
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের নারীদের ৫ থেকে ৭ বছরের জন্য এই বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মার্টিন লুথার কিং যেমন বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’, তেমনি আমারও একটি ‘প্ল্যান’ আছে। সেই প্ল্যানের একটি বড় অংশ দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী অর্থাৎ নারীদের ঘিরে। এটিই হলো ফ্যামিলি কার্ড।”
বক্তব্যে তারেক রহমান স্পষ্ট করেন— এই কার্ডের সুবিধা আজীবনের জন্য নয়। প্রতিটি পরিবারকে ৫ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত টাকা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা হবে। গবেষণার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন পুরুষ সদস্যের তুলনায় একজন নারী বা গৃহিণীকে সহায়তা দিলে তিনি তা পরিবারের স্বাস্থ্য ও সন্তানদের শিক্ষার পেছনে সঠিকভাবে খরচ করেন।’
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘নারীদের হাতে অর্থ জমা হলে তারা ছোটখাটো বিনিয়োগ গড়ে তোলেন। এতে গ্রামের লোকাল ইকোনমি শক্তিশালী হয়। গ্রাম শক্তিশালী হলে উপজেলা, জেলা এবং পর্যায়ক্রমে পুরো দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।’
কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। সবাইকে একসাথে দেওয়া সম্ভব না হলেও গ্রাজুয়ালি বা পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। শুরুটা হবে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিতদের দিয়ে। দুর্নীতি এড়াতে এই কার্ড ব্যবস্থাকে ‘ইউনিভার্সাল’ বা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, সামর্থ্যবানরা (যেমন: ডিসি বা এসপির স্ত্রীরা) নিজ থেকেই এই সহায়তা গ্রহণ করবেন না, ফলে এটি প্রকৃত অভাবীদের কাছেই পৌঁছাবে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের নারীদের ৫ থেকে ৭ বছরের জন্য এই বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মার্টিন লুথার কিং যেমন বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’, তেমনি আমারও একটি ‘প্ল্যান’ আছে। সেই প্ল্যানের একটি বড় অংশ দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী অর্থাৎ নারীদের ঘিরে। এটিই হলো ফ্যামিলি কার্ড।”
বক্তব্যে তারেক রহমান স্পষ্ট করেন— এই কার্ডের সুবিধা আজীবনের জন্য নয়। প্রতিটি পরিবারকে ৫ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত টাকা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা হবে। গবেষণার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন পুরুষ সদস্যের তুলনায় একজন নারী বা গৃহিণীকে সহায়তা দিলে তিনি তা পরিবারের স্বাস্থ্য ও সন্তানদের শিক্ষার পেছনে সঠিকভাবে খরচ করেন।’
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘নারীদের হাতে অর্থ জমা হলে তারা ছোটখাটো বিনিয়োগ গড়ে তোলেন। এতে গ্রামের লোকাল ইকোনমি শক্তিশালী হয়। গ্রাম শক্তিশালী হলে উপজেলা, জেলা এবং পর্যায়ক্রমে পুরো দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।’
কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। সবাইকে একসাথে দেওয়া সম্ভব না হলেও গ্রাজুয়ালি বা পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। শুরুটা হবে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিতদের দিয়ে। দুর্নীতি এড়াতে এই কার্ড ব্যবস্থাকে ‘ইউনিভার্সাল’ বা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, সামর্থ্যবানরা (যেমন: ডিসি বা এসপির স্ত্রীরা) নিজ থেকেই এই সহায়তা গ্রহণ করবেন না, ফলে এটি প্রকৃত অভাবীদের কাছেই পৌঁছাবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
৫ দিন আগে
আমাদের মা-বোনেরা যারা অসহায়, যাদের স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না বা স্বামী মারা গেছে প্রত্যেকটি পরিবারের মেয়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক মা-বোন মাসে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। ইতিমধ্যে তারেক রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক
৫ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, আমার এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি সায়মা ম্যামের শ্রদ্ধেয় বাবা, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের নামের অপব্যবহার করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে, ম্যামকে অবহিত করলে ম্যাম তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দেন। এমনকি ম্যাম আমাকে জানান, যারা তার বাবার নামের অপব্যবহার করে অনিয়ম করার চেষ্টা করছে, তাদের
৫ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই আয়োজন তার সরকারি বাসভবন ২
৫ দিন আগে