
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘকাল অনির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা থাকা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আমরা সংস্কার চাই তবে অনির্বাচিত সরকার দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকতে পারে না। দেশের সংকট বাড়ছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য এত পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সাধারণ মানুষ চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছে না। এটার দিকে তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) কোনো খেয়ালই নেই।’
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সচেতনভাবে দ্বিতীয়বারের মতো একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিল মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগ তো সেই আওয়ামী লীগ, যার নেতা ছিল শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে গঠন করবার নামে দেশটাকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিল। সেই সময়ে দুর্ভিক্ষ ও দুঃশাসনের দেশ তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ, আর নেতৃত্বে ছিলেন শেখ মুজিব। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে কখনোই বিশ্বাস করত না। গুম করে, হত্যা ও বিনা বিচারে হত্যা করার প্রথম প্রথা শেখ মুজিবের আমলে শুরু হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘সংস্কার কোনো নতুন ধারণা নয়, কেউ যদি দাবি করে আমরা (এখন যারা সংস্কার নিয়ে কথা বলছেন) সংস্কার দফা নিয়ে আসছি, এই ধারণা ভুল। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সেজন্য তো নির্বাচন বন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। দিনের পর দিন একটি অনির্বাচিত সরকার দেশ চালাতে পারে না। সংস্কার করেন, আমাদের কোনো আপত্তি নেই। দেশে যে অস্থিতিশীলতা, অনেকটাই কমে যাবে যদি একটি নির্বাচিত সরকার থাকে। কারণ নির্বাচিত সরকারের পেছনে জনগণ থাকে।’
প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘অনেক উপদেষ্টা রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, তারা রাজনীতিবিদদের মতো বক্তৃতা দিচ্ছেন কটাক্ষ করে। রাজনৈতিক দল আপনাদের প্রতিপক্ষ নয়, তারা আপনাদের সহযোগিতা করছে এবং করে যাচ্ছে। আপনারাই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের কথাবার্তা বলছেন না। সহযোগিতাও সেভাবে করছেন না।’
ড. ইউনূসের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। সংস্কার তো সবাই চায়, সেই সঙ্গে মানুষ শান্তি চাই, বাঁচতে চায়।’
জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রিয়াজের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার আবিদুর রহমান, আ স ম মেজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।

দীর্ঘকাল অনির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা থাকা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আমরা সংস্কার চাই তবে অনির্বাচিত সরকার দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকতে পারে না। দেশের সংকট বাড়ছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য এত পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সাধারণ মানুষ চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছে না। এটার দিকে তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) কোনো খেয়ালই নেই।’
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সচেতনভাবে দ্বিতীয়বারের মতো একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিল মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগ তো সেই আওয়ামী লীগ, যার নেতা ছিল শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে গঠন করবার নামে দেশটাকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিল। সেই সময়ে দুর্ভিক্ষ ও দুঃশাসনের দেশ তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ, আর নেতৃত্বে ছিলেন শেখ মুজিব। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে কখনোই বিশ্বাস করত না। গুম করে, হত্যা ও বিনা বিচারে হত্যা করার প্রথম প্রথা শেখ মুজিবের আমলে শুরু হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘সংস্কার কোনো নতুন ধারণা নয়, কেউ যদি দাবি করে আমরা (এখন যারা সংস্কার নিয়ে কথা বলছেন) সংস্কার দফা নিয়ে আসছি, এই ধারণা ভুল। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সেজন্য তো নির্বাচন বন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। দিনের পর দিন একটি অনির্বাচিত সরকার দেশ চালাতে পারে না। সংস্কার করেন, আমাদের কোনো আপত্তি নেই। দেশে যে অস্থিতিশীলতা, অনেকটাই কমে যাবে যদি একটি নির্বাচিত সরকার থাকে। কারণ নির্বাচিত সরকারের পেছনে জনগণ থাকে।’
প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘অনেক উপদেষ্টা রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, তারা রাজনীতিবিদদের মতো বক্তৃতা দিচ্ছেন কটাক্ষ করে। রাজনৈতিক দল আপনাদের প্রতিপক্ষ নয়, তারা আপনাদের সহযোগিতা করছে এবং করে যাচ্ছে। আপনারাই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের কথাবার্তা বলছেন না। সহযোগিতাও সেভাবে করছেন না।’
ড. ইউনূসের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। সংস্কার তো সবাই চায়, সেই সঙ্গে মানুষ শান্তি চাই, বাঁচতে চায়।’
জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রিয়াজের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার আবিদুর রহমান, আ স ম মেজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে