
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আপনাকে খুবই সম্মান করতাম। আপনাকে আমি অনেক বড় মানুষ ভেবেছিলাম, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভেঙেছে আর আপনি দেখেছেন। আপনার এক বছরের শাসনে সেটি আর হৃদয় থেকে নিতে পারছি না। আপনাকে আবার আমি অনুরোধ করছি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে না পারলে শেখ হাসিনার চেয়ে আপনার পরিণতি ১০ গুণ খারাপ হবে।’
‘বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যারা ভেঙেছে, মনে রাখবেন তাদেরও বাড়িঘর রয়েছে। তাদেরও কবর রয়েছে, তাদেরও স্মৃতিসৌধ রয়েছে। তাদের কবর হাতে নিয়ে ঘুরতে পারবেন না। বাড়িঘর হাতে নিয়ে যেতে পারবেন না। তাই সীমা অতিক্রম করবেন না।’ গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের মাকড়াই এলাকায় মাকড়াই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে এ কথাগুলো বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে ভেবেচিন্তে কথা বলার আহ্বান জানান কাদের সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, ‘কে একজন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা নন। বঙ্গবন্ধু যদি জাতির পিতা না হন, তাহলে আপনার পিতা কে? কোনো সন্তানের পিতা না থাকলে সে সন্তান সম্মানি সন্তান হয় না, সে সন্তান কুলাঙ্গার হয়। শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছেন। আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সমর্থন করি। কারণ, শেখ হাসিনার পতন আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে।
অন্যায়ের জন্য হয়েছে। আপনাদের মুরোদে শেখ হাসিনার পতন হয়নি। জনগণ রাস্তায় নেমেছিল বলে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে। কিন্তু আপনারা যদি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অন্যায় করতে যান, আমি কাদের সিদ্দিকী বেঁচে থাকতে তা হতে দেব না। আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনার বিচার করুন। তাঁকে শাস্তি দিন, মাথা পেতে নেব।’
আরো পড়ুন
বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধু চিরকাল থাকবে জানিয়ে কাদের সিদ্দিকি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে এক করে দেখবেন না। মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ, শেখ হাসিনাকে এক করে দেখবেন না। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন জয় বাংলা থাকবে, তত দিন বঙ্গবন্ধু থাকবে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পিতা থাকবে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আপনাকে খুবই সম্মান করতাম। আপনাকে আমি অনেক বড় মানুষ ভেবেছিলাম, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভেঙেছে আর আপনি দেখেছেন। আপনার এক বছরের শাসনে সেটি আর হৃদয় থেকে নিতে পারছি না। আপনাকে আবার আমি অনুরোধ করছি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে না পারলে শেখ হাসিনার চেয়ে আপনার পরিণতি ১০ গুণ খারাপ হবে।’
‘বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যারা ভেঙেছে, মনে রাখবেন তাদেরও বাড়িঘর রয়েছে। তাদেরও কবর রয়েছে, তাদেরও স্মৃতিসৌধ রয়েছে। তাদের কবর হাতে নিয়ে ঘুরতে পারবেন না। বাড়িঘর হাতে নিয়ে যেতে পারবেন না। তাই সীমা অতিক্রম করবেন না।’ গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের মাকড়াই এলাকায় মাকড়াই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে এ কথাগুলো বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে ভেবেচিন্তে কথা বলার আহ্বান জানান কাদের সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, ‘কে একজন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা নন। বঙ্গবন্ধু যদি জাতির পিতা না হন, তাহলে আপনার পিতা কে? কোনো সন্তানের পিতা না থাকলে সে সন্তান সম্মানি সন্তান হয় না, সে সন্তান কুলাঙ্গার হয়। শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছেন। আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সমর্থন করি। কারণ, শেখ হাসিনার পতন আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে।
অন্যায়ের জন্য হয়েছে। আপনাদের মুরোদে শেখ হাসিনার পতন হয়নি। জনগণ রাস্তায় নেমেছিল বলে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে। কিন্তু আপনারা যদি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অন্যায় করতে যান, আমি কাদের সিদ্দিকী বেঁচে থাকতে তা হতে দেব না। আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনার বিচার করুন। তাঁকে শাস্তি দিন, মাথা পেতে নেব।’
আরো পড়ুন
বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধু চিরকাল থাকবে জানিয়ে কাদের সিদ্দিকি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে এক করে দেখবেন না। মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ, শেখ হাসিনাকে এক করে দেখবেন না। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন জয় বাংলা থাকবে, তত দিন বঙ্গবন্ধু থাকবে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পিতা থাকবে।’

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে