
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি বলে মনে করেন নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ কারণে এ বছর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, কিছুটা সংস্কারের মাধ্যমে পুলিশের কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। গত সাত মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তা প্রত্যাশার চেয়ে কম। এখন দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশ বাহিনীর যে অবস্থা, তা দেখে মনে হচ্ছে না যে এ বছর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বিকেলে রয়টার্স সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকেই বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল যত দ্রুতসম্ভব জাতীয় নির্বাচন দাবি করে আসছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কিছু রাজনৈতিক দলের দাবি, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
এর মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলে আসছেন, এ বছরের ডিসেম্বরেই নির্বাচন হতে পারে। সবশেষ বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে হতে পারে নির্বাচন। বৃহস্পতিবারই বিবিসি এ সাক্ষাৎকার ছাপিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের বিপরীত অভিমতই প্রকাশ করলেন নাহিদ ইসলাম। সপ্তাহখানেক আগে তিনিও ছিলেন সরকারের অংশ। দুটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা ছাত্র ও তরুণদের নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি গড়ে তোলার জন্য তিনি সরকার থেকে সরে দাঁড়ান।

নাহিদ ইসলাম জাতীয় নির্বাচনের আগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে সবাইকে ঐকমত্য পোষণ করতে হবে বলে শর্ত জুড়ে। ছবি: রয়টার্স
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তরুণদের নতুন দলটি দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বড় ধরনের প্রভাব রাখবে। ভোটের রাজনীতিতেও নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে দলটি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় তারা নতুন বাংলাদেশের জন্য নতুন সংবিধান চান, জাতীয় নির্বাচনের বদলে চান গণপরিষদ নির্বাচন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অবশ্য তিনি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্যই তারা প্রস্তুত। তবে এর আগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্যের শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি।
নাহিদ বলেন, নির্বাচন যখনই হোক, আমরা অংশ নিতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচনের আগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে রাজনৈতিক দল ও ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ঐকমত্যে পৌঁছানো জরুরি। আমরা যদি এক মাসের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনের ডাক দিতে পারি। কিন্তু ঐকমত্যে পৌঁছাতে আরও বেশি সময় লাগলে নির্বাচনও পিছিয়ে যাওয়া উচিত।
সমাজের বিত্তশালীদের অনেকেই নাগরিক পার্টিকে অর্থ সহায়তা করলেও পার্টির তহবিলের জন্য সাধারণ মানুষের ওপরই ভরসা করতে চান বলে জানান নাহিদ। তিনি বলেন, আমরা শিগগিরই নতুন অফিসের জন্য ক্রাউডফান্ডিং শুরু করব এবং নির্বাচনের জন্যও একটি তহবিল গঠন করব।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি বলে মনে করেন নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ কারণে এ বছর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, কিছুটা সংস্কারের মাধ্যমে পুলিশের কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। গত সাত মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও তা প্রত্যাশার চেয়ে কম। এখন দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশ বাহিনীর যে অবস্থা, তা দেখে মনে হচ্ছে না যে এ বছর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বিকেলে রয়টার্স সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকেই বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল যত দ্রুতসম্ভব জাতীয় নির্বাচন দাবি করে আসছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কিছু রাজনৈতিক দলের দাবি, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
এর মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলে আসছেন, এ বছরের ডিসেম্বরেই নির্বাচন হতে পারে। সবশেষ বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে হতে পারে নির্বাচন। বৃহস্পতিবারই বিবিসি এ সাক্ষাৎকার ছাপিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের বিপরীত অভিমতই প্রকাশ করলেন নাহিদ ইসলাম। সপ্তাহখানেক আগে তিনিও ছিলেন সরকারের অংশ। দুটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা ছাত্র ও তরুণদের নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি গড়ে তোলার জন্য তিনি সরকার থেকে সরে দাঁড়ান।

নাহিদ ইসলাম জাতীয় নির্বাচনের আগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে সবাইকে ঐকমত্য পোষণ করতে হবে বলে শর্ত জুড়ে। ছবি: রয়টার্স
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তরুণদের নতুন দলটি দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বড় ধরনের প্রভাব রাখবে। ভোটের রাজনীতিতেও নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে দলটি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় তারা নতুন বাংলাদেশের জন্য নতুন সংবিধান চান, জাতীয় নির্বাচনের বদলে চান গণপরিষদ নির্বাচন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অবশ্য তিনি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্যই তারা প্রস্তুত। তবে এর আগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্যের শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি।
নাহিদ বলেন, নির্বাচন যখনই হোক, আমরা অংশ নিতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচনের আগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়ে রাজনৈতিক দল ও ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ঐকমত্যে পৌঁছানো জরুরি। আমরা যদি এক মাসের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনের ডাক দিতে পারি। কিন্তু ঐকমত্যে পৌঁছাতে আরও বেশি সময় লাগলে নির্বাচনও পিছিয়ে যাওয়া উচিত।
সমাজের বিত্তশালীদের অনেকেই নাগরিক পার্টিকে অর্থ সহায়তা করলেও পার্টির তহবিলের জন্য সাধারণ মানুষের ওপরই ভরসা করতে চান বলে জানান নাহিদ। তিনি বলেন, আমরা শিগগিরই নতুন অফিসের জন্য ক্রাউডফান্ডিং শুরু করব এবং নির্বাচনের জন্যও একটি তহবিল গঠন করব।

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
১৪ ঘণ্টা আগে
নুরুল হক নুর বলেন, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে আমি একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়া আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে
১৬ ঘণ্টা আগে
৫৪ বছরের রাজনীতি নিয়ে দেশের মানুষ হতাশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় আর এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করব। কিংবা ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদেরও এই আশ্বাস দেওয়া উচিত।
১৬ ঘণ্টা আগে