
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে তাহলে তাদের সামনে একটি পথ খোলা আছে, সেটি হলো- এই ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ঘোষণা করুক। এটিই আমরা চাই। প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আজকে সরকার ফিরে আসুক। এছাড়া এই সরকারের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে মিরপুর পল্লবীতে সদ্য কারামুক্ত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হককে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আপনারা কি মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন বলে কোনো কথা নেই। যে নির্বাচন হয়েছে, এটি কোনো নির্বাচন হয়নি। আর শুধু বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগের ভোটাররাও এই নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে।
'বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মার্কিন প্রতিনিধি দলের কাছে লাঠিতে ভর দিয়ে নালিশ করতে গিয়েছেন'- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মঈন খান বলেন, মহাসচিব একজন বয়োজোষ্ঠ্য ব্যক্তি। কোনো নীতিবান লোক একজন সিনিয়র সিটিজেন সম্পর্কে এ ধরনের কথা বলতে পারেন, এটি আমি বিশ্বাস করি না যে, কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
তিনি আরো বলেন, আজকে বাংলাদেশের রাজনীতির যে সমস্যা, সেটি হচ্ছে- প্রতিহিংসার রাজনীতি। এই যে আমিনুল তিন মাসের উপর জেলে ছিলেন। আমাদের মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা কেউ বাদ যায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে তারা নিজেরাই স্বীকৃতি দিয়েছে, এই ২৫ থেকে ২৬ হাজার বিএনপির নেতাকর্মীদের যদি জেলে না রাখতো তাহলে সরকার তাদের পতন বন্ধ করতে পারতো না।
এ সময় আমিনুল হক বলেন, এই অবৈধ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একতরফা ও ডামি নির্বাচন করেছে। আমাদের যে দাবি ছিলো, এই একতরফা নির্বাচনে যাতে মানুষ ভোট দিতে না যায়। আপনারা দেখেছেন, প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্র খালি ছিল। কেউ ভোট দিতে যায়নি। আমার মতে ২ শতাংশ মানুষ মাত্র ভোট দিতে গিয়েছিলো।
এই যে ভোট বর্জনের আহ্বান, এখানে বিএনপি নৈতিকভাবে জয়ী হয়েছে। সুতরাং দেশের জনগণ বিএনপির সঙ্গে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলতে থাকবে বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।

সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে তাহলে তাদের সামনে একটি পথ খোলা আছে, সেটি হলো- এই ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ঘোষণা করুক। এটিই আমরা চাই। প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আজকে সরকার ফিরে আসুক। এছাড়া এই সরকারের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে মিরপুর পল্লবীতে সদ্য কারামুক্ত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হককে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আপনারা কি মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন বলে কোনো কথা নেই। যে নির্বাচন হয়েছে, এটি কোনো নির্বাচন হয়নি। আর শুধু বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগের ভোটাররাও এই নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে।
'বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মার্কিন প্রতিনিধি দলের কাছে লাঠিতে ভর দিয়ে নালিশ করতে গিয়েছেন'- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মঈন খান বলেন, মহাসচিব একজন বয়োজোষ্ঠ্য ব্যক্তি। কোনো নীতিবান লোক একজন সিনিয়র সিটিজেন সম্পর্কে এ ধরনের কথা বলতে পারেন, এটি আমি বিশ্বাস করি না যে, কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
তিনি আরো বলেন, আজকে বাংলাদেশের রাজনীতির যে সমস্যা, সেটি হচ্ছে- প্রতিহিংসার রাজনীতি। এই যে আমিনুল তিন মাসের উপর জেলে ছিলেন। আমাদের মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা কেউ বাদ যায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে তারা নিজেরাই স্বীকৃতি দিয়েছে, এই ২৫ থেকে ২৬ হাজার বিএনপির নেতাকর্মীদের যদি জেলে না রাখতো তাহলে সরকার তাদের পতন বন্ধ করতে পারতো না।
এ সময় আমিনুল হক বলেন, এই অবৈধ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একতরফা ও ডামি নির্বাচন করেছে। আমাদের যে দাবি ছিলো, এই একতরফা নির্বাচনে যাতে মানুষ ভোট দিতে না যায়। আপনারা দেখেছেন, প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্র খালি ছিল। কেউ ভোট দিতে যায়নি। আমার মতে ২ শতাংশ মানুষ মাত্র ভোট দিতে গিয়েছিলো।
এই যে ভোট বর্জনের আহ্বান, এখানে বিএনপি নৈতিকভাবে জয়ী হয়েছে। সুতরাং দেশের জনগণ বিএনপির সঙ্গে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলতে থাকবে বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে
শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে