
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে কিছু মহল ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমাদের মনে হয় নির্বাচন হবে, তবে নির্বাচনের আগে সংস্কার ও গণভোট ইস্যুতে কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে।’
শনিবার (৮ নভেম্বর) সিলেট নগরের একটি হোটেলে ‘সমাজে নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির নির্বাচনী অগ্রাধিকার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গৌছ, সহ-সাংগঠিনক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল হক, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য নইমা খন্দকার প্রমুখ।
বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমরা কোনো আশঙ্কা প্রকাশ করিনি। আমরা চাই, বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব যাতে নির্বাচনে না পড়ে। আমরা একটি নির্বাচনমুখী দল। তবে বিভিন্ন বিষয়ে যে ষড়যন্ত্র চলছে, সেটি আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামীর নির্বাচনকে ঘিরে কিছু মহল ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে—তাতে নিশ্চয়ই সমস্যা হতে পারে। আমাদের মনে হয় নির্বাচন হবে, তবে নির্বাচনের আগে সংস্কার ও গণভোট ইস্যুতে কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে।’
গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীসহ অন্যান্য নেতাকর্মী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গুম কমিশনের কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে না। যেসব পরিবারের সদস্যরা গুম হয়েছেন, তারা সবাই অভিযোগ দিয়েছেন। যদি কমিশন সঠিকভাবে কাজ করত, তবে আমাদের নেতাকর্মীদের গুমের বিষয়ে কোনো না কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যেত।’
ঐকমত্য প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘যারা ঐকমত্যের নামে বসেছেন, তারা গুণীজন হলেও এই দেশের কেউ নন। এই দেশের সংবিধান সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। ঐকমত্যের বিষয়টি নিয়ে সরকার পুরো জাতির সঙ্গে খেলা করছে।’
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাছাই বা আসন বণ্টন নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের বেশ কিছু আসন এখনো শূন্য রয়েছে। ওই আসনগুলো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারছি না।’
আলোচনায় বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুসলিমা আক্তার চৌধুরী, সুফিয়া আক্তার হেলেন, খোদেজা রহিম কলি, স্বপ্না বেগম, সুফিয়া সোলেমান কলি, নাসিমা আক্তার খান, নুরুন্নাহার, মো. মদিনা আক্তার, হেলেনা চৌধুরী, রেহানা বেগম, মনোয়ারা বেগম, দিবা রানী দে বাবলী, শাহেনা আক্তার, সৈয়দা লাভলি সুলতানা, নাদিরা বেগম প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে কিছু মহল ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমাদের মনে হয় নির্বাচন হবে, তবে নির্বাচনের আগে সংস্কার ও গণভোট ইস্যুতে কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে।’
শনিবার (৮ নভেম্বর) সিলেট নগরের একটি হোটেলে ‘সমাজে নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির নির্বাচনী অগ্রাধিকার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গৌছ, সহ-সাংগঠিনক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল হক, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য নইমা খন্দকার প্রমুখ।
বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমরা কোনো আশঙ্কা প্রকাশ করিনি। আমরা চাই, বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব যাতে নির্বাচনে না পড়ে। আমরা একটি নির্বাচনমুখী দল। তবে বিভিন্ন বিষয়ে যে ষড়যন্ত্র চলছে, সেটি আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামীর নির্বাচনকে ঘিরে কিছু মহল ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে—তাতে নিশ্চয়ই সমস্যা হতে পারে। আমাদের মনে হয় নির্বাচন হবে, তবে নির্বাচনের আগে সংস্কার ও গণভোট ইস্যুতে কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে।’
গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীসহ অন্যান্য নেতাকর্মী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গুম কমিশনের কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে না। যেসব পরিবারের সদস্যরা গুম হয়েছেন, তারা সবাই অভিযোগ দিয়েছেন। যদি কমিশন সঠিকভাবে কাজ করত, তবে আমাদের নেতাকর্মীদের গুমের বিষয়ে কোনো না কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যেত।’
ঐকমত্য প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘যারা ঐকমত্যের নামে বসেছেন, তারা গুণীজন হলেও এই দেশের কেউ নন। এই দেশের সংবিধান সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। ঐকমত্যের বিষয়টি নিয়ে সরকার পুরো জাতির সঙ্গে খেলা করছে।’
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাছাই বা আসন বণ্টন নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের বেশ কিছু আসন এখনো শূন্য রয়েছে। ওই আসনগুলো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারছি না।’
আলোচনায় বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুসলিমা আক্তার চৌধুরী, সুফিয়া আক্তার হেলেন, খোদেজা রহিম কলি, স্বপ্না বেগম, সুফিয়া সোলেমান কলি, নাসিমা আক্তার খান, নুরুন্নাহার, মো. মদিনা আক্তার, হেলেনা চৌধুরী, রেহানা বেগম, মনোয়ারা বেগম, দিবা রানী দে বাবলী, শাহেনা আক্তার, সৈয়দা লাভলি সুলতানা, নাদিরা বেগম প্রমুখ।

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
১৩ ঘণ্টা আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
১ দিন আগে
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দা
১ দিন আগে