
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দেশের জনগণ একতরফা নির্বাচন বর্জন করছে। নির্বাচন কমিশন দেশে যে তামাশার নির্বাচনের আয়োজন করেছে জনগণ তাতে সাড়া দিচ্ছে না। যে নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করা হয়ে আছে সে নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের ন্যূনতম আগ্রহ নেই।’
বিএনপির ডাকা অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকার শান্তিনগর মোড় ও কাঁচাবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক বিশ্বও তথাকথিত ভোটের উৎসবকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সাধারণ মানুষ তাদের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় জোর করে তাদের মিছিলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এলাকা ছাড়া করার ভয় দেখানো হচ্ছে। রিলিফ ও ভাতার কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মসজিদ ও কবরস্থানে জায়গা না দেওয়ার ভয়ও দেখানো হচ্ছে। নৌকার প্রচার মাইকের আওয়াজ শুনলেই লোকজন সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন, ভোটের উৎসবের বদলে সারা দেশে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকূল ইসলাম, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আব্দুর রহিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জসিম সিকদার রানা, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক জান্নাতুল নওরিন উর্মি।
লিফলেট বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, জিয়া হলের যুগ্ম সম্পাদক বাবু, প্যাব সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হাসান, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছানাউল্লাহ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. ফজলুল হক, নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা ডা. মুশফিক, আশরাফুল আসাদ, বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সম্পাদক হৃদয়সহ প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দেশের জনগণ একতরফা নির্বাচন বর্জন করছে। নির্বাচন কমিশন দেশে যে তামাশার নির্বাচনের আয়োজন করেছে জনগণ তাতে সাড়া দিচ্ছে না। যে নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করা হয়ে আছে সে নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের ন্যূনতম আগ্রহ নেই।’
বিএনপির ডাকা অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকার শান্তিনগর মোড় ও কাঁচাবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক বিশ্বও তথাকথিত ভোটের উৎসবকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সাধারণ মানুষ তাদের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় জোর করে তাদের মিছিলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এলাকা ছাড়া করার ভয় দেখানো হচ্ছে। রিলিফ ও ভাতার কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মসজিদ ও কবরস্থানে জায়গা না দেওয়ার ভয়ও দেখানো হচ্ছে। নৌকার প্রচার মাইকের আওয়াজ শুনলেই লোকজন সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন, ভোটের উৎসবের বদলে সারা দেশে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকূল ইসলাম, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আব্দুর রহিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জসিম সিকদার রানা, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক জান্নাতুল নওরিন উর্মি।
লিফলেট বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, জিয়া হলের যুগ্ম সম্পাদক বাবু, প্যাব সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হাসান, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছানাউল্লাহ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. ফজলুল হক, নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা ডা. মুশফিক, আশরাফুল আসাদ, বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সম্পাদক হৃদয়সহ প্রমুখ।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জয়ী হলে এই রূপরেখায় সরকার চলবে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ ছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পৃথকভাবে জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠি
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন নেতা এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজার এবং শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১১ ঘণ্টা আগে