
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিগত স্বৈরাচারী সরকারগুলো দেশের মেহনতি শ্রমিক শ্রেণির ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল বিগত স্বৈরাচার সরকার। দেশের অর্থনীতিকে আমদানিনির্ভর করেছিল স্বৈরাচার সরকার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করেছিলো স্বৈরাচার। এর ফলেই ২৪ এ সব মানুষ একত্রে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।’
তারেক রহমান তার বক্তব্যে শ্রমিক ও কৃষকদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি ঘোষণা করেন, শ্রমিকদের পরিবারের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের স্ত্রীদের জন্য 'ফ্যামিলি কার্ড' প্রদান করা হবে। এ ছাড়া কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ এবং কৃষি কার্ডের আধুনিকায়নের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে পুনরায় খাল খনন কর্মসূচি শুরুর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কৃষক ও শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি যারা এখনও বেকার তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া শ্রমিক ও বেকারদের জন্য দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।’
নির্বাচনের আগে দেয়া সব প্রতিশ্রুতি সরকার পূরণ করবে বলে জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।
তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।
বক্তব্যে ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হওয়া ৭২ জন শ্রমিকসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সব শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘নারী-পুরুষসহ সবাইকে নিয়ে এখন দেশ গড়ার পালা।’
প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সবার নাম শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান সরকারপ্রধান।
এছাড়া প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে দেশ গড়ার শ্রমিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত হতে সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাজনীতি/এসআর

বিগত স্বৈরাচারী সরকারগুলো দেশের মেহনতি শ্রমিক শ্রেণির ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল বিগত স্বৈরাচার সরকার। দেশের অর্থনীতিকে আমদানিনির্ভর করেছিল স্বৈরাচার সরকার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করেছিলো স্বৈরাচার। এর ফলেই ২৪ এ সব মানুষ একত্রে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।’
তারেক রহমান তার বক্তব্যে শ্রমিক ও কৃষকদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি ঘোষণা করেন, শ্রমিকদের পরিবারের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের স্ত্রীদের জন্য 'ফ্যামিলি কার্ড' প্রদান করা হবে। এ ছাড়া কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ এবং কৃষি কার্ডের আধুনিকায়নের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে পুনরায় খাল খনন কর্মসূচি শুরুর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কৃষক ও শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি যারা এখনও বেকার তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া শ্রমিক ও বেকারদের জন্য দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।’
নির্বাচনের আগে দেয়া সব প্রতিশ্রুতি সরকার পূরণ করবে বলে জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।
তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।
বক্তব্যে ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হওয়া ৭২ জন শ্রমিকসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সব শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘নারী-পুরুষসহ সবাইকে নিয়ে এখন দেশ গড়ার পালা।’
প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সবার নাম শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান সরকারপ্রধান।
এছাড়া প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে দেশ গড়ার শ্রমিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত হতে সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাজনীতি/এসআর

ঘোষণার সময় সাদিক কায়েম নিজেও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্মেলনে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বক্তব্য রাখেন।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের অধিকারের যে ভিত্তি গড়েছিলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই ধারাবাহিকতায় শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, পাকিস্তান আমলে সেই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পলিসি ভূমিকার ব্যাপারে অনেক আলোচনা বিতর্ক হতে পারে। তবে সেই সময়ের জামায়াত ও এখনকার জামায়াত এক না।
১০ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এতটুকু বলব, অতীতকে স্মরণ রাখা ভালো, ইতিহাস শিক্ষা ভালো। কিন্তু ইতিহাসকে নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা নিজেরা ইতিহাস তৈরি করতে পারব না। ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে আসুন আমরা এগিয়ে যাই।’
১ দিন আগে