
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য। নির্বাচনি এই জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছ, ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময় কারচুপি করে তাদের কয়েকজন প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে জোটের নেতারা বলেন, বাধ্য করা হলে তারা রাজপথে নামবেন।
নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জোটের নেতারা ভোট নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। এর আগে ওই কার্যালয়েই প্রায় চার ঘণ্টা ধরে বৈঠক করে জোটের অধীন দলগুলো।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, যেভাবেই পাক না কেন, এ নিয়ে আমাদের যথেষ্ট আপত্তি আছে। দায় মূলত তাদেরই নিতে হবে। আমাদের যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও আমরা নামব।
ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ করে শফিকুর রহমান বলেন, বেশ কিছু জায়গায় ফলাফল প্রচার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। দুই-চার ঘণ্টা হঠাৎ লাপাত্তা। প্রথমে দেখা গেল ১১ দলীয় প্রার্থী এগিয়ে আছেন হাজার হাজার ভোটে। কিন্তু এরপরে হঠাৎ নাই। আমাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে বিভিন্ন জায়গায় রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা করা হয়েছে।
ভোটের পরদিন ১১ দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, আমরা গতকাল ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জানানোর পরও আজ বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের কর্মী-সমর্থক, এজেন্ট, ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা ফ্যাসিবাদী তৎপরতা। এখনই এগুলো বন্ধ করতে হবে। না হলে আমরা বাধ্য হব যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে।
কিছু আসনে ‘দ্বৈতনীতি’ অবলম্বনের অভিযোগ তুলে শফিকুর রহমান আরও বলেন, ঢাকা-৮-এ কেন্দ্র দখল করে এক নেতার আপনজনের নেতৃত্বে যা হয়েছে তা দেখেছে সবাই। নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর ওই আসনে যে কারণ থাকার পরেও এক প্রার্থীর ব্যালট গ্রহণ করা হয়েছে, ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হক সাহেবের সঙ্গে সেই একই ঘটনা ঘটলেও সেটা গ্রহণ করা হয়নি। এক দেশে কি দুই আইন চলবে? নির্বাচন কমিশন কি একেক জায়গায় একেক আইনের প্রয়োগ করবে?
রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে জামায়াত আমির আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি প্রতিকার না পাই তাহলে এখানেও আমরা বাধ্য হব আমাদের পথ ধরতে। আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশনের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তারা ইনসাফ করবে। না হলে দায় তাদের নিতে হবে।
খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা মঞ্জুরের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ৫৯ জনের ঋণের দায় থাকা সত্ত্বেও তাদের নির্বাচনেযোগ্য ঘোষণা করা হয়। দুর্নীতির সঙ্গে আমাদের কোনো আপস নেই। নির্বাচন কমিশনকে আমরা অনুরোধ জানাব, আরপিও যাদের কাভার করে না তাদের ফল স্থগিত করে এর সুরাহা করে তারপরে আপনারা আগান।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। এই নির্বাচনে সু্পষ্টভাবে ফলে কারচুপি হয়েছে। ভোট একটা পর্যায় পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে হয়েছিল। যখন ফল ঘোষণার সময় হয়েছিল তখন সুনির্দিষ্টভাবে অনেকগুলো আসন লক্ষ্য করে সেটার ফল পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র দখল করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে ফল পরিবর্তন করা হয়েছে।
কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলার অভিযোগ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যারা নির্বাচনের পরদিনই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাড়িঘরে হামলা, হুমকি দিয়ে এলাকাছাড়া করেছে তাদের কাছে দেশের জনগণ কী করে নিরাপদে থাকবে, সে প্রশ্ন উঠেছে।
মামুনুল হক বলেন, ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে, ভোট যেভাবে গ্রহণ করা হয়েছে গণনা তার উল্টোভাবে করা হয়েছে। সেখানে জনরায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়েছে।
বহুল আকাঙ্ক্ষিত এ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে ২০৯ আসনে জয় নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। দলটির নেতৃত্বাধীন জোটের তিন দল পেয়েছে আরও তিনটি আসন।
এদিকে ভোটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮ আসন পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের জোটসঙ্গীদের মধ্যে এনিসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুইটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসন পেয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য। নির্বাচনি এই জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছ, ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময় কারচুপি করে তাদের কয়েকজন প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে জোটের নেতারা বলেন, বাধ্য করা হলে তারা রাজপথে নামবেন।
নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জোটের নেতারা ভোট নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। এর আগে ওই কার্যালয়েই প্রায় চার ঘণ্টা ধরে বৈঠক করে জোটের অধীন দলগুলো।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, যেভাবেই পাক না কেন, এ নিয়ে আমাদের যথেষ্ট আপত্তি আছে। দায় মূলত তাদেরই নিতে হবে। আমাদের যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও আমরা নামব।
ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ করে শফিকুর রহমান বলেন, বেশ কিছু জায়গায় ফলাফল প্রচার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। দুই-চার ঘণ্টা হঠাৎ লাপাত্তা। প্রথমে দেখা গেল ১১ দলীয় প্রার্থী এগিয়ে আছেন হাজার হাজার ভোটে। কিন্তু এরপরে হঠাৎ নাই। আমাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে বিভিন্ন জায়গায় রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা করা হয়েছে।
ভোটের পরদিন ১১ দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, আমরা গতকাল ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জানানোর পরও আজ বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের কর্মী-সমর্থক, এজেন্ট, ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা ফ্যাসিবাদী তৎপরতা। এখনই এগুলো বন্ধ করতে হবে। না হলে আমরা বাধ্য হব যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে।
কিছু আসনে ‘দ্বৈতনীতি’ অবলম্বনের অভিযোগ তুলে শফিকুর রহমান আরও বলেন, ঢাকা-৮-এ কেন্দ্র দখল করে এক নেতার আপনজনের নেতৃত্বে যা হয়েছে তা দেখেছে সবাই। নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর ওই আসনে যে কারণ থাকার পরেও এক প্রার্থীর ব্যালট গ্রহণ করা হয়েছে, ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হক সাহেবের সঙ্গে সেই একই ঘটনা ঘটলেও সেটা গ্রহণ করা হয়নি। এক দেশে কি দুই আইন চলবে? নির্বাচন কমিশন কি একেক জায়গায় একেক আইনের প্রয়োগ করবে?
রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে জামায়াত আমির আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি প্রতিকার না পাই তাহলে এখানেও আমরা বাধ্য হব আমাদের পথ ধরতে। আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশনের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তারা ইনসাফ করবে। না হলে দায় তাদের নিতে হবে।
খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা মঞ্জুরের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ৫৯ জনের ঋণের দায় থাকা সত্ত্বেও তাদের নির্বাচনেযোগ্য ঘোষণা করা হয়। দুর্নীতির সঙ্গে আমাদের কোনো আপস নেই। নির্বাচন কমিশনকে আমরা অনুরোধ জানাব, আরপিও যাদের কাভার করে না তাদের ফল স্থগিত করে এর সুরাহা করে তারপরে আপনারা আগান।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। এই নির্বাচনে সু্পষ্টভাবে ফলে কারচুপি হয়েছে। ভোট একটা পর্যায় পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে হয়েছিল। যখন ফল ঘোষণার সময় হয়েছিল তখন সুনির্দিষ্টভাবে অনেকগুলো আসন লক্ষ্য করে সেটার ফল পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র দখল করে প্রশাসনকে ব্যবহার করে ফল পরিবর্তন করা হয়েছে।
কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলার অভিযোগ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যারা নির্বাচনের পরদিনই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাড়িঘরে হামলা, হুমকি দিয়ে এলাকাছাড়া করেছে তাদের কাছে দেশের জনগণ কী করে নিরাপদে থাকবে, সে প্রশ্ন উঠেছে।
মামুনুল হক বলেন, ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে, ভোট যেভাবে গ্রহণ করা হয়েছে গণনা তার উল্টোভাবে করা হয়েছে। সেখানে জনরায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়েছে।
বহুল আকাঙ্ক্ষিত এ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে ২০৯ আসনে জয় নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। দলটির নেতৃত্বাধীন জোটের তিন দল পেয়েছে আরও তিনটি আসন।
এদিকে ভোটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮ আসন পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের জোটসঙ্গীদের মধ্যে এনিসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুইটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসন পেয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্যই আমার পথচলা শুরু। এটি কোনো একক নির্বাচনী লড়াই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতন নাগরিকত্বের চর্চাই ভবিষ্যৎ রাজনীতির ভিত্তি হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯ আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে বিজয়ী হয়েছে। ১১ দলীয় জোট থেকে আরো কয়েকজন প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার পাশে ছিল সাধারণ মানুষ। তাদের সমর্থন ও আস্থার কারণেই আমি বিজয়ী হয়েছি।
৯ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোটের প্রার্থীরা ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন।
৯ ঘণ্টা আগে