
চট্টগ্রাম ব্যুরো

দলের দুই কেন্দ্রীয় নেতার অনুসারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দলীয় সব পদ স্থগিত করা হয়েছে। দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে স্থানীয় আরও কয়েকজন নেতাকে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর সই করা আলাদা দুই বিজ্ঞপ্তিতে দলের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার এবং দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে গোলাম আকবর খোন্দকারসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গোলাম আকবরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এ ঘটনার পর রুহুল কবির রিজভীর সই করা চিঠিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে চিঠিতে কমিটি বিলুপ্ত করার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। শিগগিরই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে।
এর আগে ২০২২ সালের ২০ জুলাই গোলাম আকবর খোন্দকারকে আহ্বায়ক করে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির ৪৪ সদস্যের এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
এদিকে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দলীয় পদ-পদবি স্থগিতের চিঠিতে তার বিরুদ্ধে কয়েকমাস ধরে নিজ এলাকায় দলের ভেতরে হানাহানি ও সংঘাতে মদত দেওয়ার সুস্পষ্ট অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে গিয়াস কাদেরের উদ্দেশে বলা হয়, আপনাকে বারবার দল থেকে সতর্ক করার পরও আপনি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। সুতরাং দলের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী আপনার প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হলো।

মঙ্গলবার বিকেলে রাউজানে স্থানীয় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকারসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
রাতে রুহুল কবির রিজভীরই সই করা তৃতীয় আরেক চিঠিতে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের পাঁচ নেতাকে দলের সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও দলের ভেতরে সংঘাত ও হানাহানি তৈরি করে দলীয় শৃঙ্খলা চরমভাবে লঙ্ঘন করার সুস্পষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত এই পাঁচ নেতা হলেন— চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারৈয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম মিয়াজী, যুবদল নেতা সিরাজুল ইসলাম ও কামাল উদ্দিন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে রাউজান পৌরসভা সদরের সুলতানপুরে গোলাম আকবর খোন্দকার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও রাউজান উপজেলার সাবেক সভাপতি প্রয়াত মহিউদ্দিন আহমেদের কবর জেয়ারতের জন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে যাচ্ছিলেন। একই সময়ে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারীরা পৌর সদরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করে। পৌরসভার ছত্তারহাট এলাকায় দুপক্ষ মুখোমুখি হলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

দলের দুই কেন্দ্রীয় নেতার অনুসারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দলীয় সব পদ স্থগিত করা হয়েছে। দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে স্থানীয় আরও কয়েকজন নেতাকে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর সই করা আলাদা দুই বিজ্ঞপ্তিতে দলের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার এবং দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে গোলাম আকবর খোন্দকারসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গোলাম আকবরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এ ঘটনার পর রুহুল কবির রিজভীর সই করা চিঠিতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে চিঠিতে কমিটি বিলুপ্ত করার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। শিগগিরই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে।
এর আগে ২০২২ সালের ২০ জুলাই গোলাম আকবর খোন্দকারকে আহ্বায়ক করে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির ৪৪ সদস্যের এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
এদিকে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দলীয় পদ-পদবি স্থগিতের চিঠিতে তার বিরুদ্ধে কয়েকমাস ধরে নিজ এলাকায় দলের ভেতরে হানাহানি ও সংঘাতে মদত দেওয়ার সুস্পষ্ট অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে গিয়াস কাদেরের উদ্দেশে বলা হয়, আপনাকে বারবার দল থেকে সতর্ক করার পরও আপনি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। সুতরাং দলের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী আপনার প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হলো।

মঙ্গলবার বিকেলে রাউজানে স্থানীয় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকারসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। ছবি: রাজনীতি ডটকম
রাতে রুহুল কবির রিজভীরই সই করা তৃতীয় আরেক চিঠিতে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের পাঁচ নেতাকে দলের সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও দলের ভেতরে সংঘাত ও হানাহানি তৈরি করে দলীয় শৃঙ্খলা চরমভাবে লঙ্ঘন করার সুস্পষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত এই পাঁচ নেতা হলেন— চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারৈয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম মিয়াজী, যুবদল নেতা সিরাজুল ইসলাম ও কামাল উদ্দিন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে রাউজান পৌরসভা সদরের সুলতানপুরে গোলাম আকবর খোন্দকার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও রাউজান উপজেলার সাবেক সভাপতি প্রয়াত মহিউদ্দিন আহমেদের কবর জেয়ারতের জন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে যাচ্ছিলেন। একই সময়ে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারীরা পৌর সদরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করে। পৌরসভার ছত্তারহাট এলাকায় দুপক্ষ মুখোমুখি হলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে