
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ডামি নির্বাচন দেশের জন্য মারাত্মক একটা ক্ষতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণ অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘ভোটকেন্দ্রে যাব না, প্রতারণার নির্বাচনকে সমর্থন করব না’ শীর্ষক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রেজা কিবরিয়া বলেন, ছোট ছোট দলগুলি নির্বাচন খেলার জন্য আওয়ামী লীগের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছেন টাকাগুলো নেন কিন্তু ভোট দিয়েন না। যে ভোট দিতে যায় তাকে বাধা দিবেন এবং নিন্দা করবেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পাতানো নির্বাচনে আমরা কেউ অংশগ্রহণ করব না। আমরা চাই না কেউ এই মিথ্যা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আপনারা এই নির্বাচন থেকে দূরে থাকুন এই ভোট আসল ভোট না। গণভবনে নির্ধারিত হয়ে গেছে কে কে এমপি হবে। এই ডাকাত খুনি সরকারকে প্রতিহত করতে হলে নির্বাচন বর্জন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এখন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছে তাকে বলব আপনি এখনই নির্বাচন বাতিল করেন যদি তা না করেন এর পরের সরকারে আপনাকে দায়বদ্ধ করা হবে। আপনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। আপনার পেনশন থেকে জনগণের টাকাটা আদায় করে নেব। আপনি পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন বন্ধ করতে পারেন। আমাদের দেশের জনগণের এই সরকারের প্রতি ঘৃণা আরও একটু বাড়লো আমাদের আস্থা কমলো। বিশ্ব দরবারে এই সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোট হয়ে গেলেও দেশের জনগণ এই সরকারকে মানবে না। এই নির্বাচন দেশের জন্য মারাত্মক একটা ক্ষতি হবে। আপনাদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নাই পুলিশ এবং ছাত্রলীগ মিলে ভোট দিয়ে দিবে।
মানববন্ধন শেষে ডক্টর রেজা কিবরিয়া ডামি নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের ডাকের লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় প্রেসক্লাবের সামনে এবং কদম ফোয়াড়ার কাছে কর্মরত ডিএমপি পুলিশকেও লিফলেট প্রদানের চেষ্টা করেন।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব ফারুক হাসান,যুগ্ন সদস্য সচিব অধ্যাপক মাহবুব হাসান,যুগ্ন সদস্য সচিব তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় সদস্য মোজাম্মেল মিয়াজী প্রমুখ।

ডামি নির্বাচন দেশের জন্য মারাত্মক একটা ক্ষতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণ অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘ভোটকেন্দ্রে যাব না, প্রতারণার নির্বাচনকে সমর্থন করব না’ শীর্ষক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রেজা কিবরিয়া বলেন, ছোট ছোট দলগুলি নির্বাচন খেলার জন্য আওয়ামী লীগের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছেন টাকাগুলো নেন কিন্তু ভোট দিয়েন না। যে ভোট দিতে যায় তাকে বাধা দিবেন এবং নিন্দা করবেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পাতানো নির্বাচনে আমরা কেউ অংশগ্রহণ করব না। আমরা চাই না কেউ এই মিথ্যা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আপনারা এই নির্বাচন থেকে দূরে থাকুন এই ভোট আসল ভোট না। গণভবনে নির্ধারিত হয়ে গেছে কে কে এমপি হবে। এই ডাকাত খুনি সরকারকে প্রতিহত করতে হলে নির্বাচন বর্জন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এখন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছে তাকে বলব আপনি এখনই নির্বাচন বাতিল করেন যদি তা না করেন এর পরের সরকারে আপনাকে দায়বদ্ধ করা হবে। আপনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। আপনার পেনশন থেকে জনগণের টাকাটা আদায় করে নেব। আপনি পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন বন্ধ করতে পারেন। আমাদের দেশের জনগণের এই সরকারের প্রতি ঘৃণা আরও একটু বাড়লো আমাদের আস্থা কমলো। বিশ্ব দরবারে এই সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোট হয়ে গেলেও দেশের জনগণ এই সরকারকে মানবে না। এই নির্বাচন দেশের জন্য মারাত্মক একটা ক্ষতি হবে। আপনাদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নাই পুলিশ এবং ছাত্রলীগ মিলে ভোট দিয়ে দিবে।
মানববন্ধন শেষে ডক্টর রেজা কিবরিয়া ডামি নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের ডাকের লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় প্রেসক্লাবের সামনে এবং কদম ফোয়াড়ার কাছে কর্মরত ডিএমপি পুলিশকেও লিফলেট প্রদানের চেষ্টা করেন।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব ফারুক হাসান,যুগ্ন সদস্য সচিব অধ্যাপক মাহবুব হাসান,যুগ্ন সদস্য সচিব তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় সদস্য মোজাম্মেল মিয়াজী প্রমুখ।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
১ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১ দিন আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
১ দিন আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
২ দিন আগে