
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টি (জাপা) মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, জাতীয় পার্টিতে কোনো বিভেদ নেই। জাতীয় পার্টি জনবন্ধু জিএম কাদের এমপির নেতৃত্বে ঐক্যবন্ধ আছে। বেগম রওশন এরশাদ আমাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সম্মানের পাত্র। তিনি নির্বাচন করলে তার জন্য আমরা সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবো। তিনি ২০ নভেম্বর ফোন করে মনোনয়ন ফরম নেয়ার কথা বলেছেন, লোক পাঠালেই আমরা তার মনোনয়ন ফরম দিয়ে দেব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।
চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টি নিজস্ব রাজনীতি নিয়ে এগিয়ে চলছে। দলীয় সিদ্ধান্তেই জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাচ্ছে। আমরা নিরপেক্ষ ভোটের একটি পরিবেশ চেয়েছি। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের বিভিন্ন মহল আমাদের আশ্বস্ত করেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তারা বলেছে, যেকোনো মূল্যেই নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখবে। তারা জানিয়েছেন, ভোটাররা কেন্দ্রে এসে অবাধে ভোট দিতে পারবেন। এই আশ্বাসের জন্যই আমাদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণায় দেরি হয়েছে।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, জাতীয় পার্টি তিন শ আসনেই নিজস্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। কারণ, কোনো জোটে যেতে আমরা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেইনি। রাজনীতিতে বিভিন্ন কৌশল থাকে। আমরা আমাদের নিজস্ব কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাব।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে জাতীয় পার্টি দেশে বেকারত্ব দূর করবে, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখবে, সুশাসন দিবে, কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবে, দুর্নীতি দূর করবে, সবার জন্য সুচিকিৎসা নিশ্চিত করবে। আমরা নির্বাচিত হলে নির্বাচনী ব্যবস্থা পরিবর্তন করে আনুপাতিক হারে নির্বাচনের পদ্ধতি বাস্তবায়ন করব। আমরা চাই নির্বাচনকালীন সময়ে কেউ অনিয়ম করলে নির্বাচন কমিশন যেন তার বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারে। নির্বাচন কমিশন যেভাবে সিডিউল ঘোষণা করেছে, তাতে সংলাপের সুযোগ আছে। সবাই এক টেবিলে বসে আলোচনার মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারবে।

জাতীয় পার্টি (জাপা) মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, জাতীয় পার্টিতে কোনো বিভেদ নেই। জাতীয় পার্টি জনবন্ধু জিএম কাদের এমপির নেতৃত্বে ঐক্যবন্ধ আছে। বেগম রওশন এরশাদ আমাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সম্মানের পাত্র। তিনি নির্বাচন করলে তার জন্য আমরা সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবো। তিনি ২০ নভেম্বর ফোন করে মনোনয়ন ফরম নেয়ার কথা বলেছেন, লোক পাঠালেই আমরা তার মনোনয়ন ফরম দিয়ে দেব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।
চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টি নিজস্ব রাজনীতি নিয়ে এগিয়ে চলছে। দলীয় সিদ্ধান্তেই জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাচ্ছে। আমরা নিরপেক্ষ ভোটের একটি পরিবেশ চেয়েছি। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের বিভিন্ন মহল আমাদের আশ্বস্ত করেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তারা বলেছে, যেকোনো মূল্যেই নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখবে। তারা জানিয়েছেন, ভোটাররা কেন্দ্রে এসে অবাধে ভোট দিতে পারবেন। এই আশ্বাসের জন্যই আমাদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণায় দেরি হয়েছে।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, জাতীয় পার্টি তিন শ আসনেই নিজস্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। কারণ, কোনো জোটে যেতে আমরা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেইনি। রাজনীতিতে বিভিন্ন কৌশল থাকে। আমরা আমাদের নিজস্ব কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাব।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে জাতীয় পার্টি দেশে বেকারত্ব দূর করবে, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখবে, সুশাসন দিবে, কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবে, দুর্নীতি দূর করবে, সবার জন্য সুচিকিৎসা নিশ্চিত করবে। আমরা নির্বাচিত হলে নির্বাচনী ব্যবস্থা পরিবর্তন করে আনুপাতিক হারে নির্বাচনের পদ্ধতি বাস্তবায়ন করব। আমরা চাই নির্বাচনকালীন সময়ে কেউ অনিয়ম করলে নির্বাচন কমিশন যেন তার বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারে। নির্বাচন কমিশন যেভাবে সিডিউল ঘোষণা করেছে, তাতে সংলাপের সুযোগ আছে। সবাই এক টেবিলে বসে আলোচনার মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারবে।

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সারা দেশে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। বিএনপি কখনো জনগণের সাথে প্রতারণা করেনি, জনগণের অঙ্গিকার রক্ষা করে যাচ্ছে। বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা। কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢা
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মূল স্লোগানই ছিল ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং একটি ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে’র সূচনা। আন্দোলন-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। সেই জাতী
১ দিন আগে
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথমত, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে (সংবিধানের) ব্যত্যয়ের কিছু ঘটেনি। সুতরাং আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
২ দিন আগে