
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আট দলের সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যারা না ভোটের প্রচার চালাচ্ছে তারা সংস্কার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না।
আজ রোববার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে আট দলের বৈঠকের পর সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার জানান, দেশের মানুষ সংস্কারের জন্য হ্যাঁ ভোটের পক্ষে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য আট দলের আন্দোলন চলবে।
গত মঙ্গলবার দলগুলো ঘোষণা দিয়েছিল, নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে ১৬ নভেম্বর থেকে যমুনার সামনে লাগাতার অবস্থান নেওয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করা হয়। এ আদেশ অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন এবং গণভোট একদিনে হবে।
নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি পূরণ না হলেও, আট দল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থানের কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে গোলাম পরওয়ার বলেছেন, একটি দলের দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে একদিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
আট দল আবারও উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেছেন, একটি বিশেষ দলকে খুশি করতে সরকারের তিন উপদেষ্টা নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করছেন। তারা সরকারকে মিসগাইড করায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না।
কারা এই তিন উপদেষ্টা প্রশ্নে গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘প্রয়োজন হলে সময়মতো তিন বিতর্কিত উপদেষ্টার নামও বলব। আমাদের কাছে তথ্য–প্রমাণ আছে।’
গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রশাসনে এখনও দলীয় পক্ষপাত চলছে। এর সঙ্গে তিন উপদেষ্টার প্রভাব–প্রতিপত্তি মিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হবে কিনা সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। ডিসি-এসপিসহ সকল পর্যায়ে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে হবে। প্রশাসনের মধ্যে একটি বিশেষ দলের প্রতি অনুগতদের নিয়োগ করে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন সুষ্ঠু চায় বলেই আট দল মাঠে আছে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য আন্দোলন নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটবে না, বরং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ পরিষ্কার করবে।
গণভোটের প্রশ্ন সহজ করার দাবি জানান গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, মৌলিক সংস্কারের পক্ষে আট দল। এগুলো ভোটারদের কাছে সহজ ভাষায় তুলে ধরতে হবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মাদ মুনতাসির আলী, জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বিডিপির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, খেলাফত আন্দোলনের মাওলানা মোহাম্মদ তৌহিদুজ্জামান।
এর আগে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আট দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে অংশ নেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাইয়ের পর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম, বাংলাদেশ খেলাফতের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদিক হাক্কানী।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আট দলের সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যারা না ভোটের প্রচার চালাচ্ছে তারা সংস্কার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না।
আজ রোববার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে আট দলের বৈঠকের পর সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার জানান, দেশের মানুষ সংস্কারের জন্য হ্যাঁ ভোটের পক্ষে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য আট দলের আন্দোলন চলবে।
গত মঙ্গলবার দলগুলো ঘোষণা দিয়েছিল, নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে ১৬ নভেম্বর থেকে যমুনার সামনে লাগাতার অবস্থান নেওয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করা হয়। এ আদেশ অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন এবং গণভোট একদিনে হবে।
নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি পূরণ না হলেও, আট দল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থানের কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে গোলাম পরওয়ার বলেছেন, একটি দলের দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে একদিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
আট দল আবারও উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেছেন, একটি বিশেষ দলকে খুশি করতে সরকারের তিন উপদেষ্টা নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করছেন। তারা সরকারকে মিসগাইড করায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না।
কারা এই তিন উপদেষ্টা প্রশ্নে গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘প্রয়োজন হলে সময়মতো তিন বিতর্কিত উপদেষ্টার নামও বলব। আমাদের কাছে তথ্য–প্রমাণ আছে।’
গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রশাসনে এখনও দলীয় পক্ষপাত চলছে। এর সঙ্গে তিন উপদেষ্টার প্রভাব–প্রতিপত্তি মিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হবে কিনা সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। ডিসি-এসপিসহ সকল পর্যায়ে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে হবে। প্রশাসনের মধ্যে একটি বিশেষ দলের প্রতি অনুগতদের নিয়োগ করে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন সুষ্ঠু চায় বলেই আট দল মাঠে আছে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য আন্দোলন নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটবে না, বরং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ পরিষ্কার করবে।
গণভোটের প্রশ্ন সহজ করার দাবি জানান গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, মৌলিক সংস্কারের পক্ষে আট দল। এগুলো ভোটারদের কাছে সহজ ভাষায় তুলে ধরতে হবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মাদ মুনতাসির আলী, জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বিডিপির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, খেলাফত আন্দোলনের মাওলানা মোহাম্মদ তৌহিদুজ্জামান।
এর আগে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আট দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে অংশ নেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাইয়ের পর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম, বাংলাদেশ খেলাফতের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদিক হাক্কানী।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে থাকা ৫০টির বেশি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
৪ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক বলেন, ১০টি দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারবো। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারবো এই আশা করছি।
৯ ঘণ্টা আগে