
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে কিনা তা ১৮ কোটি মানুষের কাছে আগে পরীক্ষা করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা শেষে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল, জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করে। অতীতে একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গনতন্ত্র চালু করেছিল শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তাই আমরা কেন একটি ফ্যাসিস্ট একটি দলকে নির্বাচন করবো? বিগত ১৫ বছর আওয়ামী বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করেছে।
মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জনগণকে পাক হানাদার বাহিনীর মুখে ফেলে দিয়ে কাপুরুষের মতো সীমান্ত পাড়ি দিয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে সংসদে ১১ মিনিটের ব্যবধানে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। আবার তারা গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ অলিখিত 'বাকশাল টু' কায়েম করেছিল।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পালিয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়, তারা বাধ্য হয়েছে ২০২৪ সালে ঠিক যেভাবে তারা ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের মুখে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে পাকা হানাদার বাহিনীর বন্দুকের মুখে রেখে ঠিক যেভাবে পালিয়ে গেছিলো।
আব্দুল মঈন খান বলেন, এই পরিস্থিতিতে একটি সরকার এসেছে, এই সরকার জনগণের সরকার, এই সরকার বাংলাদেশের মানুষের সরকার। আমরা বিশ্বাস করি, তাদের ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে সেটি হচ্ছে দেশের মানুষকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এটাই হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ম্যান্ডেট। আমরা বিএনপি সর্বোতভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি, তারা যেন তাদের এই গুরু দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারে।
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে জনগণের ক্ষমতা তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মঈন খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অত্যাবশ্যকীয় যে সংস্কারগুলো রয়েছে, সেই সংস্কারগুলো সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবে এই প্রত্যাশা ১৮ কোটি মানুষের। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা করব, যে গনতন্ত্রের জন্য ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, ইনশাআল্লাহ।

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে কিনা তা ১৮ কোটি মানুষের কাছে আগে পরীক্ষা করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা শেষে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল, জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করে। অতীতে একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গনতন্ত্র চালু করেছিল শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তাই আমরা কেন একটি ফ্যাসিস্ট একটি দলকে নির্বাচন করবো? বিগত ১৫ বছর আওয়ামী বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করেছে।
মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জনগণকে পাক হানাদার বাহিনীর মুখে ফেলে দিয়ে কাপুরুষের মতো সীমান্ত পাড়ি দিয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে সংসদে ১১ মিনিটের ব্যবধানে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। আবার তারা গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ অলিখিত 'বাকশাল টু' কায়েম করেছিল।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পালিয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়, তারা বাধ্য হয়েছে ২০২৪ সালে ঠিক যেভাবে তারা ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের মুখে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে পাকা হানাদার বাহিনীর বন্দুকের মুখে রেখে ঠিক যেভাবে পালিয়ে গেছিলো।
আব্দুল মঈন খান বলেন, এই পরিস্থিতিতে একটি সরকার এসেছে, এই সরকার জনগণের সরকার, এই সরকার বাংলাদেশের মানুষের সরকার। আমরা বিশ্বাস করি, তাদের ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে সেটি হচ্ছে দেশের মানুষকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এটাই হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ম্যান্ডেট। আমরা বিএনপি সর্বোতভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি, তারা যেন তাদের এই গুরু দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারে।
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে জনগণের ক্ষমতা তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মঈন খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অত্যাবশ্যকীয় যে সংস্কারগুলো রয়েছে, সেই সংস্কারগুলো সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবে এই প্রত্যাশা ১৮ কোটি মানুষের। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা করব, যে গনতন্ত্রের জন্য ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, ইনশাআল্লাহ।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১২ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১৪ ঘণ্টা আগে