
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের বঞ্চনা নিরসনে কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে সাবেক অর্থসচিব ও বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী জাকির আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটির সদস্যদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে—জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত চাকরিতে নানাভাবে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক যথাবিহিত সুপারিশ প্রণয়নের জন্য নিম্নরূপ কমিটি গঠন করা হলো।
এই কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), অর্থ বিভাগের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) এবং আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি (যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) থাকবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই কমিটির কার্যপরিধি হবে—এই কমিটি আবেদন পেশের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে এবং প্রতিকারের বিষয়ে সুপারিশ পর্যায়ক্রমে বা একসঙ্গে দাখিল করতে পারবে, আদালতের সুস্পষ্ট আদেশ রয়েছে এরূপ বিষয়াদি কমিটির আওতাবহির্ভূত থাকবে এবং কমিটি অনধিক তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে দাখিল করবে।
এ ছাড়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কমিটির জন্য একটি যথোপযুক্ত দপ্তর ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস প্রদানের ব্যবস্থা করবে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কমিটি প্রধানের অনুকূলে সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য একটি যথোপযুক্ত যানবাহনের ব্যবস্থা করবে এবং সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সভার সদস্যগণ প্রতি সভার জন্য যেরূপ সম্মানী পেয়ে থাকেন, এ কমিটির সদস্যগণ একই খাত থেকে সমপরিমাণ সম্মানী প্রাপ্য হবেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের বঞ্চনা নিরসনে কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে সাবেক অর্থসচিব ও বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী জাকির আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটির সদস্যদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে—জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত চাকরিতে নানাভাবে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক যথাবিহিত সুপারিশ প্রণয়নের জন্য নিম্নরূপ কমিটি গঠন করা হলো।
এই কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়), অর্থ বিভাগের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) এবং আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি (যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার নিচে নয়) থাকবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই কমিটির কার্যপরিধি হবে—এই কমিটি আবেদন পেশের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে এবং প্রতিকারের বিষয়ে সুপারিশ পর্যায়ক্রমে বা একসঙ্গে দাখিল করতে পারবে, আদালতের সুস্পষ্ট আদেশ রয়েছে এরূপ বিষয়াদি কমিটির আওতাবহির্ভূত থাকবে এবং কমিটি অনধিক তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে দাখিল করবে।
এ ছাড়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কমিটির জন্য একটি যথোপযুক্ত দপ্তর ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস প্রদানের ব্যবস্থা করবে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কমিটি প্রধানের অনুকূলে সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য একটি যথোপযুক্ত যানবাহনের ব্যবস্থা করবে এবং সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সভার সদস্যগণ প্রতি সভার জন্য যেরূপ সম্মানী পেয়ে থাকেন, এ কমিটির সদস্যগণ একই খাত থেকে সমপরিমাণ সম্মানী প্রাপ্য হবেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘একটি দল বিভাজন আনার চেষ্টা করছে। এ বিভাজনগুলো আমাদের সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। হিংসা বিদ্বেষ তৈরি করে। একটি শব্দ যেটিকে আমরা ঘৃণা করি। এ শব্দটাকে আমাদের সকলের ঘৃণা করা উচিত। মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব আরও বেশি করে সৃষ্টি করা উচিত।’
১ দিন আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুত কীভাবে আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এটাই ছিল মূল আলোচনা। খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে যেতে চেষ্টা করব।’
১ দিন আগে
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।
২ দিন আগে
আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন করা বৈধ, আর জনগণের ভোটে সংস্কার হবে সেটাকে বলে অবৈধ। এমন দ্বিচারিতা বাংলাদেশের মানুষ সহ্য করবে না। আমরা সংস্কার পরিষদের কথা বলছি। এটা নতুন কোনো কথা নয়। ঐকমত্য কমিশনে ৩০টির মতো রাজনৈতিক দল সংবিধানের টেকসই পরিবর্তনের জন্য সংস্কার সাধনের জন্য সংস্কারকে টেকসই করার
২ দিন আগে