
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর)। ১৯৭৮ সালের এদিনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, জনগণের গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে উৎপাদনমুখী রাজনীতির মাধ্যমে যুবশক্তিকে কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করা— এই আদর্শ নিয়েই যুবদলের যাত্রা শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠাকালে সংগঠনের আহ্বায়ক ছিলেন আবুল কাশেম, পরবর্তীতে তিনি সভাপতি হন। প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুর রহমান। পরবর্তী সময়ে মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বরকতউল্লাহ বুলু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম নীরব এবং সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যুবদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুবদল দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সকাল ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবে সংগঠনটি। এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া সারা দেশের জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতেও র্যালি ও সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক বলেন, “প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জনসম্পৃক্ত সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে— যার মধ্যে রয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম। গত ৪ আগস্ট আমরা বড় সমাবেশ করেছি; এবার জনদুর্ভোগ বিবেচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাবেশ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।”

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর)। ১৯৭৮ সালের এদিনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, জনগণের গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে উৎপাদনমুখী রাজনীতির মাধ্যমে যুবশক্তিকে কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করা— এই আদর্শ নিয়েই যুবদলের যাত্রা শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠাকালে সংগঠনের আহ্বায়ক ছিলেন আবুল কাশেম, পরবর্তীতে তিনি সভাপতি হন। প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুর রহমান। পরবর্তী সময়ে মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বরকতউল্লাহ বুলু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম নীরব এবং সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যুবদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুবদল দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সকাল ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবে সংগঠনটি। এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এছাড়া সারা দেশের জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতেও র্যালি ও সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক বলেন, “প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জনসম্পৃক্ত সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে— যার মধ্যে রয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম। গত ৪ আগস্ট আমরা বড় সমাবেশ করেছি; এবার জনদুর্ভোগ বিবেচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাবেশ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।”

জুলাই অভ্যুত্থানে সহিংসতার ঘটনায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তবে তাকে কোন মামলায় আটক করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করেনি ডিবি।
২০ ঘণ্টা আগে
সরকারের জ্বালানি নীতির তীব্র সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘পাম্পে তেলের জন্য যানবাহন ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকলেও সরকার রিজার্ভ বেশি আছে দাবি করে প্রকৃত সত্য আড়াল করতে চাইছে। সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিদের কথা শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ যেন তেলের ওপর ভাসছে।’
১ দিন আগে
আসিফ নজরুলের ধারণা, শেখ হাসিনার শাসনামলে ধারাবাহিকভাবে তার নানা অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও বিরোধিতার কারণে তাকে বেছে নেওয়া হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন— এ কারণেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়ে থাকতে পারে।
২ দিন আগে
আসিফ বলেন, সামনের দিনে আমাদের বড় পরিসরে আন্দোলনে নামতে হতে পারে। সেটা কারও জন্যই ভালো হবে না। ওভারঅল বাংলাদেশের জন্যও ক্ষতির কারণ হবে। তাই আমরা আপনাদের আহ্বান জানাই, আপনারা হুঁশে ফিরে আসুন। তা না হলে জনগণের কাছে ফিরে যাওয়া ছাড়া আমাদের আর উপায় নেই।
২ দিন আগে