
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি।’
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুস সালাম। এতে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আশপাশের এলাকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারেক রহমান উপস্থিত হওয়ার আগেই পুরো মাঠ লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কড়াইল বস্তি, মহাখালীও এই আসনের অন্তর্ভুক্ত।
বক্তব্যে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তারেক রহমান জানান, একসময় ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় থাকতেন। সেই বাড়ি যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, তিনি তা ভুলে যাননি। এসব অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেন এবং কড়াইলবাসীর জন্য কাজ করতে চান।
এ ছাড়া কড়াইলবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি জিয়াউর রহমানের সন্তান, খালেদা জিয়ার সন্তান। কিন্তু এই পরিচয়ের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমি আপনাদেরই সন্তান। আমি বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় মা-বোনদের শিক্ষার প্রসারে বিনামূল্যে নানান উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একইভাবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসী বহুভাবে উপকৃত হয়েছে।’
বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মা-বোনদের স্বাবলম্বী করা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই। কৃষকদের জন্যও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আপনারা যদি আমাদের সুযোগ দেন, আমরা এই ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়ন করব।’
বস্তিবাসীদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমার যেমন সন্তান আছে, আপনাদেরও সন্তান আছে। আমরা চাই করাইলের সন্তানেরা বিদেশি ভাষায় কথা বলতে শিখুক, উন্নত চিকিৎসাসেবা পাক।’ এজন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এ ছাড়া তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে করাইলবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ‘আল্লাহ যদি রহম করেন এবং আপনারা দোয়া করেন, তাহলে আমরা এসব কাজ বাস্তবায়ন করতে পারব।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি।’
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দোয়া মাহফিলটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুস সালাম। এতে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আশপাশের এলাকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারেক রহমান উপস্থিত হওয়ার আগেই পুরো মাঠ লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কড়াইল বস্তি, মহাখালীও এই আসনের অন্তর্ভুক্ত।
বক্তব্যে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তারেক রহমান জানান, একসময় ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় থাকতেন। সেই বাড়ি যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, তিনি তা ভুলে যাননি। এসব অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেন এবং কড়াইলবাসীর জন্য কাজ করতে চান।
এ ছাড়া কড়াইলবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি জিয়াউর রহমানের সন্তান, খালেদা জিয়ার সন্তান। কিন্তু এই পরিচয়ের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমি আপনাদেরই সন্তান। আমি বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় মা-বোনদের শিক্ষার প্রসারে বিনামূল্যে নানান উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একইভাবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসী বহুভাবে উপকৃত হয়েছে।’
বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মা-বোনদের স্বাবলম্বী করা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই। কৃষকদের জন্যও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আপনারা যদি আমাদের সুযোগ দেন, আমরা এই ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়ন করব।’
বস্তিবাসীদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমার যেমন সন্তান আছে, আপনাদেরও সন্তান আছে। আমরা চাই করাইলের সন্তানেরা বিদেশি ভাষায় কথা বলতে শিখুক, উন্নত চিকিৎসাসেবা পাক।’ এজন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এ ছাড়া তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে করাইলবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ‘আল্লাহ যদি রহম করেন এবং আপনারা দোয়া করেন, তাহলে আমরা এসব কাজ বাস্তবায়ন করতে পারব।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা, হয়রানি ও অবমাননার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজকে আরো দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে।একই সঙ্গে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।’
৩ দিন আগে
আফরোজা আব্বাস বলেন, রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে নারীরা ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল, এখন একটা জায়গায় আমরা এসেছি। এখন যদি আমাদের মূল্যায়ন না করা হয়, তাহলে কষ্ট থেকেই যায়। আশা করি, সবাই মূল্যায়ন পাবে। নারীদের মূল্যায়ন করলে দেশের উন্নয়ন হবে। মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
৪ দিন আগে
ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরে দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’
৪ দিন আগে
অলটারনেটিভস’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নতুন রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামী দিনে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম প
৪ দিন আগে