
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকার গুলশানের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বকেও দুর্বল করা যাবে না। কারাগারের বাইরে থাকা বিএনপির সর্বশেষ ব্যক্তিটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পদত্যাগসহ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার-ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে জনগণ সংকল্পবদ্ধ। আর অচিরেই এ অবৈধ সরকারের পতন হবে।’
রিজভী বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একতরফাভাবে অনুষ্ঠিত করে আবার রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার পাঁয়তারা শুরু করেছে আওয়ামী সরকার। এই হীন উদ্দেশ্যকে চরিতার্থ করার লক্ষ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে কারান্তরীণ করার ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছে তারা। বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করতেই ফ্যাসিস্ট শাসকগোষ্ঠী বিএনপির জাতীয় নেতাদের ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সরকার আদালতের মাধ্যমে বিএনপির গ্রেপ্তার জ্যেষ্ঠ নেতাদের ৮/১০ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে।’
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান শাসকগোষ্ঠী বিএনপির নেতৃত্বে চলমান অবরোধ কর্মসূচিতে ভীত হয়ে পড়েছে বলেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। সরকার ভাবছে, এভাবে গ্রেপ্তার, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন এবং জুলুম চালালে বিএনপির আন্দোলন স্তব্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বিএনপি দেশের বৃহৎ এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, এই দলটির সঙ্গে জনগণ রয়েছে; কাজেই আন্দোলন দমানোর জন্য সরকারের কোনো কৌশলই সফল হবে না।’
অবিলম্বে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তির জোড় আহ্বান জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মহাসমাবেশ ঘিরে ২৮ অক্টোবরের সেই সংঘর্ষের পর এ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির দুইজন সদস্য গ্রেপ্তার হলেন।
স্থায়ী কমিটির গ্রেপ্তার হওয়া অন্য নেতা হলেন মির্জা আব্বাস, যাকে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জহির উদ্দিন স্বপন ও ঢাকা মহানগর কমিটির উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হককে আটক করা হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকার গুলশানের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বকেও দুর্বল করা যাবে না। কারাগারের বাইরে থাকা বিএনপির সর্বশেষ ব্যক্তিটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পদত্যাগসহ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার-ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে জনগণ সংকল্পবদ্ধ। আর অচিরেই এ অবৈধ সরকারের পতন হবে।’
রিজভী বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একতরফাভাবে অনুষ্ঠিত করে আবার রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার পাঁয়তারা শুরু করেছে আওয়ামী সরকার। এই হীন উদ্দেশ্যকে চরিতার্থ করার লক্ষ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে কারান্তরীণ করার ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছে তারা। বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করতেই ফ্যাসিস্ট শাসকগোষ্ঠী বিএনপির জাতীয় নেতাদের ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সরকার আদালতের মাধ্যমে বিএনপির গ্রেপ্তার জ্যেষ্ঠ নেতাদের ৮/১০ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে।’
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান শাসকগোষ্ঠী বিএনপির নেতৃত্বে চলমান অবরোধ কর্মসূচিতে ভীত হয়ে পড়েছে বলেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। সরকার ভাবছে, এভাবে গ্রেপ্তার, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন এবং জুলুম চালালে বিএনপির আন্দোলন স্তব্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বিএনপি দেশের বৃহৎ এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, এই দলটির সঙ্গে জনগণ রয়েছে; কাজেই আন্দোলন দমানোর জন্য সরকারের কোনো কৌশলই সফল হবে না।’
অবিলম্বে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তির জোড় আহ্বান জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মহাসমাবেশ ঘিরে ২৮ অক্টোবরের সেই সংঘর্ষের পর এ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির দুইজন সদস্য গ্রেপ্তার হলেন।
স্থায়ী কমিটির গ্রেপ্তার হওয়া অন্য নেতা হলেন মির্জা আব্বাস, যাকে গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জহির উদ্দিন স্বপন ও ঢাকা মহানগর কমিটির উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হককে আটক করা হয়।

হবিগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে তাদের অবরুদ্ধ রাখার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। পাশাপাশি যে হবিগঞ্জে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ফের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। বিএনপি কত রক্ত ঝরা
১৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে
সিলেটে জামায়াতের জনসভায় দলটির আমিরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জামায়াতের নেতার উচিত নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র আগে ভালোভাবে পড়া।
২ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে