
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে নতুন একটি তৃতীয় শক্তির রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে দুইদিনব্যাপী মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী জানান, খুব শিগগিরই বিএনপি-জামায়াতের বাইরে একটি নতুন রাজনৈতিক অ্যালায়েন্স দেখতে পাবে দেশবাসী। ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ ও চাঁদাবাজবিরোধী এই জোট ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই হবে এ জোটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, সংস্কারমুখী, নারীবান্ধব, আলেম-ওলামাদের অধিকার রক্ষাকারী এবং দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজবিরোধী অবস্থানের ভিত্তিতে এ নতুন রাজনৈতিক বলয় গড়ে উঠছে।
জানা গেছে, এনসিপির নেতৃত্বে এরই মধ্যে পাঁচটি রাজনৈতিক দল ও প্ল্যাটফর্ম এক হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এবং গণতন্ত্র মঞ্চের একটি দল।
এছাড়া গণঅধিকার পরিষদসহ আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ডিসেম্বরেই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কারকে সমর্থন করে এমন দলগুলোকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি একটি রাজনৈতিক বলয় তৈরির উদ্যোগ চলছে, যা রাষ্ট্রীয় সংস্কারের চাপ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গত রোববার ফেনীতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন জোট গঠন করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এ জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে।
এ বিষয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু আরও বলেন, জোট গঠনের বিষয়ে দলগুলো ইতিবাচক। তবে শেষ সময়ে এসে আরো কয়েকটি দল জোটে আসার আগ্রহ প্রকাশ করায় জোট প্রকাশ্যে আসতে কিছুটা সময় লাগবে। আসন্ন নির্বাচনে এ জোট জোটবদ্ধ নির্বাচন করছে কি না জানতে চাইলে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই জোটের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সুদুরপ্রসারী। তবে আসন্ন নির্বাচনেও এ জোট একতাবদ্ধ থাকবে।
নতুন এ জোটের ঘোষণা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়- নতুন জোটটি বাস্তবে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে নতুন একটি তৃতীয় শক্তির রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে দুইদিনব্যাপী মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী জানান, খুব শিগগিরই বিএনপি-জামায়াতের বাইরে একটি নতুন রাজনৈতিক অ্যালায়েন্স দেখতে পাবে দেশবাসী। ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ ও চাঁদাবাজবিরোধী এই জোট ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই হবে এ জোটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, সংস্কারমুখী, নারীবান্ধব, আলেম-ওলামাদের অধিকার রক্ষাকারী এবং দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজবিরোধী অবস্থানের ভিত্তিতে এ নতুন রাজনৈতিক বলয় গড়ে উঠছে।
জানা গেছে, এনসিপির নেতৃত্বে এরই মধ্যে পাঁচটি রাজনৈতিক দল ও প্ল্যাটফর্ম এক হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এবং গণতন্ত্র মঞ্চের একটি দল।
এছাড়া গণঅধিকার পরিষদসহ আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ডিসেম্বরেই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কারকে সমর্থন করে এমন দলগুলোকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি একটি রাজনৈতিক বলয় তৈরির উদ্যোগ চলছে, যা রাষ্ট্রীয় সংস্কারের চাপ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গত রোববার ফেনীতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন জোট গঠন করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এ জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে।
এ বিষয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু আরও বলেন, জোট গঠনের বিষয়ে দলগুলো ইতিবাচক। তবে শেষ সময়ে এসে আরো কয়েকটি দল জোটে আসার আগ্রহ প্রকাশ করায় জোট প্রকাশ্যে আসতে কিছুটা সময় লাগবে। আসন্ন নির্বাচনে এ জোট জোটবদ্ধ নির্বাচন করছে কি না জানতে চাইলে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই জোটের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সুদুরপ্রসারী। তবে আসন্ন নির্বাচনেও এ জোট একতাবদ্ধ থাকবে।
নতুন এ জোটের ঘোষণা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়- নতুন জোটটি বাস্তবে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
১ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে