
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ডামি সরকারের উন্নয়নের ভেলকিবাজীতে বাংলাদেশ এখন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য গাছপালা, বনজঙ্গল উজার করে, নদী-নালা, খাল-বিল ভরাট করে এবং তাপ বিদ্যুৎ ও কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করে মানুষের জীবনকে সংকটে ফেলে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশকে এখন গ্যাস চেম্বারে পরিণত করা হয়েছে।
সারাদেশে চলমান তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ নগরীর পথচারীদের মাঝে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র পক্ষ থেকে মিরপুরে খাবার পানি, স্যালাইন বিতরণের ৭ দিনব্যাপি কর্মসূচি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত ১৭-১৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী দেশে ভয়ঙ্কর বাকশাল কায়েম করেছেন। আজকে দেশ থেকে গণতন্ত্রকে হরণ করা হয়েছে, মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছে। এ কারণে মানুষ এখন আর ভোট দিতে পারে না। দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে দেশটাকে উজার করে দেওয়া হয়েছে। সারাদেশকে বানানো হয়েছে লীগময়।
তিনি বলেন, এত গুম, এত নির্যাতন, এত নিপীড়ন তারপরও মানুষের কণ্ঠকে স্তব্ধ করা যায়নি। মানুষের আন্দোলনকে দমানো যায়নি। সকল দুর্যোগে বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশবাসীর পাশে আছে।
ওবায়দুল কাদেরর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, মুখে মুখে তারা পাকিস্তানের বিরোধীতা করে। গত কয়েকদিন আগে তাদের উন্নয়ন নিয়ে পাকিস্তান কথা বলায় তাদের সাহেব সম্বোধন করে বলছেন, 'পাকিস্তান তাদের উন্নয়ন দেখলেও বিএনপি দেখে না'। এখন তারা পাকিস্তানের প্রশংসায় গদগদ।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা আরও বলেন, এক দেশ আরেক দেশের প্রশংসা করে এটাতো রীতি। আসলে ওবায়দুল কাদের সাহেবরা দ্বিচারিতা নীতি অবলম্বন করেছেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা তাবিদ আউয়াল, মাহমুদুর রহমান সুমন, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তফা জামান, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

ডামি সরকারের উন্নয়নের ভেলকিবাজীতে বাংলাদেশ এখন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য গাছপালা, বনজঙ্গল উজার করে, নদী-নালা, খাল-বিল ভরাট করে এবং তাপ বিদ্যুৎ ও কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করে মানুষের জীবনকে সংকটে ফেলে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশকে এখন গ্যাস চেম্বারে পরিণত করা হয়েছে।
সারাদেশে চলমান তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ নগরীর পথচারীদের মাঝে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র পক্ষ থেকে মিরপুরে খাবার পানি, স্যালাইন বিতরণের ৭ দিনব্যাপি কর্মসূচি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত ১৭-১৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী দেশে ভয়ঙ্কর বাকশাল কায়েম করেছেন। আজকে দেশ থেকে গণতন্ত্রকে হরণ করা হয়েছে, মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছে। এ কারণে মানুষ এখন আর ভোট দিতে পারে না। দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে দেশটাকে উজার করে দেওয়া হয়েছে। সারাদেশকে বানানো হয়েছে লীগময়।
তিনি বলেন, এত গুম, এত নির্যাতন, এত নিপীড়ন তারপরও মানুষের কণ্ঠকে স্তব্ধ করা যায়নি। মানুষের আন্দোলনকে দমানো যায়নি। সকল দুর্যোগে বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশবাসীর পাশে আছে।
ওবায়দুল কাদেরর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, মুখে মুখে তারা পাকিস্তানের বিরোধীতা করে। গত কয়েকদিন আগে তাদের উন্নয়ন নিয়ে পাকিস্তান কথা বলায় তাদের সাহেব সম্বোধন করে বলছেন, 'পাকিস্তান তাদের উন্নয়ন দেখলেও বিএনপি দেখে না'। এখন তারা পাকিস্তানের প্রশংসায় গদগদ।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা আরও বলেন, এক দেশ আরেক দেশের প্রশংসা করে এটাতো রীতি। আসলে ওবায়দুল কাদের সাহেবরা দ্বিচারিতা নীতি অবলম্বন করেছেন।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা তাবিদ আউয়াল, মাহমুদুর রহমান সুমন, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তফা জামান, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে