
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

তরুণ নেতাদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সেকেন্ড রিপাবলিকের ধারণা বোঝেননি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু তাদের স্লোগান বুঝিনি। আমি বুঝিনি যে কাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে। আমি এখনো বুঝিনি, সেকেন্ড রিপাবলিক কী? আপনারা বুঝেছেন কি না, জানি না। অর্থাৎ একটা উছিলা ধরে জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। দয়া করে খেয়াল রাখবেন।’
রবিবার (২ মার্চ) রাজধানীর লেডিস ক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আলেম-উলামা ও মাদরাসার এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ইফতার মাহফিলে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘আপনাদের (আলেম-ওলামা) মতো এ রকমই পোশাক পরা এক শ্রেণি তাদের বাতাস দিয়ে যাচ্ছে। দয়া করে আপনারা তাদের একটু সামাল দেবেন।’
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ইফতারে রাজধানীর দুটি মাদরাসা থেকে অন্তত ৮০ জন শিশু এতিম ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিল। রাজধানীর কয়েকটি মসজিদের ইমাম ও খতিবরাও ছিলেন।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী ড্যানি, অমলেন্দু দাস অপু, জন গোমেজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা শাহ মো. নেছারুল হক, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক কাজী মো. সেলিম রেজা, সদস্য সচিব কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সাবেক সদস্য সচিব মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তরুণ নেতাদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সেকেন্ড রিপাবলিকের ধারণা বোঝেননি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু তাদের স্লোগান বুঝিনি। আমি বুঝিনি যে কাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে। আমি এখনো বুঝিনি, সেকেন্ড রিপাবলিক কী? আপনারা বুঝেছেন কি না, জানি না। অর্থাৎ একটা উছিলা ধরে জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। দয়া করে খেয়াল রাখবেন।’
রবিবার (২ মার্চ) রাজধানীর লেডিস ক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আলেম-উলামা ও মাদরাসার এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ইফতার মাহফিলে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘আপনাদের (আলেম-ওলামা) মতো এ রকমই পোশাক পরা এক শ্রেণি তাদের বাতাস দিয়ে যাচ্ছে। দয়া করে আপনারা তাদের একটু সামাল দেবেন।’
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ইফতারে রাজধানীর দুটি মাদরাসা থেকে অন্তত ৮০ জন শিশু এতিম ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিল। রাজধানীর কয়েকটি মসজিদের ইমাম ও খতিবরাও ছিলেন।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী ড্যানি, অমলেন্দু দাস অপু, জন গোমেজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা শাহ মো. নেছারুল হক, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক কাজী মো. সেলিম রেজা, সদস্য সচিব কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সাবেক সদস্য সচিব মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সরকারের অত্যাচারের কারণে অনেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব নেন। এখন তাদের প্রার্থিতা বাতিল করলে অন্যায় হবে। পোস্টাল ব্যালটে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা ভোটার হয়েছে। তাদের কাছে পাঠানো ব্যালট পেপারে উদ্দেশ্যমূলকভাবে একটি রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীক আগে দেওয়া হয়েছে। ইসি মনে হয় বিষয়টা খেয়াল করেনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের সিদ্দিকী, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সৈয়দ মো. সোহেল চেয়ারম্যান (এস এম আতাউল মোস্তফা সোহেল), চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা খোরশেদ
১৮ ঘণ্টা আগে
ছোট রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
১৯ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৯ ঘণ্টা আগে