
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, পরাজিত ও পলাতক স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বিএনপি যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কুচক্রী মহল নানা অপতথ্য ও মিথ্যাচার ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।”
মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
রিজভী অভিযোগ করেন, এসব মহল একটি নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট সংগঠন আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের গোপন মিশনে নেমেছে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করছে।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, “কিছু পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা প্রকাশ করে দলের ভেতরে বিভ্রান্তি, অসন্তোষ এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে। এটি বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টি এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য একটি অশুভ প্রচারণা।”
রিজভী স্পষ্টভাবে জানান, বিএনপি এখনো কোনো প্রার্থীকে “সবুজ সংকেত” দেয়নি। তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছি—আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি এখনো কোনো এলাকায় কোনো প্রার্থীকে চূড়ান্ত বা অঘোষিতভাবে মনোনয়ন দেয়নি। দলের নির্ধারিত গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যোগ্য, জনপ্রিয় ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়া পরিচালনা করে পার্লামেন্টারি বোর্ড, এবং তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ নিয়ে মিডিয়ায় প্রকাশিত ‘সবুজ সংকেত’ বা কথিত তালিকার কোনো ভিত্তি নেই।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সারা দেশে দলীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের একযোগে মাঠে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “তারেক রহমান বারবার বলে আসছেন—জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক শক্তির উৎস। জনগণের ভালোবাসায় থাকতে হবে, এবং জনগণকে ভালোবাসায় রাখতে হবে।”
তিনি আরও জানান, তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের কাছে বিএনপির ৩১ দফা ‘জনগণের মুক্তির সনদ’ তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, “দলীয় কার্যক্রমে যার পারফরম্যান্স ভালো, তিনিই প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।”
রিজভী সারাদেশের বিএনপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান—“ভিত্তিহীন ও মনগড়া কোনো সংবাদে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকুন, জনগণের পাশে থাকুন এবং ধানের শীষের বিজয়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন।”
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য(দফর সংযুক্ত) আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, পরাজিত ও পলাতক স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বিএনপি যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কুচক্রী মহল নানা অপতথ্য ও মিথ্যাচার ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।”
মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
রিজভী অভিযোগ করেন, এসব মহল একটি নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট সংগঠন আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের গোপন মিশনে নেমেছে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করছে।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, “কিছু পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা প্রকাশ করে দলের ভেতরে বিভ্রান্তি, অসন্তোষ এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে। এটি বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টি এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য একটি অশুভ প্রচারণা।”
রিজভী স্পষ্টভাবে জানান, বিএনপি এখনো কোনো প্রার্থীকে “সবুজ সংকেত” দেয়নি। তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছি—আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি এখনো কোনো এলাকায় কোনো প্রার্থীকে চূড়ান্ত বা অঘোষিতভাবে মনোনয়ন দেয়নি। দলের নির্ধারিত গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যোগ্য, জনপ্রিয় ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়া পরিচালনা করে পার্লামেন্টারি বোর্ড, এবং তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ নিয়ে মিডিয়ায় প্রকাশিত ‘সবুজ সংকেত’ বা কথিত তালিকার কোনো ভিত্তি নেই।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সারা দেশে দলীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের একযোগে মাঠে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “তারেক রহমান বারবার বলে আসছেন—জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক শক্তির উৎস। জনগণের ভালোবাসায় থাকতে হবে, এবং জনগণকে ভালোবাসায় রাখতে হবে।”
তিনি আরও জানান, তারেক রহমান নেতা-কর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের কাছে বিএনপির ৩১ দফা ‘জনগণের মুক্তির সনদ’ তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, “দলীয় কার্যক্রমে যার পারফরম্যান্স ভালো, তিনিই প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।”
রিজভী সারাদেশের বিএনপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান—“ভিত্তিহীন ও মনগড়া কোনো সংবাদে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকুন, জনগণের পাশে থাকুন এবং ধানের শীষের বিজয়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন।”
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য(দফর সংযুক্ত) আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের ভাগে থাকা ৩৬টি আসনের জন্য চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিতদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিবারের সদস্যরা।
২ দিন আগে
মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা বলেন, ‘বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার, আমাকে এক সময় কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক করা হয়েছিল, কিন্তু এতে আমার সম্মতি ছিল না। আমাকে না জানিয়েই, তাদের ইচ্ছা মতো ওই তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
২ দিন আগে
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু।
২ দিন আগে
সোমবার (২০ এপ্রিল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য মনোনীতদের জন্য নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হবে।’
২ দিন আগে