
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নিজেদের এনসিপির ‘বাপ’ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টিতেও (এনসিপি) তৈরি হয়েছে তীব্র সমালোচনা। এনসিপির নেতারা তার এ বক্তব্যকে ‘ঔদ্ধত্যমূলক’ ও ‘রাজনৈতিক অসদাচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বুধবার (২০ অক্টোবর) খুলনার এক অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘তোমরা ছাত্রদের নতুন দল। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে তোমাদের আরও বহুদূর যেতে হবে। জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘ওনারা চাচ্ছেন আমরা ওনাদের একটু সমালোচনা করি। কেউ তো ওনাদের নাম নেয় না। জামায়াতের মতো বড় দল বললে যদি আমাদের নাম মুখে নেয়! আমরা আপনাদের অত আমলে নেই না। জামায়াতের রাজনৈতিক ম্যাচিউরিটি বোঝার জন্য আরও অনেক দূর যেতে হবে।
সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও ছাত্রদের নতুন দল বলতে যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এনসিপির কথাই বলেছেন, তা বুঝতে কারও অসুবিধা হয়নি। গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জন্ম নেওয়া এনসিপিকে নিয়ে তার এমন বক্তব্য নানা ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
কেউ কেউ বলেছেন, গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্য ‘অতিরঞ্জিত অহংকারে’র বহির্প্রকাশ। কেউ কেউ এমন বক্তব্যের জন্য এনসিপির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। কেউ কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থনও করেছেন, কারণ তারা মনে করেন যে এনসিপির নেতৃত্বের বড় অংশই জামায়াত থেকেই এসেছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, রাজনীতিতে একপক্ষের আরেকপক্ষকে ‘ব্যাশিং’ করে বক্তব্য দেওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এনসিপিকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা শুধু ‘অসৌজন্যমূলক’ই না, ‘রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ও বটে। উনারা সিনিয়র রাজনীতিবিদ, বয়সে আমাদের বাবা-দাদাদের বয়সী। উনাদের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আমরা প্রত্যাশা করি না।
দলের সিনিয়র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, রাজনীতিতে কারও বাপ হতে চাওয়া একরকম দৃষ্টিভঙ্গিগত সমস্যা। গণঅভ্যুত্থান সবার বাপ। তখন অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব মেনে সবাই আন্দোলন করেছে। বৈষম্যবিরোধীরা তখন যেসব কর্মসূচি দিয়েছে তার প্রতি সংহতি জানিয়ে তখন তারাও আন্দোলন করেছে। বিপদের সময় অন্যের কমান্ডিংয়ে কাজ করে বিপদ কেটে যাওয়ার পর কমান্ডারের ওপর এখন নিজেদের কমান্ডার দাবি করা এক ধরনের রাজনৈতিক বালখিল্যতা বা অসদাচরণ।
এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের তীব্র সমালোচনা করেছেন ‘তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থি’ হিসেবে। বলেছেন, জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
নাসীর লিখেছেন, ‘তারা (জামায়াত যতবার ইতিহাসের মঞ্চে ফিরে আসতে চেয়েছে, ততবারই জনগণের অন্তর থেকে প্রতিধ্বনি উঠেছে— এই দেশকে আর অন্ধকারে ফেরানো যাবে না।’
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের অবশ্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যকে এত কঠিনভাবে নেওয়ার বিরোধিতা করে বলেন, ‘তিনি (মিয়া গোলাম পরওয়ার) কারও নাম বলেননি। তিনি স্নেহের অবস্থান থেকে বলেছেন। আমরা সবাই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সহযোদ্ধা। দেশ গঠনেও আমরা একযোগে কাজ করছি। এর বাইরে কিছু নেই।’
জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মধ্যে এই বাগ্যুদ্ধের সূচনাটা অবশ্য এনসিপির নাহিদ ইসলামের বক্তব্য থেকে। গত রোববার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে নাহিদ লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামীর ‘কথিত সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) আন্দোলন একটি সুচিন্তিত রাজনৈতিক প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।’
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের সমমনা দলগুলোর আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা ওই পোস্টে নাহিদ বলেন, ‘আমরা এ ধরনের মৌলিক সংস্কার ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদের আইনি কাঠামো তৈরির জন্য আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত ও তার সহযোগীরা এটা ছিনতাই করেছে। তারা একে একটি কাঠামোগত পিআর বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে এবং একে তাদের ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ উদ্ধারের জন্য দর-কষাকষির একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।’
নাহিদের এ বক্তব্য তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে জামায়াতের মধ্যে। তার বক্তব্যকে ‘বালখিল্য’ ধরনের অভিহিত করে জামায়াতের পক্ষ থেকে রীতিমতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে। রোববার রাতেই জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধানের দায়িত্বে থাকা সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ বিবৃতি প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর পিআর দাবির আন্দোলনকে প্রতারণামূলক ও রাজনৈতিক কৌশল বলে যে মন্তব্য করেছেন, তা সর্বৈব মিথ্যা ও দুঃখজনক। তিনি (নাহিদ) তার বক্তব্যের মাধ্যমে কী বুঝাতে চাচ্ছেন তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। তার কাছে এ ধরনের বালখিল্য বক্তব্য জাতি আশা করে না।
জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবিতে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় ও রাজপথে জামায়াতে ইসলামী দৃঢ় অবস্থান জনগণের সামনে তুলে ধরেছে বিধায় নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের ‘যৌক্তিক কোনো ভিত্তি নেই’ বলেও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উল্লেখ করেন বিবৃতিতে।

নিজেদের এনসিপির ‘বাপ’ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টিতেও (এনসিপি) তৈরি হয়েছে তীব্র সমালোচনা। এনসিপির নেতারা তার এ বক্তব্যকে ‘ঔদ্ধত্যমূলক’ ও ‘রাজনৈতিক অসদাচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বুধবার (২০ অক্টোবর) খুলনার এক অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘তোমরা ছাত্রদের নতুন দল। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে তোমাদের আরও বহুদূর যেতে হবে। জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘ওনারা চাচ্ছেন আমরা ওনাদের একটু সমালোচনা করি। কেউ তো ওনাদের নাম নেয় না। জামায়াতের মতো বড় দল বললে যদি আমাদের নাম মুখে নেয়! আমরা আপনাদের অত আমলে নেই না। জামায়াতের রাজনৈতিক ম্যাচিউরিটি বোঝার জন্য আরও অনেক দূর যেতে হবে।
সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও ছাত্রদের নতুন দল বলতে যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এনসিপির কথাই বলেছেন, তা বুঝতে কারও অসুবিধা হয়নি। গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জন্ম নেওয়া এনসিপিকে নিয়ে তার এমন বক্তব্য নানা ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
কেউ কেউ বলেছেন, গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্য ‘অতিরঞ্জিত অহংকারে’র বহির্প্রকাশ। কেউ কেউ এমন বক্তব্যের জন্য এনসিপির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। কেউ কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থনও করেছেন, কারণ তারা মনে করেন যে এনসিপির নেতৃত্বের বড় অংশই জামায়াত থেকেই এসেছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, রাজনীতিতে একপক্ষের আরেকপক্ষকে ‘ব্যাশিং’ করে বক্তব্য দেওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এনসিপিকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা শুধু ‘অসৌজন্যমূলক’ই না, ‘রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ও বটে। উনারা সিনিয়র রাজনীতিবিদ, বয়সে আমাদের বাবা-দাদাদের বয়সী। উনাদের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আমরা প্রত্যাশা করি না।
দলের সিনিয়র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, রাজনীতিতে কারও বাপ হতে চাওয়া একরকম দৃষ্টিভঙ্গিগত সমস্যা। গণঅভ্যুত্থান সবার বাপ। তখন অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব মেনে সবাই আন্দোলন করেছে। বৈষম্যবিরোধীরা তখন যেসব কর্মসূচি দিয়েছে তার প্রতি সংহতি জানিয়ে তখন তারাও আন্দোলন করেছে। বিপদের সময় অন্যের কমান্ডিংয়ে কাজ করে বিপদ কেটে যাওয়ার পর কমান্ডারের ওপর এখন নিজেদের কমান্ডার দাবি করা এক ধরনের রাজনৈতিক বালখিল্যতা বা অসদাচরণ।
এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের তীব্র সমালোচনা করেছেন ‘তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থি’ হিসেবে। বলেছেন, জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
নাসীর লিখেছেন, ‘তারা (জামায়াত যতবার ইতিহাসের মঞ্চে ফিরে আসতে চেয়েছে, ততবারই জনগণের অন্তর থেকে প্রতিধ্বনি উঠেছে— এই দেশকে আর অন্ধকারে ফেরানো যাবে না।’
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের অবশ্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যকে এত কঠিনভাবে নেওয়ার বিরোধিতা করে বলেন, ‘তিনি (মিয়া গোলাম পরওয়ার) কারও নাম বলেননি। তিনি স্নেহের অবস্থান থেকে বলেছেন। আমরা সবাই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সহযোদ্ধা। দেশ গঠনেও আমরা একযোগে কাজ করছি। এর বাইরে কিছু নেই।’
জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মধ্যে এই বাগ্যুদ্ধের সূচনাটা অবশ্য এনসিপির নাহিদ ইসলামের বক্তব্য থেকে। গত রোববার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে নাহিদ লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামীর ‘কথিত সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) আন্দোলন একটি সুচিন্তিত রাজনৈতিক প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।’
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের সমমনা দলগুলোর আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা ওই পোস্টে নাহিদ বলেন, ‘আমরা এ ধরনের মৌলিক সংস্কার ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদের আইনি কাঠামো তৈরির জন্য আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত ও তার সহযোগীরা এটা ছিনতাই করেছে। তারা একে একটি কাঠামোগত পিআর বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে এবং একে তাদের ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ উদ্ধারের জন্য দর-কষাকষির একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।’
নাহিদের এ বক্তব্য তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে জামায়াতের মধ্যে। তার বক্তব্যকে ‘বালখিল্য’ ধরনের অভিহিত করে জামায়াতের পক্ষ থেকে রীতিমতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে। রোববার রাতেই জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধানের দায়িত্বে থাকা সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ বিবৃতি প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর পিআর দাবির আন্দোলনকে প্রতারণামূলক ও রাজনৈতিক কৌশল বলে যে মন্তব্য করেছেন, তা সর্বৈব মিথ্যা ও দুঃখজনক। তিনি (নাহিদ) তার বক্তব্যের মাধ্যমে কী বুঝাতে চাচ্ছেন তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। তার কাছে এ ধরনের বালখিল্য বক্তব্য জাতি আশা করে না।
জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবিতে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় ও রাজপথে জামায়াতে ইসলামী দৃঢ় অবস্থান জনগণের সামনে তুলে ধরেছে বিধায় নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের ‘যৌক্তিক কোনো ভিত্তি নেই’ বলেও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উল্লেখ করেন বিবৃতিতে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে