
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের দ্বিতীয় দফায় আলোচনা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ আলোচনা শুরু হয়।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আজকের বৈঠকে আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০, সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোর কার্যকারিতা, নিম্নকক্ষে নারী আসন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। মূলত সংবিধান সংস্কার কমিশনের যেসব সুপারিশ নিয়ে এখনও রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি, সেইসব বিষয়ে নিয়েই পর্বের আলোচনা আয়োজিত হচ্ছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে পৃথকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করলেও এবারই প্রথম একসঙ্গে সব দলের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের আলোচনাতেই সব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে। ফলে ঈদের পরও আলোচনা পর্ব অব্যাহত থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এসব কমিশন—সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও পুলিশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কমিশনগুলো তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলমান আলোচনা পর্বের ভিত্তিতে আগামী জুলাই মাসে একটি ‘জুলাই সনদ’ প্রকাশ করা হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের দ্বিতীয় দফায় আলোচনা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ আলোচনা শুরু হয়।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আজকের বৈঠকে আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০, সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোর কার্যকারিতা, নিম্নকক্ষে নারী আসন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। মূলত সংবিধান সংস্কার কমিশনের যেসব সুপারিশ নিয়ে এখনও রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি, সেইসব বিষয়ে নিয়েই পর্বের আলোচনা আয়োজিত হচ্ছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে পৃথকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করলেও এবারই প্রথম একসঙ্গে সব দলের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের আলোচনাতেই সব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে। ফলে ঈদের পরও আলোচনা পর্ব অব্যাহত থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এসব কমিশন—সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও পুলিশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কমিশনগুলো তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলমান আলোচনা পর্বের ভিত্তিতে আগামী জুলাই মাসে একটি ‘জুলাই সনদ’ প্রকাশ করা হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ‘বিরোধী দল ও মত দমন কমিশন’ বরে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলনের বিরোধিতা করে তিনি বলেছেন, এই আইন কার্যকর হলে তা জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে পিছিয়ে দেবে।
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলছেন, বিএনপি বিলটি পাশ করে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং তার মতে, "আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে তো দুনিয়ার সব স্বৈরশাসককেই সম্মান করতে হবে"।
৩ দিন আগে
নেপালের তরুণ প্রজন্মের মতো করে বাংলাদেশেও তরুণ প্রজন্মের উত্তাল বিক্ষোভ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। তবে প্রায় দুই বছর হতে চললেও বাংলাদেশ তরুণদের আন্দোলন এখন পর্যন্ত তেমন অর্থবহ রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
৪ দিন আগে