
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উপদেষ্টা পরিষদ ছাত্র-জনতার বিপ্লবের নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগবিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ বলেন, সংবিধান সংস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে প্রক্রিয়া বলা সম্ভব নয়। আমাদের ছাত্র-জনতার কাছে ফেরত যেতে হবে। তাদের কাছ থেকে দাবিটা আসতে হবে, তারা কি নতুন সংবিধান চায়, নাকি পুরোনো সংবিধান সংস্কার করে সংশোধনের মাধ্যমে আনতে চায়। এ বিষয়ে জনগণের রায় নিতে হবে। জনগণের কাছে যেতে হবে।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার যে সমন্বয়করা রয়েছেন তারা এ বিষয়ে (সংবিধান সংশোধন) দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।
নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য আপনারা কী করছেন জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তবে তোমাদের প্রত্যাশা যেটা যে কালকেই হয়ে যেতে হবে। সেটা হয় না। ছাত্র-জনতার বক্তব্য কী? সেটা একটু শোনো। আমরা সেকেন্ডারি (দ্বিতীয় স্তরে)।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি তোমাদের অনুরোধ করবো- তোমরা প্রত্যেকদিন সমন্বয়ের সঙ্গে যারা জড়িত আছেন, ছাত্র-জনতা শ্রমিকের বিপ্লবের প্রতিনিধি যারা তাদের মুখোমুখি হও। আমরা কিন্তু সেকেন্ডারি, ওখান থেকে তোমার প্রশ্নের উত্তরগুলো আসবে। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেটা আমরা এক্সিকিউট (বাস্তবায়ন) করবো। আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা, আমি যেই হই না কেন, আমার ৫৭ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকুক না কেন, সেটা মুখ্য নয়। প্রথমে হচ্ছেন তারা (সমন্বয়ক)। ডেফিনেটলি এটা একটা মেজর- ইস্যু ফ্রি ফেয়ার অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্ট নির্বাচন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে আনা যায় সেটা নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর নাকি চার বছর করা হবে। সেটা আলোচনা করলে আসে। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের যদি চার বছর হতে পারে, আমরা থার্ড ওয়ার্ল্ডের দেশ, আমার কেন পাঁচ বছর লাগবে।

উপদেষ্টা পরিষদ ছাত্র-জনতার বিপ্লবের নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগবিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ বলেন, সংবিধান সংস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে প্রক্রিয়া বলা সম্ভব নয়। আমাদের ছাত্র-জনতার কাছে ফেরত যেতে হবে। তাদের কাছ থেকে দাবিটা আসতে হবে, তারা কি নতুন সংবিধান চায়, নাকি পুরোনো সংবিধান সংস্কার করে সংশোধনের মাধ্যমে আনতে চায়। এ বিষয়ে জনগণের রায় নিতে হবে। জনগণের কাছে যেতে হবে।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার যে সমন্বয়করা রয়েছেন তারা এ বিষয়ে (সংবিধান সংশোধন) দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।
নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য আপনারা কী করছেন জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তবে তোমাদের প্রত্যাশা যেটা যে কালকেই হয়ে যেতে হবে। সেটা হয় না। ছাত্র-জনতার বক্তব্য কী? সেটা একটু শোনো। আমরা সেকেন্ডারি (দ্বিতীয় স্তরে)।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি তোমাদের অনুরোধ করবো- তোমরা প্রত্যেকদিন সমন্বয়ের সঙ্গে যারা জড়িত আছেন, ছাত্র-জনতা শ্রমিকের বিপ্লবের প্রতিনিধি যারা তাদের মুখোমুখি হও। আমরা কিন্তু সেকেন্ডারি, ওখান থেকে তোমার প্রশ্নের উত্তরগুলো আসবে। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেটা আমরা এক্সিকিউট (বাস্তবায়ন) করবো। আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা, আমি যেই হই না কেন, আমার ৫৭ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকুক না কেন, সেটা মুখ্য নয়। প্রথমে হচ্ছেন তারা (সমন্বয়ক)। ডেফিনেটলি এটা একটা মেজর- ইস্যু ফ্রি ফেয়ার অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্ট নির্বাচন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে আনা যায় সেটা নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর নাকি চার বছর করা হবে। সেটা আলোচনা করলে আসে। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের যদি চার বছর হতে পারে, আমরা থার্ড ওয়ার্ল্ডের দেশ, আমার কেন পাঁচ বছর লাগবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘একটি দল বিভাজন আনার চেষ্টা করছে। এ বিভাজনগুলো আমাদের সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। হিংসা বিদ্বেষ তৈরি করে। একটি শব্দ যেটিকে আমরা ঘৃণা করি। এ শব্দটাকে আমাদের সকলের ঘৃণা করা উচিত। মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব আরও বেশি করে সৃষ্টি করা উচিত।’
১ দিন আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুত কীভাবে আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এটাই ছিল মূল আলোচনা। খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে যেতে চেষ্টা করব।’
১ দিন আগে
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।
২ দিন আগে
আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন করা বৈধ, আর জনগণের ভোটে সংস্কার হবে সেটাকে বলে অবৈধ। এমন দ্বিচারিতা বাংলাদেশের মানুষ সহ্য করবে না। আমরা সংস্কার পরিষদের কথা বলছি। এটা নতুন কোনো কথা নয়। ঐকমত্য কমিশনে ৩০টির মতো রাজনৈতিক দল সংবিধানের টেকসই পরিবর্তনের জন্য সংস্কার সাধনের জন্য সংস্কারকে টেকসই করার
২ দিন আগে