
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনের কথা বললে উপদেষ্টাদের মুখ কালো হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৮৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষণাধি মহান মুক্তিযুদ্ধের তুর্যধ্বনি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা কী কোন অন্যায় দাবি করছি? বিএনপিকে ক্ষমতায় বসান সেটাও বলছি না। বলছি আপনারা কিংস পার্টি গঠন করবেন না। যারা রাজনীতি করতে চায় তারা সরকার থেকে বেরিয়ে রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন।
মেজর হাফিজ বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, অতি দ্রুত নির্বাচন চাই। নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন তার জন্য তিন মাস সময় যথেষ্ট। সুতরাং নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার আসার সুযোগ দিন। নির্বাচিত সরকার ছিল না বলেই '৭১ সালে আমাদের যুদ্ধ করতে হয়েছিল। আবার কেন নির্বাচিত সরকারের জন্য আমাদের তর্ক বিতর্ক করতে হবে।
তিনি বলেন, একটি পার্লামেন্ট সংস্কার করবে, সেই পার্লামেন্টকে ক্ষমতায় আসার ব্যবস্থা করে দিন, শুধু শুধু সময়ক্ষেপণ করবেন না। ৬ মাসেই বুঝা গেছে আপনাদের দৌড় কতটুকু, তবুও আপনাদেরকে আমরা সম্মান করি। আমরা সব রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঐক্য চাই। ছাত্র-জনতার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য অত্যন্ত প্রয়োজন। আশা করি, এই ঐক্যের পথে আপনারা কেউ দেয়াল তৈরি করবেন না।
মেজর হাফিজ বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। সারা পৃথিবী জানে বাঙালি জাতি লড়াইয়ের প্রতিরোধ করতে জানে। মুক্তিযুদ্ধ যদি না হতো তাহলে দেখা যেত এক মাস পরে ভারতে যারা পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে তারা দেশে ফিরত এবং শেখ মুজিবকে প্রধানমন্ত্রী বানানো হতো। আমরা দেশ বাঁচাতে এবং মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার্থে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছি।
আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশে কেন পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রে এরকম দুর্নীতি করেছে কোনো দল এটার প্রমাণ পাওয়া যাবে না। বিএনপি এবং ছাত্র জনতার ত্যাগের ফলে আমরা আবার নতুন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি। সুতরাং আমাদের উচিত এই সময়ে সবার ঐক্যবদ্ধ থাকা।
ভারতেকে উদ্দেশ্য করে মেজর হাফিজ বলেন, তাদের পছন্দের নেত্রী বিদায় হওয়াতে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। এখন বাংলাদেশের মধ্যে প্রবেশ করে আম গাছ কেটে নিয়ে যায়, বাংলাদেশের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা নিরবে অবলোকন করছি। ভুলে যাবেন না ৭১ সালে যুদ্ধ করে আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশে নতুন একটি কথা শোনা যাচ্ছে প্রোক্লেমেশন। মনে হচ্ছে দেশটা এই প্রথম স্বাধীন হলো। এখানে যারা উপস্থিত রয়েছেন তারা ৭১ সালের সেই দিনের কথা মনে করুন। যারা হাসতে হাসতে জীবন দিয়েছেন। জীবনটা একেবারেই তুচ্ছ। এটা প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধার মনের কথা। আমরা যুদ্ধ করেছি কেন? গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। মানবিক, মানবতা, সাম্য এ লক্ষ্য ধারণ করে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। তার মধ্যে আসছে প্রোক্লেমেশন জনগণ একটা বুঝেই না।
আলোচনা সভায় নির্বাচিত সরকার যত দ্রুত আসবে দেশের মঙ্গল তত দ্রুত হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি বলেন, নির্বাচনের কথা এই কারণে আমরা বলছি যে ১৪, ১৮, ২৪ সালে নির্বাচনে যা হয়েছে, মানুষ তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বেড়িয়ে নিজেদের ভোট প্রয়োগ করতে চায়। আর একটা নির্বাচিত সরকার যা করতে পারবেন একটা অন্তর্বর্তী সরকার তা পারবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদের ছোট বন্ধুরা, আমাদের সন্তান সমতুল্য যারা তাদেরকে বলছি। আপনারা পাকা ফল ঝাঁকি দিয়ে পেড়েছেন। ১৫-১৬ বছর আমরা ত্যাগের মধ্য দিয়ে বিশেষ করে জিয়া পরিবার বেগম খালেদা জিয়া যে অববনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে একাগ্র চিত্রে এই ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের জন্যে মানসিকভাবে কঠোর ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় একটা পর্যায়ে এসে আপনারা গাছে ঝাকি দিয়েছেন আর পাকা ফল পড়েছে। আমি নিশ্চিত এই ফল পড়তে হয়তো আর কিছুদিন সময় লাগতো। তার মানে এই নয় আপনারা সব কৃতিত্ব নেবেন এই আন্দোলনে আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে তাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবেন। এটা কখনোই কাম্য হতে পারে না।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজীজ উলফাৎ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদের আহমেদ খানের সঞ্চালনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফজলুর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের কথা বললে উপদেষ্টাদের মুখ কালো হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৮৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষণাধি মহান মুক্তিযুদ্ধের তুর্যধ্বনি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা কী কোন অন্যায় দাবি করছি? বিএনপিকে ক্ষমতায় বসান সেটাও বলছি না। বলছি আপনারা কিংস পার্টি গঠন করবেন না। যারা রাজনীতি করতে চায় তারা সরকার থেকে বেরিয়ে রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন।
মেজর হাফিজ বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, অতি দ্রুত নির্বাচন চাই। নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন তার জন্য তিন মাস সময় যথেষ্ট। সুতরাং নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার আসার সুযোগ দিন। নির্বাচিত সরকার ছিল না বলেই '৭১ সালে আমাদের যুদ্ধ করতে হয়েছিল। আবার কেন নির্বাচিত সরকারের জন্য আমাদের তর্ক বিতর্ক করতে হবে।
তিনি বলেন, একটি পার্লামেন্ট সংস্কার করবে, সেই পার্লামেন্টকে ক্ষমতায় আসার ব্যবস্থা করে দিন, শুধু শুধু সময়ক্ষেপণ করবেন না। ৬ মাসেই বুঝা গেছে আপনাদের দৌড় কতটুকু, তবুও আপনাদেরকে আমরা সম্মান করি। আমরা সব রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঐক্য চাই। ছাত্র-জনতার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য অত্যন্ত প্রয়োজন। আশা করি, এই ঐক্যের পথে আপনারা কেউ দেয়াল তৈরি করবেন না।
মেজর হাফিজ বলেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। সারা পৃথিবী জানে বাঙালি জাতি লড়াইয়ের প্রতিরোধ করতে জানে। মুক্তিযুদ্ধ যদি না হতো তাহলে দেখা যেত এক মাস পরে ভারতে যারা পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে তারা দেশে ফিরত এবং শেখ মুজিবকে প্রধানমন্ত্রী বানানো হতো। আমরা দেশ বাঁচাতে এবং মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার্থে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছি।
আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশে কেন পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রে এরকম দুর্নীতি করেছে কোনো দল এটার প্রমাণ পাওয়া যাবে না। বিএনপি এবং ছাত্র জনতার ত্যাগের ফলে আমরা আবার নতুন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি। সুতরাং আমাদের উচিত এই সময়ে সবার ঐক্যবদ্ধ থাকা।
ভারতেকে উদ্দেশ্য করে মেজর হাফিজ বলেন, তাদের পছন্দের নেত্রী বিদায় হওয়াতে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। এখন বাংলাদেশের মধ্যে প্রবেশ করে আম গাছ কেটে নিয়ে যায়, বাংলাদেশের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা নিরবে অবলোকন করছি। ভুলে যাবেন না ৭১ সালে যুদ্ধ করে আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশে নতুন একটি কথা শোনা যাচ্ছে প্রোক্লেমেশন। মনে হচ্ছে দেশটা এই প্রথম স্বাধীন হলো। এখানে যারা উপস্থিত রয়েছেন তারা ৭১ সালের সেই দিনের কথা মনে করুন। যারা হাসতে হাসতে জীবন দিয়েছেন। জীবনটা একেবারেই তুচ্ছ। এটা প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধার মনের কথা। আমরা যুদ্ধ করেছি কেন? গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। মানবিক, মানবতা, সাম্য এ লক্ষ্য ধারণ করে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। তার মধ্যে আসছে প্রোক্লেমেশন জনগণ একটা বুঝেই না।
আলোচনা সভায় নির্বাচিত সরকার যত দ্রুত আসবে দেশের মঙ্গল তত দ্রুত হবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি বলেন, নির্বাচনের কথা এই কারণে আমরা বলছি যে ১৪, ১৮, ২৪ সালে নির্বাচনে যা হয়েছে, মানুষ তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বেড়িয়ে নিজেদের ভোট প্রয়োগ করতে চায়। আর একটা নির্বাচিত সরকার যা করতে পারবেন একটা অন্তর্বর্তী সরকার তা পারবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদের ছোট বন্ধুরা, আমাদের সন্তান সমতুল্য যারা তাদেরকে বলছি। আপনারা পাকা ফল ঝাঁকি দিয়ে পেড়েছেন। ১৫-১৬ বছর আমরা ত্যাগের মধ্য দিয়ে বিশেষ করে জিয়া পরিবার বেগম খালেদা জিয়া যে অববনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে একাগ্র চিত্রে এই ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের জন্যে মানসিকভাবে কঠোর ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় একটা পর্যায়ে এসে আপনারা গাছে ঝাকি দিয়েছেন আর পাকা ফল পড়েছে। আমি নিশ্চিত এই ফল পড়তে হয়তো আর কিছুদিন সময় লাগতো। তার মানে এই নয় আপনারা সব কৃতিত্ব নেবেন এই আন্দোলনে আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে তাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবেন। এটা কখনোই কাম্য হতে পারে না।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজীজ উলফাৎ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদের আহমেদ খানের সঞ্চালনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফজলুর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৮ ঘণ্টা আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
১১ ঘণ্টা আগে