
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে দলটি।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার বিকের সাড়ে ৪টায় গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দপ্তরে গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে’ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী অনুসারী
পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি-র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া প্রমুখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সভা-সমাবেশ করার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, সেটা অসাংবিধানিক ও নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে। এই নির্দেশনা জারি জনগণ মানবে না। গণতন্ত্র মঞ্চ জনগণের সাংবিধানিক অধিকারে এই নতুন করে আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে যাবে।
সভায় আগামীকাল সমাবেশের পাশাপাশি ১ দফা দাবিতে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে আগামী সোমবার সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে দলটি।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার বিকের সাড়ে ৪টায় গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দপ্তরে গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে’ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী অনুসারী
পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি-র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া প্রমুখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সভা-সমাবেশ করার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, সেটা অসাংবিধানিক ও নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে। এই নির্দেশনা জারি জনগণ মানবে না। গণতন্ত্র মঞ্চ জনগণের সাংবিধানিক অধিকারে এই নতুন করে আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে যাবে।
সভায় আগামীকাল সমাবেশের পাশাপাশি ১ দফা দাবিতে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে আগামী সোমবার সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সারা দেশে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। বিএনপি কখনো জনগণের সাথে প্রতারণা করেনি, জনগণের অঙ্গিকার রক্ষা করে যাচ্ছে। বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা। কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢা
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল স্লোগানই ছিল ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং একটি ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে’র সূচনা। আন্দোলন-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। সেই জাতী
১ দিন আগে
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে