
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের কোনো নেতা প্রত্যক্ষ যুদ্ধ করেননি। শহীদ জিয়া নিজের জীবন বাজি রেখে সম্মুখে যুদ্ধ করেছেন। তাই জিয়াউর রহমানকে নিয়ে এত হিংসা। তাই জিয়াউর রহমানের নামে মিথ্যা কুৎসা রটিয়ে জনগণ থেকে দূরে রাখতে চায়।
তিনি বলেন, নিজেদের তৈরি করা ইতিহাস থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলতে চাচ্ছেন, কিন্তু সত্যিকারের ইতিহাস থেকে, মানুষের হৃদয় থেকে শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলা যাবে না।
আজ বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেলে পান্থপথ ‘সামুরাই কনভেনশন সেন্টারে’ ঢাকা মহানগর উত্তরের ২২, ৩৫, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং শিল্পাঞ্চল থানাধীন ২৪ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক।
রিজাভী বলেন, আমাদের বাসা এবং কারাগারের মধ্যে কোনো পার্থখ্য নেই। আমাদের অনেক সাথী এখন হয়ত কারাগারে ইফতার করছে। নিরবসহ অনেকে কারাগারে ইফতার করছে। আমিনুল, আনোয়ার, তুহিন, রাজ্জাক কিছুদিন হয় কারাগার থেকে বের হয়েছেন। আজকে এই বম্দীশালা ভেঙে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার ভয় থেকেই নেতাদের গ্রেফতার করে। আমিনুলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর আজ জেগে উঠেছে। এটি টের পেয়ে শেখ হাসিনা তাকে গ্রেফতার করেছে। কতদিন গ্রেফতার করে আপনার অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখবেন। আপনি এ দেশটাকে পঁচিয়ে দিয়েছেন। জনগণের টাকা লোপাট করতে সুযোগ করে দিয়েছেন আপনার লোককে। আপনি দুর্ণীতির বড় বরপুত্র, দুর্নীতির বড় পৃষ্টপোষক। পৃথিবীর কোখাও এরকম দুর্নীতিবাজ খোঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। আর আপনি কিনা আজকে বলেছেন জিয়াউর রহমান নাকি দেশপ্রেমিক মানুষকে হত্যা করছেন. উনি নাকি আওয়ামী লীগের চাকরি করতেন? জিয়াউর রহমান সরকারী চাকরি করতেন। আপনার বাবাতো জমিদার ছিলেন না।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া নিয়ে যত মিথ্যা যত অপপ্রচার তার জননী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যত কুৎসা যত অপমান তার মুখপাত্র হচ্ছেন শেখ হাসিনা। উনার (প্রধানমন্ত্রী) মনমানসিকতা পাকিস্তানিদের পক্ষে। জিয়াউর রহমান হত্যাকারী নন। কারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, কারা হাজার হাজার বিরোধী মতধারীদের হত্যা করেছে জাতি তা জানে।
আমিনুল হক বলেন, আজকে দেশে সুস্থধারার কোনো রাজনীতি নেই। রাজনীতির নামে দেশে চলছে অপরাজনীতি। রাজনৈতিক সহবস্থান আজ তুলে নেওয়া হয়েছে। দেশের রাজনীতিটাকেই কলুষিত করেছে আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বরাবরই বিরোধীমত সহ্য করতে পারে না। যখনই তাদের দূর্নীতি ও লুটপাটের কেউ প্রতিবাদ করবে তার আর রক্ষা নেই। সে যতই সম্মানি লোক হোক না কেনো। আজকে আওয়ামী লীগ কৌশলে রাজনীতির প্রতি জনগণের মাঝে অনীহা সৃষ্টি করেছে। মানুষ আজ রাজনীতিতে ভয়ের চোখে দেখে। রাজনীতিবিদদের প্রতি জনগণের আস্থা ও সম্মাম আজ উঠে গেছে। আর এর সবকিছুই আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা, দেশকে রাজনীতি শূণ্য করার।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের কোনো নেতা প্রত্যক্ষ যুদ্ধ করেননি। শহীদ জিয়া নিজের জীবন বাজি রেখে সম্মুখে যুদ্ধ করেছেন। তাই জিয়াউর রহমানকে নিয়ে এত হিংসা। তাই জিয়াউর রহমানের নামে মিথ্যা কুৎসা রটিয়ে জনগণ থেকে দূরে রাখতে চায়।
তিনি বলেন, নিজেদের তৈরি করা ইতিহাস থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলতে চাচ্ছেন, কিন্তু সত্যিকারের ইতিহাস থেকে, মানুষের হৃদয় থেকে শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলা যাবে না।
আজ বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেলে পান্থপথ ‘সামুরাই কনভেনশন সেন্টারে’ ঢাকা মহানগর উত্তরের ২২, ৩৫, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং শিল্পাঞ্চল থানাধীন ২৪ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক।
রিজাভী বলেন, আমাদের বাসা এবং কারাগারের মধ্যে কোনো পার্থখ্য নেই। আমাদের অনেক সাথী এখন হয়ত কারাগারে ইফতার করছে। নিরবসহ অনেকে কারাগারে ইফতার করছে। আমিনুল, আনোয়ার, তুহিন, রাজ্জাক কিছুদিন হয় কারাগার থেকে বের হয়েছেন। আজকে এই বম্দীশালা ভেঙে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার ভয় থেকেই নেতাদের গ্রেফতার করে। আমিনুলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর আজ জেগে উঠেছে। এটি টের পেয়ে শেখ হাসিনা তাকে গ্রেফতার করেছে। কতদিন গ্রেফতার করে আপনার অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখবেন। আপনি এ দেশটাকে পঁচিয়ে দিয়েছেন। জনগণের টাকা লোপাট করতে সুযোগ করে দিয়েছেন আপনার লোককে। আপনি দুর্ণীতির বড় বরপুত্র, দুর্নীতির বড় পৃষ্টপোষক। পৃথিবীর কোখাও এরকম দুর্নীতিবাজ খোঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। আর আপনি কিনা আজকে বলেছেন জিয়াউর রহমান নাকি দেশপ্রেমিক মানুষকে হত্যা করছেন. উনি নাকি আওয়ামী লীগের চাকরি করতেন? জিয়াউর রহমান সরকারী চাকরি করতেন। আপনার বাবাতো জমিদার ছিলেন না।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া নিয়ে যত মিথ্যা যত অপপ্রচার তার জননী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যত কুৎসা যত অপমান তার মুখপাত্র হচ্ছেন শেখ হাসিনা। উনার (প্রধানমন্ত্রী) মনমানসিকতা পাকিস্তানিদের পক্ষে। জিয়াউর রহমান হত্যাকারী নন। কারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, কারা হাজার হাজার বিরোধী মতধারীদের হত্যা করেছে জাতি তা জানে।
আমিনুল হক বলেন, আজকে দেশে সুস্থধারার কোনো রাজনীতি নেই। রাজনীতির নামে দেশে চলছে অপরাজনীতি। রাজনৈতিক সহবস্থান আজ তুলে নেওয়া হয়েছে। দেশের রাজনীতিটাকেই কলুষিত করেছে আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বরাবরই বিরোধীমত সহ্য করতে পারে না। যখনই তাদের দূর্নীতি ও লুটপাটের কেউ প্রতিবাদ করবে তার আর রক্ষা নেই। সে যতই সম্মানি লোক হোক না কেনো। আজকে আওয়ামী লীগ কৌশলে রাজনীতির প্রতি জনগণের মাঝে অনীহা সৃষ্টি করেছে। মানুষ আজ রাজনীতিতে ভয়ের চোখে দেখে। রাজনীতিবিদদের প্রতি জনগণের আস্থা ও সম্মাম আজ উঠে গেছে। আর এর সবকিছুই আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা, দেশকে রাজনীতি শূণ্য করার।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে