
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার দেশকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এখন দেশ মেরামতে মেধাবী, পরিশ্রমী ও সৎ লোকদের খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চাই, জনগণের সমর্থন পাব। দল পুনর্গঠনের পর আমরা রাষ্ট্রকেও পুনর্গঠন করব।’
সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সদস্য নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সদস্য পদ নবায়ন করার দিনটি দলের জন্য আনন্দের। দীর্ঘদিন গ্রামগঞ্জের অসংখ্য নেতাকর্মী অবর্ণনীয় নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গেছেন। দেশের ওপর দিয়ে একটা ঝড় গেছে। যাতে দেশটি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
প্রত্যেক সেক্টরকে লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের গুম-খুন ও পঙ্গু করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোকেও নিষ্পেষিত করা হয়েছে।
ঝড় কেটে গেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চাই- জনগণের সমর্থন পাব। দল পুনর্গঠনের পর আমরা রাষ্ট্রকেও পুনর্গঠন করব। ৩১ দফা কার্যকর করা হবে। সে জন্য মেধাবী, সৎ ও আদর্শবান মানুষকে দলে আনতে হবে। দলকে সমৃদ্ধ করতে হবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘গতবার আমাদের কর্মসূচিতে একটি দুর্বলতা ছিল। এবার আমরা সেটিকে পাশ কাটিয়ে তৃণমূলের আরো গভীরে যাব। যে উদ্যম নিয়ে আমরা স্বৈরাচারের শত নির্যাতনেও দমে যাইনি বরং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম।’ এ সময় দল এবং দেশকে পুনর্গঠন করার বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সদস্য পদ নবায়ন চলমান প্রক্রিয়া। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশক্রমে শুরু হয়েছে। যারা সদস্য আছেন তারাই নবায়ন করবেন। কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জেলায়, জেলা থেকে উপজেলায় এবং সেখান থেকে ইউনিয়নে যাবে। এটা সাংগঠনিক সম্পাদকরা করবেন।

পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার দেশকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এখন দেশ মেরামতে মেধাবী, পরিশ্রমী ও সৎ লোকদের খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চাই, জনগণের সমর্থন পাব। দল পুনর্গঠনের পর আমরা রাষ্ট্রকেও পুনর্গঠন করব।’
সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সদস্য নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সদস্য পদ নবায়ন করার দিনটি দলের জন্য আনন্দের। দীর্ঘদিন গ্রামগঞ্জের অসংখ্য নেতাকর্মী অবর্ণনীয় নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গেছেন। দেশের ওপর দিয়ে একটা ঝড় গেছে। যাতে দেশটি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
প্রত্যেক সেক্টরকে লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের গুম-খুন ও পঙ্গু করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোকেও নিষ্পেষিত করা হয়েছে।
ঝড় কেটে গেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চাই- জনগণের সমর্থন পাব। দল পুনর্গঠনের পর আমরা রাষ্ট্রকেও পুনর্গঠন করব। ৩১ দফা কার্যকর করা হবে। সে জন্য মেধাবী, সৎ ও আদর্শবান মানুষকে দলে আনতে হবে। দলকে সমৃদ্ধ করতে হবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘গতবার আমাদের কর্মসূচিতে একটি দুর্বলতা ছিল। এবার আমরা সেটিকে পাশ কাটিয়ে তৃণমূলের আরো গভীরে যাব। যে উদ্যম নিয়ে আমরা স্বৈরাচারের শত নির্যাতনেও দমে যাইনি বরং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম।’ এ সময় দল এবং দেশকে পুনর্গঠন করার বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সদস্য পদ নবায়ন চলমান প্রক্রিয়া। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশক্রমে শুরু হয়েছে। যারা সদস্য আছেন তারাই নবায়ন করবেন। কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জেলায়, জেলা থেকে উপজেলায় এবং সেখান থেকে ইউনিয়নে যাবে। এটা সাংগঠনিক সম্পাদকরা করবেন।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে