
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকার জন-আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে ধাবিত হচ্ছে অভিযোগ করে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, গঠনের পর থেকে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন সরকারের উপদেষ্টারা। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে পরিবর্তন এনে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে জাতীয় সরকার গঠন করুন।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে পেশাজীবী অধিকার পরিষদ আয়োজিত গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মুখোমুখি অবস্থান চলমান থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে একমত হতে হবে সবাইকে।’
ছাত্র নেতৃবৃন্দ কলঙ্কিত হলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘অতীতে যারাই সরকার গঠন করেছে তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘একটি সংগ্রামের ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদ রাজনৈতিক ভিত্তি গড়েছে। আমরা অনেক আগেই বলেছি, একই ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না। এখন সংস্কার কমিশনের একই সিদ্ধান্ত আমরা সাধুবাদ জানাই। আমরা ভারসাম্যমূলক সংসদ ও সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের কথা বলেছি। যা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।’
নুরুল হক নুর বলেন, সরকারি চাকরিতে বর্তমান গ্রেডে বেতনের যে বৈষম্য রয়েছে তা দূর করা প্রয়োজন। ২০টি গ্রেডের প্রয়োজন নেই, ৪ থেকে ৫টি গ্রেড থাকতে পারে। সরকারি সব অফিসে ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধে যদি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে, তা বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি বন্ধ করা উচিত। পেশিশক্তি প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা না করে যারা আন্দোলন করেছে সবাই যার যার ধান্দা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
আওয়ামী লীগকে দেশে ফেরাতে অনেক আন্তজার্তিক সম্প্রদায় কাজ করছে। ফ্যাসিবাদি রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিলুপ্তির জন্য আমরা এবার নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চেয়েছ। অন্তবর্তী সরকার নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সরকার মুখোমুখি অবস্থানে। এই বিভাজনেই দেশে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে পারে। জাতীয় সরকার ছাড়া কোন ভাবেই সংষ্কার সম্ভব নয়। জনগণ কাউকে এককভাবে ক্ষমতায় বসাতে চায় না।
জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে উপদেষ্টা নাহিদ বলছে, তারা জাতীয় সরকার চেয়েছিল তবে বিএনপি জাতীয় সরকার চায় না। তবে, আমরা প্রথম থেকেই জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে বলে এসেছি। গত পাঁচ মাস ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। অবিলম্বে উপদেষ্টা পরিষদ পুর্নগঠন করে জাতীয় সরকার গঠন করার আহ্বান জানাই।
বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি ডা. জাফর মাহমুদের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খালিদ হাসানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন- গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য আবু হানিফ, এডভোকেট নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, হাবিবুর রহমান রিজু, বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. শামসুল আলম, গণমাধ্যম ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক জি এম রোকনুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম সুমন, দপ্তর সম্পাদক রেজওয়ান রূপ দীনেশ, আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ তানভীর ইউসুফ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান রনি, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সম্পদ প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকার জন-আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে ধাবিত হচ্ছে অভিযোগ করে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, গঠনের পর থেকে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন সরকারের উপদেষ্টারা। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে পরিবর্তন এনে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে জাতীয় সরকার গঠন করুন।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে পেশাজীবী অধিকার পরিষদ আয়োজিত গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মুখোমুখি অবস্থান চলমান থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে একমত হতে হবে সবাইকে।’
ছাত্র নেতৃবৃন্দ কলঙ্কিত হলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘অতীতে যারাই সরকার গঠন করেছে তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘একটি সংগ্রামের ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদ রাজনৈতিক ভিত্তি গড়েছে। আমরা অনেক আগেই বলেছি, একই ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না। এখন সংস্কার কমিশনের একই সিদ্ধান্ত আমরা সাধুবাদ জানাই। আমরা ভারসাম্যমূলক সংসদ ও সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের কথা বলেছি। যা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।’
নুরুল হক নুর বলেন, সরকারি চাকরিতে বর্তমান গ্রেডে বেতনের যে বৈষম্য রয়েছে তা দূর করা প্রয়োজন। ২০টি গ্রেডের প্রয়োজন নেই, ৪ থেকে ৫টি গ্রেড থাকতে পারে। সরকারি সব অফিসে ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধে যদি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে, তা বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি বন্ধ করা উচিত। পেশিশক্তি প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা না করে যারা আন্দোলন করেছে সবাই যার যার ধান্দা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
আওয়ামী লীগকে দেশে ফেরাতে অনেক আন্তজার্তিক সম্প্রদায় কাজ করছে। ফ্যাসিবাদি রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিলুপ্তির জন্য আমরা এবার নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চেয়েছ। অন্তবর্তী সরকার নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সরকার মুখোমুখি অবস্থানে। এই বিভাজনেই দেশে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে পারে। জাতীয় সরকার ছাড়া কোন ভাবেই সংষ্কার সম্ভব নয়। জনগণ কাউকে এককভাবে ক্ষমতায় বসাতে চায় না।
জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে উপদেষ্টা নাহিদ বলছে, তারা জাতীয় সরকার চেয়েছিল তবে বিএনপি জাতীয় সরকার চায় না। তবে, আমরা প্রথম থেকেই জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে বলে এসেছি। গত পাঁচ মাস ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। অবিলম্বে উপদেষ্টা পরিষদ পুর্নগঠন করে জাতীয় সরকার গঠন করার আহ্বান জানাই।
বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি ডা. জাফর মাহমুদের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খালিদ হাসানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন- গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য আবু হানিফ, এডভোকেট নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, হাবিবুর রহমান রিজু, বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. শামসুল আলম, গণমাধ্যম ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক জি এম রোকনুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম সুমন, দপ্তর সম্পাদক রেজওয়ান রূপ দীনেশ, আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ তানভীর ইউসুফ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান রনি, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সম্পদ প্রমুখ।

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
২০ ঘণ্টা আগে
নুরুল হক নুর বলেন, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে আমি একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় থাকবে। ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়া আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।
২১ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যারা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে
১ দিন আগে
৫৪ বছরের রাজনীতি নিয়ে দেশের মানুষ হতাশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় আর এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা কাজ করব। কিংবা ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদেরও এই আশ্বাস দেওয়া উচিত।
১ দিন আগে