
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
গতকাল সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশে চলমান সংস্কার কার্যক্রম, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৩৫ শতাংশ শুল্ক, নির্বাচন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, নারীর ক্ষমতায়ন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের কর্মকর্তা জেমস স্টুয়ার্ট, জামায়াত নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাইদা রুম্মান, মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মজলিসে শূরা সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা রহমান, আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
বৈঠক শেষে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশেষ করে সংস্কার, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং কোনো নিরাপত্তা হুমকি আছে কি-না, তা জানতে চেয়েছেন। সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে তাদের অবস্থান জানতে চেয়েছেন।
তিনি বলেন, 'আমরা ক্লিয়ার বলে দিয়েছি যে, আমরা একটা ফেয়ার (অবাধ) ইলেকশন চাচ্ছি। আমরা বেসিক রিফর্মস ( মৌলিক সংস্কার) চাই। বাংলাদেশে আর যেন কোনো দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজির রাজনীতি ফিরে না আসে, সে ব্যাপারে আমরা জিরো ভূমিকায় আছি। আমরা করাপশন ফ্রি (দুর্নীতিমুক্ত) একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই।
এছাড়াও বৈঠকে জামায়াত গণতন্ত্র, বৈদেশিক কূটনীতি নিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরেছে।
তাহের বলেন, আমীরে জামায়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ট্যারিফ নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও সরকারকে বিশেষ অনুরোধ করেছেন, যেন ট্যারিফ কমিয়ে একটা সহনীয় পর্যায় আনা হয়।
বাংলাদেশে জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, 'এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান খুব পরিষ্কার। মানবতাবিরোধী, আমাদের কালচারবিরোধী, আমাদের ধর্মীয় অনুশাসন বিরোধী যদি কোনো কিছু থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা এটার বিরোধিতা করব এবং আমরা বিরোধিতা করছি।'
সৌজন্য বৈঠক শেষে মহিলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূতকে একটি জামদানি শাড়ি উপহার দেওয়া হয়।

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
গতকাল সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশে চলমান সংস্কার কার্যক্রম, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৩৫ শতাংশ শুল্ক, নির্বাচন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, নারীর ক্ষমতায়ন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের কর্মকর্তা জেমস স্টুয়ার্ট, জামায়াত নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাইদা রুম্মান, মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মজলিসে শূরা সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা রহমান, আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
বৈঠক শেষে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশেষ করে সংস্কার, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং কোনো নিরাপত্তা হুমকি আছে কি-না, তা জানতে চেয়েছেন। সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে তাদের অবস্থান জানতে চেয়েছেন।
তিনি বলেন, 'আমরা ক্লিয়ার বলে দিয়েছি যে, আমরা একটা ফেয়ার (অবাধ) ইলেকশন চাচ্ছি। আমরা বেসিক রিফর্মস ( মৌলিক সংস্কার) চাই। বাংলাদেশে আর যেন কোনো দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজির রাজনীতি ফিরে না আসে, সে ব্যাপারে আমরা জিরো ভূমিকায় আছি। আমরা করাপশন ফ্রি (দুর্নীতিমুক্ত) একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই।
এছাড়াও বৈঠকে জামায়াত গণতন্ত্র, বৈদেশিক কূটনীতি নিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরেছে।
তাহের বলেন, আমীরে জামায়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ট্যারিফ নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও সরকারকে বিশেষ অনুরোধ করেছেন, যেন ট্যারিফ কমিয়ে একটা সহনীয় পর্যায় আনা হয়।
বাংলাদেশে জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, 'এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান খুব পরিষ্কার। মানবতাবিরোধী, আমাদের কালচারবিরোধী, আমাদের ধর্মীয় অনুশাসন বিরোধী যদি কোনো কিছু থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা এটার বিরোধিতা করব এবং আমরা বিরোধিতা করছি।'
সৌজন্য বৈঠক শেষে মহিলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূতকে একটি জামদানি শাড়ি উপহার দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে