
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমদু বলেছেন, এরা পাকিস্তানি বাহিনীর চেয়েও জঘন্য। পাকিস্তানের বাহিনী মানুষকে হত্যা করেছে, কিন্তু জীবন্ত পুড়িয়ে মারেনি। ২৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করা হয়েছিল, হাসপাতালে হামলা করা হয়েছিল, অ্যাম্বুলেন্সসহ গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। একজন পুলিশকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। যতদিন চোরাগোপ্তা হামলা চলবে, ততদিন চলবে গ্রেপ্তার অভিযান।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সোমবার দুপুরে বিএনপি অবরোধের প্রতিবাদে আয়োজিত সর্তক অবস্থান কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকারের কথা বলে যারা ধোয়া তোলেন— আমাদের দেশে মানবাধিকার সংগঠন, বুদ্ধিজীবী, যারা মাঝেমধ্যে বিবৃতি দেন, মির্জা ফখরুল সাহেবের জন্য বিবৃতি দিয়েছেন। তারা কেন আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিচ্ছেন না? পুলিশ হত্যার ঘটনায় কেন বিবৃতি দিচ্ছেন না? আমাদের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হলো সেটা বিরুদ্ধে কেন বিবৃতি দিচ্ছেন না? প্রধান বিচারপতি বাড়িতে হামলা, হাসপাতালে হামলা, এটা নিয়ে কেন বিবৃতি দিলেন না?
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রুহুল কবির রিজভী সাহেব গোপন আস্তানা থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করছেন। যেভাবে আল-কায়েদার প্রধান গোপনে থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করতেন, এখন রিজভী সাহেবও ঠিক আল কায়দার মতো কর্মসূচি ঘোষণা করেন। অবরোধের নামে গাড়ি পোড়াতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ। এ হচ্ছে তাদের কর্মসূচি। অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন, রিজভী সাহেব গোপন আস্তানা থেকে কর্মসূচি দিচ্ছেন এবং গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে তারপরও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ দেশে মানুষের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীল পরিবেশ রাখার জন্য শান্তিপূর্ণ অবস্থা নিয়েছি। সারাদেশে আমাদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছে।
তিনি বলেন, এখন দাবি উঠেছে প্রত্যেকটি সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। ২৮ তারিখ কিছু করতে না পেরে এখন পোশাক খাতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের সরকার পোশাকশ্রমিকদের ৫৬ শতাংশ বেতন বাড়িয়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করেছে, প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে। এক লাফে ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি।
এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান সিরাজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মোরশেদ হোসেন কামাল, মো. মিরাজ হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবির, দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ ও আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জগলুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমদু বলেছেন, এরা পাকিস্তানি বাহিনীর চেয়েও জঘন্য। পাকিস্তানের বাহিনী মানুষকে হত্যা করেছে, কিন্তু জীবন্ত পুড়িয়ে মারেনি। ২৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করা হয়েছিল, হাসপাতালে হামলা করা হয়েছিল, অ্যাম্বুলেন্সসহ গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। একজন পুলিশকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। যতদিন চোরাগোপ্তা হামলা চলবে, ততদিন চলবে গ্রেপ্তার অভিযান।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সোমবার দুপুরে বিএনপি অবরোধের প্রতিবাদে আয়োজিত সর্তক অবস্থান কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকারের কথা বলে যারা ধোয়া তোলেন— আমাদের দেশে মানবাধিকার সংগঠন, বুদ্ধিজীবী, যারা মাঝেমধ্যে বিবৃতি দেন, মির্জা ফখরুল সাহেবের জন্য বিবৃতি দিয়েছেন। তারা কেন আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিচ্ছেন না? পুলিশ হত্যার ঘটনায় কেন বিবৃতি দিচ্ছেন না? আমাদের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হলো সেটা বিরুদ্ধে কেন বিবৃতি দিচ্ছেন না? প্রধান বিচারপতি বাড়িতে হামলা, হাসপাতালে হামলা, এটা নিয়ে কেন বিবৃতি দিলেন না?
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রুহুল কবির রিজভী সাহেব গোপন আস্তানা থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করছেন। যেভাবে আল-কায়েদার প্রধান গোপনে থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করতেন, এখন রিজভী সাহেবও ঠিক আল কায়দার মতো কর্মসূচি ঘোষণা করেন। অবরোধের নামে গাড়ি পোড়াতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ। এ হচ্ছে তাদের কর্মসূচি। অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন, রিজভী সাহেব গোপন আস্তানা থেকে কর্মসূচি দিচ্ছেন এবং গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে তারপরও কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ দেশে মানুষের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীল পরিবেশ রাখার জন্য শান্তিপূর্ণ অবস্থা নিয়েছি। সারাদেশে আমাদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছে।
তিনি বলেন, এখন দাবি উঠেছে প্রত্যেকটি সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। ২৮ তারিখ কিছু করতে না পেরে এখন পোশাক খাতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের সরকার পোশাকশ্রমিকদের ৫৬ শতাংশ বেতন বাড়িয়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করেছে, প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে। এক লাফে ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি।
এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান সিরাজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মোরশেদ হোসেন কামাল, মো. মিরাজ হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবির, দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ ও আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জগলুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে কালের দাবি প্রকাশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, কবি, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সহযোদ্ধাসহ প্রায় তিন শতাধিক অতিথি অংশ নেন।
৩ দিন আগে
বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৪ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৪ দিন আগে