
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচনে যাবে কি যাবে না সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পার্টির চেয়ারম্যান জানাবেন বলে জানিয়েছেন জাপার মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু্। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে আমরা আস্থার পরিবেশ চাই। জাতীয় পার্টির সকল পর্যায়ের নেতারা পার্টি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি নির্বাচনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করেছে জাতীয় পার্টি। বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধকালে তিনি এ কথা জানান।
জাপা মহাসচিব বলেন, তিনি (জিএম কাদের) প্রয়োজন মনে করলে, জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করতে পারেন। নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের আছে, পার্টি চেয়ারম্যান শীঘ্রই নির্বাচনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে শুধু আমরা মহাজোটের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেই। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের আসন ভিত্তিক নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। এখন জাতীয় পার্টি কোনো জোটের সঙ্গে নেই। আমরা তিন শ আসনেই আমাদের নিজস্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
চুন্ন বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বারবার বলেছেন, সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করুন। সবাই এক টেবিলে বসলে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান একটি ফর্মূলা দিতে পারতেন। যাতে সংবিধানের আওতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ উদ্বোধন করেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এরপর মুজিবুল হক চুন্নু, জাপার কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থেকে মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করেন।
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন। মনোনয়ন ফরম বিতরণের প্রথম দিনে মোট ৫৫৭টি ফরম বিক্রি হয়েছে।

জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচনে যাবে কি যাবে না সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পার্টির চেয়ারম্যান জানাবেন বলে জানিয়েছেন জাপার মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু্। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে আমরা আস্থার পরিবেশ চাই। জাতীয় পার্টির সকল পর্যায়ের নেতারা পার্টি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি নির্বাচনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করেছে জাতীয় পার্টি। বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধকালে তিনি এ কথা জানান।
জাপা মহাসচিব বলেন, তিনি (জিএম কাদের) প্রয়োজন মনে করলে, জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করতে পারেন। নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের আছে, পার্টি চেয়ারম্যান শীঘ্রই নির্বাচনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে শুধু আমরা মহাজোটের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেই। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের আসন ভিত্তিক নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। এখন জাতীয় পার্টি কোনো জোটের সঙ্গে নেই। আমরা তিন শ আসনেই আমাদের নিজস্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
চুন্ন বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বারবার বলেছেন, সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করুন। সবাই এক টেবিলে বসলে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান একটি ফর্মূলা দিতে পারতেন। যাতে সংবিধানের আওতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ উদ্বোধন করেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এরপর মুজিবুল হক চুন্নু, জাপার কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থেকে মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করেন।
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন। মনোনয়ন ফরম বিতরণের প্রথম দিনে মোট ৫৫৭টি ফরম বিক্রি হয়েছে।

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সারা দেশে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। বিএনপি কখনো জনগণের সাথে প্রতারণা করেনি, জনগণের অঙ্গিকার রক্ষা করে যাচ্ছে। বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা। কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢা
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল স্লোগানই ছিল ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং একটি ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে’র সূচনা। আন্দোলন-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। সেই জাতী
১ দিন আগে
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে