
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল বলেছেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। শ্রমিকের কাজের ন্যায্য মজুরি, নিরাপত্তা এবং শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শ্রমিকের রক্ত শোষণ করে বোয়িং বিমান কেনা চলবে না। অবিলম্বে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে। শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করো।
মহান মে দিবস উপলক্ষে সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে আজ শুক্রবার (১ মে) বিকেল ৩টায় মিরপুরের সেনপাড়ার ভিশন মোড়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় বক্তারা শ্রমিক-কৃষকসহ মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান জানান।
হাসান হাফিজুর রহমান আরো বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য নিজেদের শিল্প-কারখানার বিকাশ ঘটিয়ে জাতীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত না করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। অবিলম্বে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে সে অর্থ দিয়ে দেশের শিল্প ও কৃষিতে ভর্তুকি দিতে হবে।
সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক লূনা নূর বলেন, পুনর্বাসনের সুস্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়া কোনো হকার উচ্ছেদ চলবে না। বাংলাদেশের নগর অর্থনীতিতে হকারদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের জীবিকা ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করে পরিকল্পিত পুনর্বাসনের মাধ্যমেই যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশের কলকারখানা, গার্মেন্টস, হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য সেবা খাতের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-বোনাস অবিলম্বে পরিশোধ এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করার সব অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাজেদুল হক রুবেল, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য লাকী আক্তার, জেলা কমিটির সদস্য জামাল হায়দার মুকুল, জেলা কমিটির সদস্য কল্লোল বণিক, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মিরপুর থানা কমিটির সহ-সম্পাদক জামাল হোসেন, গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা মো. রাজা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের জেলা কমিটির সদস্য রাসেল ইসলাম সুজন।
এ সময় সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য লাকী আক্তার বলেন, চা শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিকসহ সকল প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের জন্য ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সাপ্তাহিক ছুটি, চিকিৎসা সুবিধা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। সেজন্য এই বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আইটি ও আউটসোর্সিং শ্রমিকদেরও শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের জন্য চাকরির নিরাপত্তা, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, চুক্তিভিত্তিক শোষণ বন্ধ এবং ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের কমিউনিস্ট পার্টির পতাকাতলে সমবেত হতে হবে।
বক্তারা অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়নে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান এবং শ্রমিক শ্রেণির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশ থেকে বেশকিছু দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো,
১. আট ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করতে হবে।
২. ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে।
৩. সমকাজে সমমজুরি নিশ্চিত করতে হবে।
৪. কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
৫. শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. অবসরকালীন বেনিফিট চালু ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৭. অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
৮. মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল বলেছেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। শ্রমিকের কাজের ন্যায্য মজুরি, নিরাপত্তা এবং শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শ্রমিকের রক্ত শোষণ করে বোয়িং বিমান কেনা চলবে না। অবিলম্বে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে। শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করো।
মহান মে দিবস উপলক্ষে সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে আজ শুক্রবার (১ মে) বিকেল ৩টায় মিরপুরের সেনপাড়ার ভিশন মোড়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় বক্তারা শ্রমিক-কৃষকসহ মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান জানান।
হাসান হাফিজুর রহমান আরো বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য নিজেদের শিল্প-কারখানার বিকাশ ঘটিয়ে জাতীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত না করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। অবিলম্বে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে সে অর্থ দিয়ে দেশের শিল্প ও কৃষিতে ভর্তুকি দিতে হবে।
সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক লূনা নূর বলেন, পুনর্বাসনের সুস্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়া কোনো হকার উচ্ছেদ চলবে না। বাংলাদেশের নগর অর্থনীতিতে হকারদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের জীবিকা ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করে পরিকল্পিত পুনর্বাসনের মাধ্যমেই যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশের কলকারখানা, গার্মেন্টস, হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য সেবা খাতের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-বোনাস অবিলম্বে পরিশোধ এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করার সব অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাজেদুল হক রুবেল, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য লাকী আক্তার, জেলা কমিটির সদস্য জামাল হায়দার মুকুল, জেলা কমিটির সদস্য কল্লোল বণিক, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মিরপুর থানা কমিটির সহ-সম্পাদক জামাল হোসেন, গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা মো. রাজা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের জেলা কমিটির সদস্য রাসেল ইসলাম সুজন।
এ সময় সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য লাকী আক্তার বলেন, চা শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিকসহ সকল প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের জন্য ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সাপ্তাহিক ছুটি, চিকিৎসা সুবিধা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। সেজন্য এই বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
সিপিবি ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আইটি ও আউটসোর্সিং শ্রমিকদেরও শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের জন্য চাকরির নিরাপত্তা, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, চুক্তিভিত্তিক শোষণ বন্ধ এবং ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের কমিউনিস্ট পার্টির পতাকাতলে সমবেত হতে হবে।
বক্তারা অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়নে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান এবং শ্রমিক শ্রেণির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশ থেকে বেশকিছু দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো,
১. আট ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করতে হবে।
২. ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে।
৩. সমকাজে সমমজুরি নিশ্চিত করতে হবে।
৪. কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
৫. শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. অবসরকালীন বেনিফিট চালু ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৭. অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
৮. মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে।

ঘোষণার সময় সাদিক কায়েম নিজেও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্মেলনে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বক্তব্য রাখেন।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের অধিকারের যে ভিত্তি গড়েছিলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই ধারাবাহিকতায় শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, পাকিস্তান আমলে সেই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পলিসি ভূমিকার ব্যাপারে অনেক আলোচনা বিতর্ক হতে পারে। তবে সেই সময়ের জামায়াত ও এখনকার জামায়াত এক না।
৮ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এতটুকু বলব, অতীতকে স্মরণ রাখা ভালো, ইতিহাস শিক্ষা ভালো। কিন্তু ইতিহাসকে নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা নিজেরা ইতিহাস তৈরি করতে পারব না। ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে আসুন আমরা এগিয়ে যাই।’
১ দিন আগে