
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, ‘অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বাধা হলো কালো টাকার খেলা। আগে যে মনোনয়নপত্রের জামানত ছিল ২০ হাজার টাকা, সেটা বাড়িয়ে এবার ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। আর নির্বাচনী ব্যয় বাড়িয়ে যা করা হয়েছে, তাতে সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষের পক্ষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী জাতীয় সংসদও কালো টাকার মালিক, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মাফিয়াদের ক্লাবে পরিণত হবে।’
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান ও মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম ও সিকদার হারুন মাহমুদ, সংগঠক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, যুবরান আলী জুয়েল, স্বাধীন মিয়া ও আরিফুল ইসলাম আরিফ।
সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল হক বলেন, ‘নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, জনমনে ততই সংশয়, উদ্বেগ ও আশঙ্কা বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা ঘটছে। যা রীতিমতো আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির চরম অবনতির প্রমাণ। কোনো কোনো এলাকায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া চলেছে, গোলাগুলির মতো ঘটনাও ঘটছে।
একেকজন প্রার্থী ইতোমধ্যে হাজার হাজার বিলবোর্ড, ফেস্টুন, নানা রঙের পোস্টার সাটিয়ে কোটি কোটি টাকাও খরচ করেছেন। নানা রকম লোভ, প্রলোভন দেখিয়ে ও অগ্রিম মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করে ভোটের আগেই বেশুমার টাকা খরছ করে ফেলেছেন। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। যা হবে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলসমূহের বিরাট পরাজয়।’ নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। আগামী ১২ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পার্টির মনোনয়ন ফরম দেওয়া শুরু হবে। পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, ‘অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বাধা হলো কালো টাকার খেলা। আগে যে মনোনয়নপত্রের জামানত ছিল ২০ হাজার টাকা, সেটা বাড়িয়ে এবার ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। আর নির্বাচনী ব্যয় বাড়িয়ে যা করা হয়েছে, তাতে সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষের পক্ষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী জাতীয় সংসদও কালো টাকার মালিক, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মাফিয়াদের ক্লাবে পরিণত হবে।’
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান ও মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম ও সিকদার হারুন মাহমুদ, সংগঠক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, যুবরান আলী জুয়েল, স্বাধীন মিয়া ও আরিফুল ইসলাম আরিফ।
সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল হক বলেন, ‘নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, জনমনে ততই সংশয়, উদ্বেগ ও আশঙ্কা বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা ঘটছে। যা রীতিমতো আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির চরম অবনতির প্রমাণ। কোনো কোনো এলাকায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া চলেছে, গোলাগুলির মতো ঘটনাও ঘটছে।
একেকজন প্রার্থী ইতোমধ্যে হাজার হাজার বিলবোর্ড, ফেস্টুন, নানা রঙের পোস্টার সাটিয়ে কোটি কোটি টাকাও খরচ করেছেন। নানা রকম লোভ, প্রলোভন দেখিয়ে ও অগ্রিম মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করে ভোটের আগেই বেশুমার টাকা খরছ করে ফেলেছেন। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। যা হবে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলসমূহের বিরাট পরাজয়।’ নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। আগামী ১২ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পার্টির মনোনয়ন ফরম দেওয়া শুরু হবে। পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে জনসাধারণ বিশেষ করে মা-বোনেরা যেভাবে ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে তাঁকে মালা উপহার দিয়েছিলেন, সেই ভালোবাসার ঋণ তিনি ভুলতে পারেননি। তিনি জানান, বিগত নির্বাচনগুলোতে তিনি কথা বলতে পারেননি, শুধু কেঁদেছেন। এবার একটি সুয
১২ ঘণ্টা আগে
মাহদী আমিন বলেন, এই সংঘাত কি এড়ানো যেত কিনা, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল? সেই দলের লোক কেন সেখানে লাঠিশোঠা জড়ো করল? সবার সম্মিলিত অনুরোধ উপেক্ষা করে সেই দলের প্রার্থী কেন সংঘাতের পথ বেছে নিলেন, এসব বিষয় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র বাস্তব ও টেকসই সমাধান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
১২ ঘণ্টা আগে
উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং এসব ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দলটি। দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে