
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দেশে ফিরবেন। এর মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের ১৭ বছরের প্রবাস জীবনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সংগ্রামী নেতা, দেশের গণমানুষের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ তারেক রহমান, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আগামী ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার মাটিতে আমাদের মাঝে এসে পৌঁছাবেন।’
তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা চলছে দীর্ঘ দিন ধরেই। এর আগে বিএনপি নেতারা একাধিকবার বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে পারেন। তবে নভেম্বর মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি আসেননি।
এর মধ্যে তারেক রহমানের মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে নতুন করে তার দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই সময় তারেক নিজেই জানান, রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তিনি মায়ের এমন শারীরিক অবস্থাতেও দেশে ফিরতে পারছেন না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত তার একার নিয়ন্ত্রণে নেই বলেও জানান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার করণে তারেক রহমানের দেশে ফেরা বিলম্বিত হয়ে থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তিনি দেশে ফিরতে পারেন। তফসিল ঘোষণার পরদিনই সিদ্ধান্ত এলো, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
২০০৭ সালে এক-এগারোর সময় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। এরপর ১৭ বছর ধরে সেখানেই রয়েছেন তিনি।
শুক্রবার রাতের সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১৮ বছর ধরে তারেক রহমান বিদেশে নির্বাসিত। আমরা দলের পক্ষ থেকে তার আগমনকে শুধু স্বাগত নয়, আনন্দের সঙ্গে পুরো জাতিকে জানাতে চাই। গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যত বাধা ছিল, তারেক রহমান দেশে ফিরলে সেই বাধা দূর হয়ে যাবে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সংসদ নির্বাচন হবে। তারপরও নির্বাচন নিয়ে আমাদের যতটুকু শঙ্কা ছিল, তফসিলের পর সেটা কেটে গেছে। তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে ভোটের যে ট্রেন চলতে শুরু করেছে, দেশের মানুষের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটা বাস্তবায়িত হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দেশে ফিরবেন। এর মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের ১৭ বছরের প্রবাস জীবনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সংগ্রামী নেতা, দেশের গণমানুষের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ তারেক রহমান, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আগামী ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার মাটিতে আমাদের মাঝে এসে পৌঁছাবেন।’
তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা চলছে দীর্ঘ দিন ধরেই। এর আগে বিএনপি নেতারা একাধিকবার বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে পারেন। তবে নভেম্বর মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি আসেননি।
এর মধ্যে তারেক রহমানের মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে নতুন করে তার দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই সময় তারেক নিজেই জানান, রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তিনি মায়ের এমন শারীরিক অবস্থাতেও দেশে ফিরতে পারছেন না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত তার একার নিয়ন্ত্রণে নেই বলেও জানান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার করণে তারেক রহমানের দেশে ফেরা বিলম্বিত হয়ে থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তিনি দেশে ফিরতে পারেন। তফসিল ঘোষণার পরদিনই সিদ্ধান্ত এলো, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
২০০৭ সালে এক-এগারোর সময় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। এরপর ১৭ বছর ধরে সেখানেই রয়েছেন তিনি।
শুক্রবার রাতের সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১৮ বছর ধরে তারেক রহমান বিদেশে নির্বাসিত। আমরা দলের পক্ষ থেকে তার আগমনকে শুধু স্বাগত নয়, আনন্দের সঙ্গে পুরো জাতিকে জানাতে চাই। গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যত বাধা ছিল, তারেক রহমান দেশে ফিরলে সেই বাধা দূর হয়ে যাবে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সংসদ নির্বাচন হবে। তারপরও নির্বাচন নিয়ে আমাদের যতটুকু শঙ্কা ছিল, তফসিলের পর সেটা কেটে গেছে। তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে ভোটের যে ট্রেন চলতে শুরু করেছে, দেশের মানুষের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটা বাস্তবায়িত হবে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে