
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন,গণতন্ত্রের জন্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তির দরকার। ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায় হয়েছে কিন্তু ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা এখনো জারি আছে। এই ব্যবস্থা বদলের কাজ গণসংহতি আন্দোলন জারি রাখবে।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর লালবাগে জামিলা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় জোনায়েদ সাকি বলেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, এই সরকারের প্রথম কাজ এই শহীদদের মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং যারা আহত তাদের চিকিৎসার কোনো অবহেলা না করা।
তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের জন্য, নতুন সংবিধানের জন্য জরুরি এ রাষ্ট্র কীভাবে চলবে সেটা এ দেশের সকল নাগরিক মিলে ঠিক করবে। কেউ যেন আবারও স্বৈরাচার হয়ে উঠতে না পারে সেই সাংবিধানিক ব্যবস্থা দরকার।
রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু বলেন, সকল শহীদদের স্মরণ করতে হবে। পাশাপাশি যারা জীবিত আছেন তাদের জন্যও লড়াই জারি রাখতে হবে। সকল শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা যেন আমাদের রাজনৈতিক কর্তব্যটা বুঝি, পালন করি সেটাই এ মুহূর্তের অগ্রাধিকার।
সভায় সভাপতিত্ব করেন লালবাগ থানা গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন টিটো। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আলিফ দেওয়ান, সদস্য সচিব সেলিমুজ্জামানসহ লালবাগ-চকবাজার-বংশাল-কোতোয়ালী-কামরাঙ্গীরচর থানা নেতারা।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন,গণতন্ত্রের জন্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তির দরকার। ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায় হয়েছে কিন্তু ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা এখনো জারি আছে। এই ব্যবস্থা বদলের কাজ গণসংহতি আন্দোলন জারি রাখবে।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর লালবাগে জামিলা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় জোনায়েদ সাকি বলেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, এই সরকারের প্রথম কাজ এই শহীদদের মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং যারা আহত তাদের চিকিৎসার কোনো অবহেলা না করা।
তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের জন্য, নতুন সংবিধানের জন্য জরুরি এ রাষ্ট্র কীভাবে চলবে সেটা এ দেশের সকল নাগরিক মিলে ঠিক করবে। কেউ যেন আবারও স্বৈরাচার হয়ে উঠতে না পারে সেই সাংবিধানিক ব্যবস্থা দরকার।
রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু বলেন, সকল শহীদদের স্মরণ করতে হবে। পাশাপাশি যারা জীবিত আছেন তাদের জন্যও লড়াই জারি রাখতে হবে। সকল শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা যেন আমাদের রাজনৈতিক কর্তব্যটা বুঝি, পালন করি সেটাই এ মুহূর্তের অগ্রাধিকার।
সভায় সভাপতিত্ব করেন লালবাগ থানা গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন টিটো। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আলিফ দেওয়ান, সদস্য সচিব সেলিমুজ্জামানসহ লালবাগ-চকবাজার-বংশাল-কোতোয়ালী-কামরাঙ্গীরচর থানা নেতারা।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৯ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
৯ ঘণ্টা আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
১ দিন আগে
"সকালে মোহাম্মদপুরের কলেজ গেট এলাকায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করা হয়। সেখানে আগে থেকেই পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলের চেষ্টা করা হলে সেখান থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়।"
২ দিন আগে