
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বইমেলার ইতি প্রকাশনে এক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে আবার সবাই একমত হচ্ছে, বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি সে সংস্কৃতির প্রেক্ষিতে এমন একটা ব্যবস্থা থাকা উচিত যেন নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার থাকে। আমরা সে দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে পথ কে আরও সহজ করে নিয়ে আসবে।
সংস্কার জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, একটি বদ্ধ একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ছিলো বাকশাল। সেখান থেকে নিয়ে এসেছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্র, মুক্ত সংবাদপত্র। এটা এখন অনেকেই ভুলে গেছেন, এই তরুণ প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না যে বাকশালের মধ্য দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো সকল সংবাদপত্র। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেটা মুক্ত করে দিয়েছিলো, মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, মৌলিক অধিকারগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তিনি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকরের বিধান নিয়ে এসেছিলেন, সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছিলেন।
ফ্যাসিবাদের সময় ইতিহাসকে বিকৃত করবার চক্রান্ত হয়েছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই ইতিহাস তারা পনেরো বছর ধরে বিকৃত করেছে। আনন্দের কথা, কেউ ইচ্ছে করলেই সঠিক ইতিহাসকে কেউ ভুলে যাওয়া যায় না, বিকৃত করা সম্ভব হয় না। আজকে এটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, মুক্ত চিন্তার মধ্য দিয়েই সঠিক ইতিহাস আমরা জানতে পারি।

ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বইমেলার ইতি প্রকাশনে এক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে আবার সবাই একমত হচ্ছে, বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি সে সংস্কৃতির প্রেক্ষিতে এমন একটা ব্যবস্থা থাকা উচিত যেন নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার থাকে। আমরা সে দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে পথ কে আরও সহজ করে নিয়ে আসবে।
সংস্কার জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, একটি বদ্ধ একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ছিলো বাকশাল। সেখান থেকে নিয়ে এসেছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্র, মুক্ত সংবাদপত্র। এটা এখন অনেকেই ভুলে গেছেন, এই তরুণ প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না যে বাকশালের মধ্য দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো সকল সংবাদপত্র। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেটা মুক্ত করে দিয়েছিলো, মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, মৌলিক অধিকারগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তিনি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকরের বিধান নিয়ে এসেছিলেন, সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছিলেন।
ফ্যাসিবাদের সময় ইতিহাসকে বিকৃত করবার চক্রান্ত হয়েছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই ইতিহাস তারা পনেরো বছর ধরে বিকৃত করেছে। আনন্দের কথা, কেউ ইচ্ছে করলেই সঠিক ইতিহাসকে কেউ ভুলে যাওয়া যায় না, বিকৃত করা সম্ভব হয় না। আজকে এটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, মুক্ত চিন্তার মধ্য দিয়েই সঠিক ইতিহাস আমরা জানতে পারি।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে