
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত আছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এই বৈঠক শুরু হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৈঠকে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দলের আরও পাঁচ নেতা।
হাইকোর্টের এক রায়ের আলোকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল করেছিল। পরে গত ৩ আগস্ট দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল ওই সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্যও জোরেশোরে প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে দলটি। এ বিষয়ে শুনানি চলছে।
জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর এসব অপরাধের বিচারের উদ্যোগ নেয়। ওই সময় গঠন করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ বেশ কয়েকজন নেতার ফাঁসি হয়েছে।
ওই বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে অবশ্য জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ রয়েছে। দলটির দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নির্মূল করতে ওই সময় জামায়াত নেতাদের ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। বর্তমানে একই ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার চলছে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত আছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এই বৈঠক শুরু হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৈঠকে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দলের আরও পাঁচ নেতা।
হাইকোর্টের এক রায়ের আলোকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল করেছিল। পরে গত ৩ আগস্ট দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল ওই সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্যও জোরেশোরে প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে দলটি। এ বিষয়ে শুনানি চলছে।
জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর এসব অপরাধের বিচারের উদ্যোগ নেয়। ওই সময় গঠন করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ বেশ কয়েকজন নেতার ফাঁসি হয়েছে।
ওই বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে অবশ্য জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ রয়েছে। দলটির দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নির্মূল করতে ওই সময় জামায়াত নেতাদের ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। বর্তমানে একই ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার চলছে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ‘বিরোধী দল ও মত দমন কমিশন’ বরে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলনের বিরোধিতা করে তিনি বলেছেন, এই আইন কার্যকর হলে তা জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে পিছিয়ে দেবে।
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলছেন, বিএনপি বিলটি পাশ করে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং তার মতে, "আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে তো দুনিয়ার সব স্বৈরশাসককেই সম্মান করতে হবে"।
৩ দিন আগে
নেপালের তরুণ প্রজন্মের মতো করে বাংলাদেশেও তরুণ প্রজন্মের উত্তাল বিক্ষোভ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। তবে প্রায় দুই বছর হতে চললেও বাংলাদেশ তরুণদের আন্দোলন এখন পর্যন্ত তেমন অর্থবহ রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
৩ দিন আগে