
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের তেমন কোনো বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আবু তাহের। তিনি বলেছেন, জামায়াত ও বিএনপি জাতির কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফারনান্দো দিয়াস ফেরেস। সাক্ষাৎ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির বিরোধ নেই। ছোট ছোট বিষয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন দিকে কথা বলছেন। বিএনপির নজরুল ইসলাম খান সরাসরি বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের কোনো বিরোধ নেই। জামায়াতে ইসলামীও বিএনপির সঙ্গে কোনো বিরোধ অনুভব করে না।
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। ব্রাজিল যেসব পণ্য রপ্তানি করে, সেগুলো কীভাবে পাঠাতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য ও গার্মেন্টস পণ্য কীভাবে রপ্তানি করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ব্রাজিলের বড় কোনো অর্থায়ন বাংলাদেশে নেই। আমরা বলেছি ব্রাজিলের যেসব পণ্য দরকার সেসব পণ্যে যাতে তারা অর্থায়ন করে।
ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফারনান্দো দিয়াস ফেরেস বলেন, আমি এখানে এসে আনন্দিত।ভবিষ্যতের বিভিন্ন বিষয়ে আমরা আলাপ করেছি।
এর আগে সকালে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফারনান্দো দিয়াস ফেরেসকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।
এছাড়া সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।

বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের তেমন কোনো বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আবু তাহের। তিনি বলেছেন, জামায়াত ও বিএনপি জাতির কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফারনান্দো দিয়াস ফেরেস। সাক্ষাৎ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির বিরোধ নেই। ছোট ছোট বিষয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন দিকে কথা বলছেন। বিএনপির নজরুল ইসলাম খান সরাসরি বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের কোনো বিরোধ নেই। জামায়াতে ইসলামীও বিএনপির সঙ্গে কোনো বিরোধ অনুভব করে না।
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। ব্রাজিল যেসব পণ্য রপ্তানি করে, সেগুলো কীভাবে পাঠাতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য ও গার্মেন্টস পণ্য কীভাবে রপ্তানি করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ব্রাজিলের বড় কোনো অর্থায়ন বাংলাদেশে নেই। আমরা বলেছি ব্রাজিলের যেসব পণ্য দরকার সেসব পণ্যে যাতে তারা অর্থায়ন করে।
ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফারনান্দো দিয়াস ফেরেস বলেন, আমি এখানে এসে আনন্দিত।ভবিষ্যতের বিভিন্ন বিষয়ে আমরা আলাপ করেছি।
এর আগে সকালে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফারনান্দো দিয়াস ফেরেসকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।
এছাড়া সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে