
রাজশাহী ব্যুরো

ডিসি-এসপিরা ‘চিপায় পড়ে’ ছাত্র-জনতার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, “ডিসি-এসপিদের বলছি— আপনারা যে ভালো ব্যবহার করছেন, আমরা জানি আপনারা ‘চিপায় পড়ে’ আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছেন। কিন্তু যদি হাসিনার পতন না হতো, তখন এই ডিসি-এসপিরাই গণভবনে প্রমোশনের জন্য লাইন ধরত।”
রোববার (৬ জুলাই) রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে জুলাই পথযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন। জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে এনসিপির মাসব্যাপী দেশ জুড়ে পদযাত্রার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ দিন রাজশাহী পৌঁছান দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
সমাবেশে সাংবাদিকদের প্রতিও কড়া সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন হাসনাত। বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকদের দিকেও নজরে রাখছি। বসুন্ধরার সাংবাদিকরা আবারও স্বৈরাচারকে বৈধতা দিতে মরিয়া। তারা ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়। কিন্তু আমরা তা হতে দেবো না।‘
হাসনাত বলেন, ‘এ দেশের তরুণরা আর দালালি করে না, তাঁবেদারি মানে না। বাবারা ব্যর্থ হয়েছেন, তাই সন্তানেরা আজ রাজপথে। আমাদের হারানোর কিছু নেই— না ব্যাংক, না ব্যবসা। আমরা শুধু ভালোবাসা পেয়েছি মানুষের, সেটার জন্যই জীবন দেবো।’
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এই এনসিপি নেতা বলেন, ‘বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা দেখা দিচ্ছে। আর কাউকে গুম হতে দেবো না, আর কোনো ইলিয়াস হারিয়ে যাবে না, কোনো দেশপ্রেমিক সাংবাদিককে দেশ ছাড়তে হবে না।’
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হাসনাত বলেন, ‘যারা ভাবছেন, ক্ষমতাসীনদের পক্ষে থেকে টিকে থাকবেন, তারা ভুল করছেন। আমরা কাউকে এনসিপিপন্থি হতে বলছি না। কিন্তু স্মরণ রাখুন— যারা মিডনাইট নির্বাচনের সঙ্গী হয়েছিল, তারা কেউ আজ আর নিরাপদ না। এই বাংলাদেশে তাদের জায়গা হবে না।’
গোয়েন্দা সংস্থার দিকে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বিদেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলে—তা জানে না গোয়েন্দারা! অথচ বসে বসে দল তৈরি করে, এক দলকে আরেকটার বিরুদ্ধে লাগিয়ে দেয়। জনগণ তাদেরও নজরে রেখেছে।’
বক্তব্যের শেষভাগে হুঁশিয়ারি দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম এই নেতা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতার জন্য আন্দোলন করি না। ভোট চাই— তবে সংস্কারসহ-বিচারসহ, জুলাই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী। না হলে আমাদের বুক চিড়ে যেতে হবে।’
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সদস্য সচিব আখতার হোসাইন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসি-এসপিরা ‘চিপায় পড়ে’ ছাত্র-জনতার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, “ডিসি-এসপিদের বলছি— আপনারা যে ভালো ব্যবহার করছেন, আমরা জানি আপনারা ‘চিপায় পড়ে’ আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছেন। কিন্তু যদি হাসিনার পতন না হতো, তখন এই ডিসি-এসপিরাই গণভবনে প্রমোশনের জন্য লাইন ধরত।”
রোববার (৬ জুলাই) রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে জুলাই পথযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন। জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে এনসিপির মাসব্যাপী দেশ জুড়ে পদযাত্রার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ দিন রাজশাহী পৌঁছান দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
সমাবেশে সাংবাদিকদের প্রতিও কড়া সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন হাসনাত। বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকদের দিকেও নজরে রাখছি। বসুন্ধরার সাংবাদিকরা আবারও স্বৈরাচারকে বৈধতা দিতে মরিয়া। তারা ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়। কিন্তু আমরা তা হতে দেবো না।‘
হাসনাত বলেন, ‘এ দেশের তরুণরা আর দালালি করে না, তাঁবেদারি মানে না। বাবারা ব্যর্থ হয়েছেন, তাই সন্তানেরা আজ রাজপথে। আমাদের হারানোর কিছু নেই— না ব্যাংক, না ব্যবসা। আমরা শুধু ভালোবাসা পেয়েছি মানুষের, সেটার জন্যই জীবন দেবো।’
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এই এনসিপি নেতা বলেন, ‘বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা দেখা দিচ্ছে। আর কাউকে গুম হতে দেবো না, আর কোনো ইলিয়াস হারিয়ে যাবে না, কোনো দেশপ্রেমিক সাংবাদিককে দেশ ছাড়তে হবে না।’
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হাসনাত বলেন, ‘যারা ভাবছেন, ক্ষমতাসীনদের পক্ষে থেকে টিকে থাকবেন, তারা ভুল করছেন। আমরা কাউকে এনসিপিপন্থি হতে বলছি না। কিন্তু স্মরণ রাখুন— যারা মিডনাইট নির্বাচনের সঙ্গী হয়েছিল, তারা কেউ আজ আর নিরাপদ না। এই বাংলাদেশে তাদের জায়গা হবে না।’
গোয়েন্দা সংস্থার দিকে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বিদেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলে—তা জানে না গোয়েন্দারা! অথচ বসে বসে দল তৈরি করে, এক দলকে আরেকটার বিরুদ্ধে লাগিয়ে দেয়। জনগণ তাদেরও নজরে রেখেছে।’
বক্তব্যের শেষভাগে হুঁশিয়ারি দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম এই নেতা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতার জন্য আন্দোলন করি না। ভোট চাই— তবে সংস্কারসহ-বিচারসহ, জুলাই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী। না হলে আমাদের বুক চিড়ে যেতে হবে।’
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সদস্য সচিব আখতার হোসাইন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১৬ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
১ দিন আগে