
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০০৯ সালে পিলখানায় সেনাহত্যার ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন এবং পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে। আমরা নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ও তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। সেই সঙ্গে তাদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার এই দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনায় অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়ে কারাগারে আটক রাখে। অনেকে নির্দোষ প্রমাণ হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের মুক্তি মেলেনি।
এই জামায়াত নেতা আরও বলেন, গত আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারের পতন ঘটে। দেশ আজ স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভ করেছে। জনগণ ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সেনা হত্যার নির্মম ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চায়। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পুনরায় এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে এই নির্মম ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। যে সব নিরীহ-নিরপরাধ ব্যক্তি কারাগারে আটক আছেন, তাদের অবিলম্বে মুক্তি এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ নিয়ে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের আহ্বানও জানান তিনি।

২০০৯ সালে পিলখানায় সেনাহত্যার ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন এবং পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে। আমরা নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ও তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। সেই সঙ্গে তাদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার এই দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনায় অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়ে কারাগারে আটক রাখে। অনেকে নির্দোষ প্রমাণ হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের মুক্তি মেলেনি।
এই জামায়াত নেতা আরও বলেন, গত আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারের পতন ঘটে। দেশ আজ স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভ করেছে। জনগণ ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সেনা হত্যার নির্মম ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চায়। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পুনরায় এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে এই নির্মম ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। যে সব নিরীহ-নিরপরাধ ব্যক্তি কারাগারে আটক আছেন, তাদের অবিলম্বে মুক্তি এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ নিয়ে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের আহ্বানও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১৭ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
১৯ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
১ দিন আগে