
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলেছেন, যতই পুলিশি বাধা আসুক, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ তাদের ধারাবাহিক লড়াই চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের সভা-সমাবেশের ওপর যতই নিষেধাজ্ঞা থাকুক, জনগণ দেশে আরেকটা ভুয়া নির্বাচন হতে দিবে না।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তারা এ কথা বলেন। এ সময় দ্বাদশ নির্বাচনকে ‘একতরফা’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। এতে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন এবং নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার। সভা পরিচালনা করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আবু ইউসুফ সেলিম।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এখনও সময় আছে সকল বিরোধী পক্ষের সাথে আলোচনায় বসে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের বসার উদ্যোগ নিন। ৭ তারিখের নির্বাচন বাতিল করে সকল রাজনৈতিক দলকে সাথে নিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করুন।
তারা আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এবারের একতরফা নির্বাচনে ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র’ কেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। জনগণ জানে এদের উন্নয়ন মানে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং বিদেশে বেগম পাড়াসহ বিভিন্ন পাড়া তৈরি। এদের উন্নয়ন মানে হলো আসলে কোটি কোটি মানুষের হাহাকার।
এ সময় শাহবাগ মোড়ে পুলিশি বাধার মুখে গণসংযোগের উদ্দেশ্য শুরু হওয়া মিছিল পণ্ড হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশের গণতন্ত্র উদ্ধার করতে গণতন্ত্র মঞ্চসহ বিরোধীদলগুলোর অহিংস ও শান্তিপূর্ণ পথে আন্দোলন চলতে থাকবে। বাধা দিয়েও আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।
আগামীকাল শনিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ এবং মালিবাগ অভিমুখে গণ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে বলেও সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেন।

গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলেছেন, যতই পুলিশি বাধা আসুক, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ তাদের ধারাবাহিক লড়াই চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের সভা-সমাবেশের ওপর যতই নিষেধাজ্ঞা থাকুক, জনগণ দেশে আরেকটা ভুয়া নির্বাচন হতে দিবে না।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তারা এ কথা বলেন। এ সময় দ্বাদশ নির্বাচনকে ‘একতরফা’ আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। এতে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন এবং নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার। সভা পরিচালনা করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আবু ইউসুফ সেলিম।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এখনও সময় আছে সকল বিরোধী পক্ষের সাথে আলোচনায় বসে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের বসার উদ্যোগ নিন। ৭ তারিখের নির্বাচন বাতিল করে সকল রাজনৈতিক দলকে সাথে নিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করুন।
তারা আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এবারের একতরফা নির্বাচনে ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র’ কেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। জনগণ জানে এদের উন্নয়ন মানে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং বিদেশে বেগম পাড়াসহ বিভিন্ন পাড়া তৈরি। এদের উন্নয়ন মানে হলো আসলে কোটি কোটি মানুষের হাহাকার।
এ সময় শাহবাগ মোড়ে পুলিশি বাধার মুখে গণসংযোগের উদ্দেশ্য শুরু হওয়া মিছিল পণ্ড হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশের গণতন্ত্র উদ্ধার করতে গণতন্ত্র মঞ্চসহ বিরোধীদলগুলোর অহিংস ও শান্তিপূর্ণ পথে আন্দোলন চলতে থাকবে। বাধা দিয়েও আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।
আগামীকাল শনিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ এবং মালিবাগ অভিমুখে গণ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে বলেও সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেন।

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সারা দেশে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। বিএনপি কখনো জনগণের সাথে প্রতারণা করেনি, জনগণের অঙ্গিকার রক্ষা করে যাচ্ছে। বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা। কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢা
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল স্লোগানই ছিল ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং একটি ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে’র সূচনা। আন্দোলন-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। সেই জাতী
১ দিন আগে
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে