
বরিশাল প্রতিনিধি

গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘গণভোট না মানলে এই সরকার অবৈধ হয়ে যায়, এটা সরকারকে বুঝতে হবে। আর গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।’
গণভোটের রায় নিয়ে সরকার ভুল পথে আছে বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। এ পথ পরিহার করে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘২৫ জুলাই সিলেটের সমাবেশের আগেই এ দাবি মেনে নিন, অন্যথায় ঢাকায় মহাসমাবেশের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’
আজ শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারকে এ হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান।
বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘নতুন শাসনব্যবস্থা চাই, গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই। মেকানিজমের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা (বিএনপি) গণভোটের রায় ভুলে গেছে। জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকে জনগণের সরকার হিসেবে মেনে নেবে না।’
জামায়াতের আমির বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা দুটো দলই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চেয়েছি। ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। এখন তাহলে কেন এত গড়িমসি সরকারের। গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে পদে পদে মিথ্যা আর ধোঁকা দিচ্ছে সরকার। তারা কি ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে না। গণভোট নিয়ে টালবাহানা জনগণ সহ্য করবে না। গণভোট না মানলে এই সরকারও অবৈধ, জাতির ক্ষতি করে বুঝবেন না, আগেই বুঝুন। আমাদের রাজপথে রাখবেন না।’
তিনি বলেন, “২৪-এর একটি স্লোগান আছে— ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে।’ এই প্রজন্মের রক্তে আবার আগুন লাগাবেন না। আগামী ২৫ জুলাই সিলেটের সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। তা না হলে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হবে এবং সেজন্য ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। ভোলাবাসীর জন্য সেতু নির্মাণ ও দক্ষিণাঞ্চলে রেললাইন স্থাপনের দাবি জানান তিনি। তার মতে, বরিশালকে বঞ্চিত রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সমাবেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘ভাঙ্গার পরই ভাঙা রাস্তা। তাও দুই লেনের। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত এই সড়কের শেষ মাথায়। সেই সড়কেরও বেহাল দশা। ভোলা আজো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, রেললাইন কবে হবে, এ নিয়ে সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য নেই কেন? এই অঞ্চলের মানুষকে এভাবে বঞ্চিত করা যাবে না।’
সরকারের উদ্দেশে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে আর কত ধোঁকাবাজি করবেন? প্রয়োজনে নতুন বাংলাদেশ গড়ব। জুলাই আন্দোলনে মানুষ জীবন দিয়েছে, কিন্তু মাথা নত করেনি। জনগণ যখন প্রকৃত ফ্যাসিবাদকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তখন ডামি ফ্যাসিবাদকেও প্রত্যাখ্যান করবে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জনগণের রায় অমান্য করা হলে আন্দোলনের পথেই যেতে হবে। সময় থাকতে ভালো হয়ে যান। তেল, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। মানুষের হাতে ফ্যামিলি কার্ড ধরিয়ে দিয়ে দায় এড়ানো যাবে না। প্রয়োজন হলে হাতে চিড়া–মুড়ি নিয়েই আবারও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামতে হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ইঙ্গিত করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘সংসদে একজন অবৈতনিক শিক্ষক আছেন, যিনি প্রায়ই সংবিধান শেখান। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে তার পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আপনারা ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছেন, যা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’
এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ তার বক্তব্যে ভারতের আগ্রাসন এবং মুসলমানদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহর আদেশ ও নবীর শিক্ষা আমরা অনুসরণ করব, শুভেন্দু ও তার গুন্ডারা যতই লাফালাফি করুক আমরা ধৈর্য ধরব। হাসিনাসহ শুভেন্দু বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সোজা ফাঁসিতে ঝুলাব। আওয়ামী লীগ স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছে। আওয়ামী লীগ আর কখনও বাংলাদেশে আসবে না।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুসহ ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা।

গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘গণভোট না মানলে এই সরকার অবৈধ হয়ে যায়, এটা সরকারকে বুঝতে হবে। আর গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।’
গণভোটের রায় নিয়ে সরকার ভুল পথে আছে বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। এ পথ পরিহার করে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘২৫ জুলাই সিলেটের সমাবেশের আগেই এ দাবি মেনে নিন, অন্যথায় ঢাকায় মহাসমাবেশের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’
আজ শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারকে এ হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান।
বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘নতুন শাসনব্যবস্থা চাই, গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই। মেকানিজমের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা (বিএনপি) গণভোটের রায় ভুলে গেছে। জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকে জনগণের সরকার হিসেবে মেনে নেবে না।’
জামায়াতের আমির বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা দুটো দলই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চেয়েছি। ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। এখন তাহলে কেন এত গড়িমসি সরকারের। গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে পদে পদে মিথ্যা আর ধোঁকা দিচ্ছে সরকার। তারা কি ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে না। গণভোট নিয়ে টালবাহানা জনগণ সহ্য করবে না। গণভোট না মানলে এই সরকারও অবৈধ, জাতির ক্ষতি করে বুঝবেন না, আগেই বুঝুন। আমাদের রাজপথে রাখবেন না।’
তিনি বলেন, “২৪-এর একটি স্লোগান আছে— ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে।’ এই প্রজন্মের রক্তে আবার আগুন লাগাবেন না। আগামী ২৫ জুলাই সিলেটের সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। তা না হলে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হবে এবং সেজন্য ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। ভোলাবাসীর জন্য সেতু নির্মাণ ও দক্ষিণাঞ্চলে রেললাইন স্থাপনের দাবি জানান তিনি। তার মতে, বরিশালকে বঞ্চিত রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সমাবেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘ভাঙ্গার পরই ভাঙা রাস্তা। তাও দুই লেনের। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত এই সড়কের শেষ মাথায়। সেই সড়কেরও বেহাল দশা। ভোলা আজো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, রেললাইন কবে হবে, এ নিয়ে সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য নেই কেন? এই অঞ্চলের মানুষকে এভাবে বঞ্চিত করা যাবে না।’
সরকারের উদ্দেশে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে আর কত ধোঁকাবাজি করবেন? প্রয়োজনে নতুন বাংলাদেশ গড়ব। জুলাই আন্দোলনে মানুষ জীবন দিয়েছে, কিন্তু মাথা নত করেনি। জনগণ যখন প্রকৃত ফ্যাসিবাদকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তখন ডামি ফ্যাসিবাদকেও প্রত্যাখ্যান করবে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জনগণের রায় অমান্য করা হলে আন্দোলনের পথেই যেতে হবে। সময় থাকতে ভালো হয়ে যান। তেল, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। মানুষের হাতে ফ্যামিলি কার্ড ধরিয়ে দিয়ে দায় এড়ানো যাবে না। প্রয়োজন হলে হাতে চিড়া–মুড়ি নিয়েই আবারও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামতে হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ইঙ্গিত করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘সংসদে একজন অবৈতনিক শিক্ষক আছেন, যিনি প্রায়ই সংবিধান শেখান। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে তার পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আপনারা ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছেন, যা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’
এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ তার বক্তব্যে ভারতের আগ্রাসন এবং মুসলমানদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহর আদেশ ও নবীর শিক্ষা আমরা অনুসরণ করব, শুভেন্দু ও তার গুন্ডারা যতই লাফালাফি করুক আমরা ধৈর্য ধরব। হাসিনাসহ শুভেন্দু বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সোজা ফাঁসিতে ঝুলাব। আওয়ামী লীগ স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছে। আওয়ামী লীগ আর কখনও বাংলাদেশে আসবে না।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুসহ ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁ-১ আসনটি শূন্য হয়েছে। এ আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ২৯ অক্টোবর।
১৩ ঘণ্টা আগে
সকাল ৯টায় কাউন্সিলরদের নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাউন্সিলররা ভোট দেন। পরে বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে। তাই, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চায়। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্
১ দিন আগে
অতীতে নুসরাত, তনু ও খাদিজার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার কথা স্মরণ করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
১ দিন আগে