
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এবার বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পালা। প্রায় ২০ কোটি মানুষের জন্য বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সময় এসেছে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশকে নিরাপদ করতে বিএনপি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। এখন জনগণের সুদৃশ্য ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনাকেই আমি বলেছি—‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির পরিকল্পনায় দেশের চার কোটিরও বেশি তরুণ, অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এবং কোটি কোটি কৃষক-শ্রমিকের জন্য দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি সেক্টরের জন্য আলাদা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে একটি টেকসই ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়।
বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তারেক রহমান।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এবার বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পালা। প্রায় ২০ কোটি মানুষের জন্য বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সময় এসেছে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশকে নিরাপদ করতে বিএনপি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। এখন জনগণের সুদৃশ্য ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনাকেই আমি বলেছি—‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির পরিকল্পনায় দেশের চার কোটিরও বেশি তরুণ, অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এবং কোটি কোটি কৃষক-শ্রমিকের জন্য দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি সেক্টরের জন্য আলাদা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে একটি টেকসই ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়।
বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তারেক রহমান।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জামায়াত আমির বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তৈরি করা হচ্ছে।, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
১৪ ঘণ্টা আগে
পরিবারের সদস্যদের আগ্রহ ঈদের আগে মির্জা আব্বাসকে দেশে নিয়ে আসা। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০৩৬ সালের মধ্যে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারি দল হওয়ার স্বপ্ন দেখে বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জোটের আশায় বসে না থেকে এককভাবে দেশব্যাপী দলীয় সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
এই দুজনের প্রার্থিতা ঘিরে দুজনের দলের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। আলোচনা চলছে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও। এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনলাইন-অফলাইনে কথার লড়াইও থেমে নেই। ফলে দুজনের প্রার্থিতা জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর সংসদের জোটবদ্ধ থাকা জামায়াত ও এনসিপির সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব
২ দিন আগে