
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণ ‘টেক ব্যাকে নয়, মুভ অন বাংলাদেশে’ বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
তিনি বলেছেন, মুভ অন বাংলাদেশ মানে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা বিএনপির টেক ব্যাকে বিশ্বাস করি না। যারা পেছনে টেনে ধরতে চায়, খামছে ধরতে চায়, তাদের প্রতিহত করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
রোববার দুপুর ১২টায় পুরান ঢাকার ধোলাইখালে এক প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি-জামায়াতের অবৈধ অবরোধের প্রতিবাদে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে পুরান ঢাকার বিভিন্ন থানা-ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এ দেশকে স্বনির্ভর করে তুলছে, এ দেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে, সারা বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে; সেই মুহূর্তে বিএনপি স্লোগান দিচ্ছে ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ।’
ডিএসসিসির সাবেক মেয়র বলেন, যারা প্রিয় মাতৃভূমি এবং মাতৃভূমির উন্নয়নকে টেনে হিঁচড়ে পিছিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাদের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে তাদের ধিক্কার জানাই। শুধু ধিক্কার জানালেই চলবে না, এই অপশক্তিকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াত ১৭ কোটি মানুষকে অবরোধ করার কর্মসূচি দিয়েছে। তারা মানুষ পুড়িয়ে, বাস পুড়িয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। তারা ভূতের পায়ের উপর ভর করে উল্টো পথে এগিয়ে যেতে চায়। তারা এ দেশকে ধ্বংস করতে চায়। তারা তাণ্ডবলীলা চালিয়ে উন্মাদের মতো আচরণ করছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে।
এ সময় তিনি শেখ হাসিনার নির্দেশ, মুভ অন বাংলাদেশ স্লোগান দেন। প্রতিবাদ সভা শেষে দুপুর ১টার দিকে সাঈদ খোকনের নেতৃত্বে পুরান ঢাকার ধোলাইখাল থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি ইংলিশ রোড, তাঁতীবাজার মোড় ঘুরে নর্থ-সাউথ রোডে গিয়ে শেষ হয়।

জনগণ ‘টেক ব্যাকে নয়, মুভ অন বাংলাদেশে’ বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
তিনি বলেছেন, মুভ অন বাংলাদেশ মানে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা বিএনপির টেক ব্যাকে বিশ্বাস করি না। যারা পেছনে টেনে ধরতে চায়, খামছে ধরতে চায়, তাদের প্রতিহত করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
রোববার দুপুর ১২টায় পুরান ঢাকার ধোলাইখালে এক প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি-জামায়াতের অবৈধ অবরোধের প্রতিবাদে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে পুরান ঢাকার বিভিন্ন থানা-ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এ দেশকে স্বনির্ভর করে তুলছে, এ দেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে, সারা বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে; সেই মুহূর্তে বিএনপি স্লোগান দিচ্ছে ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ।’
ডিএসসিসির সাবেক মেয়র বলেন, যারা প্রিয় মাতৃভূমি এবং মাতৃভূমির উন্নয়নকে টেনে হিঁচড়ে পিছিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাদের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে তাদের ধিক্কার জানাই। শুধু ধিক্কার জানালেই চলবে না, এই অপশক্তিকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াত ১৭ কোটি মানুষকে অবরোধ করার কর্মসূচি দিয়েছে। তারা মানুষ পুড়িয়ে, বাস পুড়িয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। তারা ভূতের পায়ের উপর ভর করে উল্টো পথে এগিয়ে যেতে চায়। তারা এ দেশকে ধ্বংস করতে চায়। তারা তাণ্ডবলীলা চালিয়ে উন্মাদের মতো আচরণ করছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে।
এ সময় তিনি শেখ হাসিনার নির্দেশ, মুভ অন বাংলাদেশ স্লোগান দেন। প্রতিবাদ সভা শেষে দুপুর ১টার দিকে সাঈদ খোকনের নেতৃত্বে পুরান ঢাকার ধোলাইখাল থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলে আওয়ামী লীগের হাজারো নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি ইংলিশ রোড, তাঁতীবাজার মোড় ঘুরে নর্থ-সাউথ রোডে গিয়ে শেষ হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে
সিলেটে জামায়াতের জনসভায় দলটির আমিরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জামায়াতের নেতার উচিত নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র আগে ভালোভাবে পড়া।
২ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে
বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে