
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আর কখনো মাথা ঘামাবেন না। অতীতে করেছেন শেখ হাসিনার জন্য, এখন বাংলাদেশে শেখ হাসিনা নেই। বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে ন্যায্য দাবি আপনাকে দিতে হবে। আর টালবাহানা চলবে না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতান্ত্রিক ফোরামের উদ্যোগে জনগণের উপর অযৌক্তিক ভ্যাট আরোপের প্রতিবাদে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আদর্শিক বিভাজন চাই না, দেশে সবার ওপরে জনগণ থাকবে।
জিয়াবাদ বা মুজিববাদও আর চাই না-জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এমন বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, যে জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, যে জিয়া বাংলাদেশকে মুসলিম দেশ হিসেবে পরিচিত দিয়েছেন, যেই জিয়া সার্ক গঠন করেছেন, যেই জিয়া খাল খনন করে কৃষকদের সেচের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, যে জিয়ার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বসে সমস্যা সমাধান করেছেন; সেই জিয়াবাদ নিয়ে দয়া করে কোনো মন্তব্য করবেন না।
তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, হাসিনার পতন শুধু জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গত ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং গণতান্ত্রিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করেছি। জেল জুলুম হামলা মামলা সব সহ্য করেছি। রাতে আমাদের ঘুম হারাম ছিল, কবরস্থানে ঘুমিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে শেখ হাসিনাকে বিদায় করতে পেরেছি। আমরা আশা করি বাংলাদেশে এমন একটি নির্বাচন দেবেন ড. ইউনূস, সে নির্বাচনে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। বাংলাদেশে সংস্কার হবে, আইন প্রণয়ন হবে। সব কিছুই হবে, কিন্তু তার আগে ষড়যন্ত্র করে ১/১১ এর মতো বিলম্বিত করার কোনো অবকাশ বাংলাদেশে আর হবে না।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের এই উপদেষ্টা বলেন, অনেকেই বলে বিএনপির লোক চলে যাবে। আওয়ামী লীগ এত বছর জুলুম নির্যাতন করেও বিএনপির একটি কর্মীও এত বছরে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়নি। অতএব বিএনপি খাঁটি গণতন্ত্রী, বিএনপি সংবিধানে অনুগত, বিএনপি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদদের আদর্শের দল। আমরা জীবন দেব, বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছি, সামনেও করব।
ফারুক বলেন, বাংলাদেশে আর ডিম, চাল, পেঁয়াজের সিন্ডিকেট হবে না। এমন বাংলাদেশ গড়ব, যে বাংলাদেশের বিচারের নামে আর প্রহসন হবে না। এমন বাংলাদেশ গড়ব, যেই বাংলাদেশে আর আয়নাঘর হবে না। এমন দেশ গড়ব, যে দেশে আর দুর্নীতি হবে না। এমন বাংলাদেশ গড়ব, যে দেশে আইনের শাসন চলবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তি ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সফল করেছে। সেই সফলতা যেন নষ্ট না হয়।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, গণতান্ত্রিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আর কখনো মাথা ঘামাবেন না। অতীতে করেছেন শেখ হাসিনার জন্য, এখন বাংলাদেশে শেখ হাসিনা নেই। বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে ন্যায্য দাবি আপনাকে দিতে হবে। আর টালবাহানা চলবে না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতান্ত্রিক ফোরামের উদ্যোগে জনগণের উপর অযৌক্তিক ভ্যাট আরোপের প্রতিবাদে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আদর্শিক বিভাজন চাই না, দেশে সবার ওপরে জনগণ থাকবে।
জিয়াবাদ বা মুজিববাদও আর চাই না-জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এমন বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, যে জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, যে জিয়া বাংলাদেশকে মুসলিম দেশ হিসেবে পরিচিত দিয়েছেন, যেই জিয়া সার্ক গঠন করেছেন, যেই জিয়া খাল খনন করে কৃষকদের সেচের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, যে জিয়ার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বসে সমস্যা সমাধান করেছেন; সেই জিয়াবাদ নিয়ে দয়া করে কোনো মন্তব্য করবেন না।
তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, হাসিনার পতন শুধু জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গত ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং গণতান্ত্রিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করেছি। জেল জুলুম হামলা মামলা সব সহ্য করেছি। রাতে আমাদের ঘুম হারাম ছিল, কবরস্থানে ঘুমিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে শেখ হাসিনাকে বিদায় করতে পেরেছি। আমরা আশা করি বাংলাদেশে এমন একটি নির্বাচন দেবেন ড. ইউনূস, সে নির্বাচনে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। বাংলাদেশে সংস্কার হবে, আইন প্রণয়ন হবে। সব কিছুই হবে, কিন্তু তার আগে ষড়যন্ত্র করে ১/১১ এর মতো বিলম্বিত করার কোনো অবকাশ বাংলাদেশে আর হবে না।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের এই উপদেষ্টা বলেন, অনেকেই বলে বিএনপির লোক চলে যাবে। আওয়ামী লীগ এত বছর জুলুম নির্যাতন করেও বিএনপির একটি কর্মীও এত বছরে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়নি। অতএব বিএনপি খাঁটি গণতন্ত্রী, বিএনপি সংবিধানে অনুগত, বিএনপি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদদের আদর্শের দল। আমরা জীবন দেব, বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছি, সামনেও করব।
ফারুক বলেন, বাংলাদেশে আর ডিম, চাল, পেঁয়াজের সিন্ডিকেট হবে না। এমন বাংলাদেশ গড়ব, যে বাংলাদেশের বিচারের নামে আর প্রহসন হবে না। এমন বাংলাদেশ গড়ব, যেই বাংলাদেশে আর আয়নাঘর হবে না। এমন দেশ গড়ব, যে দেশে আর দুর্নীতি হবে না। এমন বাংলাদেশ গড়ব, যে দেশে আইনের শাসন চলবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তি ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সফল করেছে। সেই সফলতা যেন নষ্ট না হয়।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, গণতান্ত্রিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে