
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তাদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা এবং ভোটের একটা সময় নির্ধারণ করা। সে জন্য আমরা বলছি, অতি দ্রুত একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ দিতে হবে। তাহলে জনগণ এই সরকারের প্রতি আশ্বস্ত হবে।’
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকার দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ দেবে এমন প্রত্যাশা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, কোনো কোনো জায়গায় ষড়যন্ত্র চলছে। কেউ কেউ বলছেন সংস্কার শেষ করে, তারপরে এই দেশে নির্বাচন দেবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এই সরকার অতি দ্রুত রোডম্যাপ দেবে।
তিনি বলেন, জনগণ যাকে চায়, স্বাধীনভাবে তাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবে। তাহলেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হবে। আমরা এই সরকারের সফলতা কামনা করি। কেননা যদি তারা ব্যর্থ হয়, যদি সঠিকভাবে নির্বাচন না হয়, তাহলে বাংলাদেশে আরও অনেক দুর্দশা অপেক্ষা করছে।
সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করেছেন যে বিগত সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল সেক্টরে দুর্নীতি ও দলীয়করণ করে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সে জন্য সংস্কার প্রয়োজন। আমরা (বিএনপি) বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় বড় দল এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছি। আমরা এও বলেছি, যেকোনো সংস্কার একটি সরকারের পক্ষে সম্পূর্ণভাবে সমাধান করা সম্ভব না। এই সরকারের পক্ষে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। এই সংস্কারে চলতে হলে, ভবিষ্যতে যারা সরকারে আসবে তাদের বাকি অংশ সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তাদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা এবং ভোটের একটা সময় নির্ধারণ করা। সে জন্য আমরা বলছি, অতি দ্রুত একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ দিতে হবে। তাহলে জনগণ এই সরকারের প্রতি আশ্বস্ত হবে।’
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকার দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ দেবে এমন প্রত্যাশা করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, কোনো কোনো জায়গায় ষড়যন্ত্র চলছে। কেউ কেউ বলছেন সংস্কার শেষ করে, তারপরে এই দেশে নির্বাচন দেবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এই সরকার অতি দ্রুত রোডম্যাপ দেবে।
তিনি বলেন, জনগণ যাকে চায়, স্বাধীনভাবে তাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবে। তাহলেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হবে। আমরা এই সরকারের সফলতা কামনা করি। কেননা যদি তারা ব্যর্থ হয়, যদি সঠিকভাবে নির্বাচন না হয়, তাহলে বাংলাদেশে আরও অনেক দুর্দশা অপেক্ষা করছে।
সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করেছেন যে বিগত সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল সেক্টরে দুর্নীতি ও দলীয়করণ করে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সে জন্য সংস্কার প্রয়োজন। আমরা (বিএনপি) বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় বড় দল এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছি। আমরা এও বলেছি, যেকোনো সংস্কার একটি সরকারের পক্ষে সম্পূর্ণভাবে সমাধান করা সম্ভব না। এই সরকারের পক্ষে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। এই সংস্কারে চলতে হলে, ভবিষ্যতে যারা সরকারে আসবে তাদের বাকি অংশ সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে