবিরোধী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে জাতীয় মুসলিম জোট নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
জোটভুক্ত দলগুলো হলো— বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণমুক্তি জোট, নাগরিক অধিকার পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজ, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ ও বিএনডিপি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জোটের প্রধান সমন্বয়কারী কাজী আবুল খায়ের, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, নাগরিক অধিকার পার্টির আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, বিএনডিপির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম লাবুসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা।
বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পালাবদলের আন্দোলন ছিল না; বরং রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, দায়বদ্ধতা ও গুণগত পরিবর্তনের দাবি এবং জনগণের চিন্তায় মৌলিক পরিবর্তনের বহিঃপ্রকাশ ছিল। এই আন্দোলন গণতন্ত্রের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পরিবারতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই চিন্তার পরিবর্তন বাস্তবায়িত না হলে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় মুসলিম জোট বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় বাঙালি, মুসলিম ও অন্যান্য জাতিসত্তার সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ঐতিহাসিক সমন্বয়কে স্বীকার করে এবং এই সমন্বয়ের ভিত্তিতে জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায়বিচার, নৈতিকতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ভারসাম্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জোট কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
এ ছাড়া জাতীয় মুসলিম জোট কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর স্বার্থকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংগঠন নয় বলে স্পষ্ট করেন তারা। বলেন, এটি জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায়, দায়িত্ববোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও নাগরিক মর্যাদাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করে সকল নাগরিকের সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্বে বিশ্বাসী একটি সংগঠন।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার সিটি করপোরেশনগুলোর মেয়রদের পদচ্যুত করে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিল। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এবার ‘রাজনৈতিক’ প্রশাসক নিয়োগ দিল।
১৬ ঘণ্টা আগে
সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বিএনপি সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ‘জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি অবিলম্বে এসব সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিলের দাবি জানান।
১ দিন আগে
ইশরাকের ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণার আগে আসিফ মাহমুদেরও একই পদে ভোটে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে৷ তারা দুজনেই মেয়র পদে প্রার্থী হলে তা আগের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে নতুন করে সামনে আনবে, এ কথা বলাই যায়।
২ দিন আগে
দলীয় সূত্র ও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন সেলিমা রহমান। এরপর দ্রুত তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
২ দিন আগে