
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি ও জামায়াতের উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৭২ এর সংবিধানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সংসদ ভবনের যখন জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয়েছে তখন নোট অব ডিসেন্ট ছিলো। কিন্তু আমরা তখন স্বাক্ষর করিনি। আইনি ভিত্তি নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিলো। তবে আমরা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি পেলেও নৈতিক ভিত্তি পাই নি।
কেননা, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ প্রধান উপদেষ্টার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জুলাই সনদ নিয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায় নাই। সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে এক চামচ এক চামচ করে ভাগ করে দিয়েছে। কিন্তু জনগণের প্লেট খালিই রয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য এক হাসিনা যাওয়ার পর আরেক হাসিনা আসার জন্য দরজায় কড়া নাড়ছে। তারা খেলায় আছে কিন্তু তালগাছ তাদের।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে বলেন, যিনি এই আদেশ তৈরি করেছে তার মাথায় ছিলো বিএনপির প্রেসক্রিপশন। উনি আমাদের আইনমন্ত্রী হিসেবে থাকা সত্ত্বেও জনগণের জন্য এই আদেশ তৈরি করেন নি। তিনি ঘুরেফিরে ৭২ এর সংবিধানকে রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন।
বিএনপি ও জামায়াতের উদ্দেশে বলেছেন, আপনারা সংস্কারকে নিজেদের ভোটব্যাংক বানাবেন না। আর যদি ভোটব্যাংক বানানোতেই মনোনিবেশ করে থাকেন তাহলে আপনাদের মারামারি এভাবে চলতেই থাকবে।
সরকারের উদ্দেশে বলেন, বন্ধু তুমি পথ হারিও না। সরকার একবার পথ হারিয়ে লন্ডন গিয়েছিল আবার পথ হারিয়ে জামায়াতের দিকেও গিয়েছিল। তাই সরকারকে আহ্বান করবো আপনি জনগনের পথে হাঁটেন।

বিএনপি ও জামায়াতের উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৭২ এর সংবিধানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সংসদ ভবনের যখন জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয়েছে তখন নোট অব ডিসেন্ট ছিলো। কিন্তু আমরা তখন স্বাক্ষর করিনি। আইনি ভিত্তি নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিলো। তবে আমরা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি পেলেও নৈতিক ভিত্তি পাই নি।
কেননা, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ প্রধান উপদেষ্টার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জুলাই সনদ নিয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায় নাই। সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে এক চামচ এক চামচ করে ভাগ করে দিয়েছে। কিন্তু জনগণের প্লেট খালিই রয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য এক হাসিনা যাওয়ার পর আরেক হাসিনা আসার জন্য দরজায় কড়া নাড়ছে। তারা খেলায় আছে কিন্তু তালগাছ তাদের।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে বলেন, যিনি এই আদেশ তৈরি করেছে তার মাথায় ছিলো বিএনপির প্রেসক্রিপশন। উনি আমাদের আইনমন্ত্রী হিসেবে থাকা সত্ত্বেও জনগণের জন্য এই আদেশ তৈরি করেন নি। তিনি ঘুরেফিরে ৭২ এর সংবিধানকে রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন।
বিএনপি ও জামায়াতের উদ্দেশে বলেছেন, আপনারা সংস্কারকে নিজেদের ভোটব্যাংক বানাবেন না। আর যদি ভোটব্যাংক বানানোতেই মনোনিবেশ করে থাকেন তাহলে আপনাদের মারামারি এভাবে চলতেই থাকবে।
সরকারের উদ্দেশে বলেন, বন্ধু তুমি পথ হারিও না। সরকার একবার পথ হারিয়ে লন্ডন গিয়েছিল আবার পথ হারিয়ে জামায়াতের দিকেও গিয়েছিল। তাই সরকারকে আহ্বান করবো আপনি জনগনের পথে হাঁটেন।

জাতীয় ঐক্যে অটুট থাকার কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যে অটুট থাকবো। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে যেকোনো মূল্যে আমরা অর্থবহ করবো, বিশ্বাসযোগ্য করবো।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব ছাড়াও প্রতিনিধি দলে রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
৪ ঘণ্টা আগে
রিজভী প্রশ্ন তোলেন, ‘ভয়াবহ বিভীষিকা পেরিয়ে সবাই যে অন্তর্বর্তী সরকারের সমর্থন দিলো, তারা কেন ব্যর্থ হলো? চট্টগ্রামের ঘটনার পরও সরকার কেন সতর্ক হলো না?’
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন তেমনই এক জনসংযোগের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন হাদি। তার গত কয়েক মাসের ফেসবুক স্ট্যাটাসসহ বক্তব্য বলছে, এর আগেও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানিয়েছেন, হামলার জন্য তৈরি করা তালিকায় পর্যন্ত নাম ছিল হাদির।
১৬ ঘণ্টা আগে